ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় উন্নতি, জানালেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের লাগেজ ব্যবস্থাপনায় আগের চেয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ গত শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে জানান, বিমানবন্দরের কর্মীরা বর্তমানে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং নতুন জনবল নিয়োগের ফলে এই সেবায় গতি এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। যাত্রীরাও জানিয়েছেন যে, বিমান থেকে নামার পর লাগেজ সংগ্রহের অপেক্ষায় তাদের আগের চেয়ে কিছুটা কম সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে লাগেজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে মূলত দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস তাদের নিজস্ব উড়োজাহাজের লাগেজ ব্যবস্থাপনার কাজটি নিজেরাই সম্পন্ন করে। অন্যদিকে, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাকি সব এয়ারলাইনসের লাগেজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনের তুলনায় কম জনবল নিয়ে কাজ করায় বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষ চাপের মুখে ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জনবল সংকট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে শিগগিরই নতুন একটি লাগেজ হ্যান্ডলিং দল কাজে যোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ আরও জানান, অবশিষ্ট জনবল সংকট দ্রুত সমাধানের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে লাগেজ পেতে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় আরও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, সমন্বয় ও বিশেষ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সেবার মান ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে।

যাত্রীরা যেকোনো ধরনের অভিযোগ, মতামত বা পরামর্শ জানাতে বিমানবন্দরের ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা ১৩৬০০ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া, লাগেজ হারিয়ে গেলে বিমানবন্দরের হারানো ও প্রাপ্তি বিভাগে এবং লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের কাছে অভিযোগ দাখিল করতে হবে। বিমানবন্দরের কোনো সেবা নিয়ে হয়রানির শিকার হলে এক নম্বর টার্মিনালের এক নম্বর গেটসংলগ্ন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। যাত্রীদের আস্থা অর্জনে লাগেজ দ্রুত ও নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

দুই সপ্তাহ পর ফের চালু রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় উন্নতি, জানালেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

আপডেট সময় ১১:২৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের লাগেজ ব্যবস্থাপনায় আগের চেয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ গত শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে জানান, বিমানবন্দরের কর্মীরা বর্তমানে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং নতুন জনবল নিয়োগের ফলে এই সেবায় গতি এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। যাত্রীরাও জানিয়েছেন যে, বিমান থেকে নামার পর লাগেজ সংগ্রহের অপেক্ষায় তাদের আগের চেয়ে কিছুটা কম সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে লাগেজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে মূলত দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস তাদের নিজস্ব উড়োজাহাজের লাগেজ ব্যবস্থাপনার কাজটি নিজেরাই সম্পন্ন করে। অন্যদিকে, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাকি সব এয়ারলাইনসের লাগেজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনের তুলনায় কম জনবল নিয়ে কাজ করায় বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষ চাপের মুখে ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জনবল সংকট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে শিগগিরই নতুন একটি লাগেজ হ্যান্ডলিং দল কাজে যোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ আরও জানান, অবশিষ্ট জনবল সংকট দ্রুত সমাধানের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে লাগেজ পেতে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় আরও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, সমন্বয় ও বিশেষ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সেবার মান ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে।

যাত্রীরা যেকোনো ধরনের অভিযোগ, মতামত বা পরামর্শ জানাতে বিমানবন্দরের ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা ১৩৬০০ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া, লাগেজ হারিয়ে গেলে বিমানবন্দরের হারানো ও প্রাপ্তি বিভাগে এবং লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের কাছে অভিযোগ দাখিল করতে হবে। বিমানবন্দরের কোনো সেবা নিয়ে হয়রানির শিকার হলে এক নম্বর টার্মিনালের এক নম্বর গেটসংলগ্ন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। যাত্রীদের আস্থা অর্জনে লাগেজ দ্রুত ও নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।