ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

সৌদি আরবের মক্কা-মদিনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আতঙ্ক

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীকে লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী।

সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার পর সেগুলোর বিভিন্ন অংশ মক্কা, জেদ্দা, তায়েফ এবং রাবিগ শহরের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে পড়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ-কে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মক্কার ওয়াদি আল-মাগমাস এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের কিছু ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। একইভাবে জেদ্দার আল-নুজহা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিগ গভর্নরেটের মাসতুরাহ সেন্টারেও এসব ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে গৃহীত নিয়ম ও প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই হুতি বিদ্রোহীরা মক্কা বা মদিনার মতো পবিত্র শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে বলে এএফপি সূত্রে জানা গেছে।

পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত ১লা অক্টোবর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, দুই দিন আগে হুতিরা মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছিল। এতে একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। জোটের দাবি, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ও তদন্ত থেকে এটি স্পষ্ট যে, হুতিরাই এই হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছিল। ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মসজিদে নববীতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে হুতিরা এই হামলার দায় বা অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণ আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি হুতি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করে সৌদি বাহিনী। জোটের ভাষ্যমতে, ২০১৭ সালের পর পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি ছিল দ্বিতীয় কোনো বড় প্রচেষ্টা। যদিও হুতিরা বরাবরের মতোই তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই পবিত্র স্থান লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ নাকচ করে আসছে। একইদিনে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ মক্কাসহ ইয়ানবু, তায়েফ, জেদ্দা ও তাবুক অঞ্চলের জন্য একাধিক নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি করেছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলার সাথে হুতিদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ থাকার দাবি করলেও বিদ্রোহীরা নিয়মিতই তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

আপলোডকারীর তথ্য

আরআরএফে ৪৪০ জন নিয়োগ: সরাসরি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ

সৌদি আরবের মক্কা-মদিনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আতঙ্ক

আপডেট সময় ০৯:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীকে লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী।

সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার পর সেগুলোর বিভিন্ন অংশ মক্কা, জেদ্দা, তায়েফ এবং রাবিগ শহরের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে পড়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ-কে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মক্কার ওয়াদি আল-মাগমাস এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের কিছু ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। একইভাবে জেদ্দার আল-নুজহা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিগ গভর্নরেটের মাসতুরাহ সেন্টারেও এসব ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে গৃহীত নিয়ম ও প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই হুতি বিদ্রোহীরা মক্কা বা মদিনার মতো পবিত্র শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে বলে এএফপি সূত্রে জানা গেছে।

পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত ১লা অক্টোবর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, দুই দিন আগে হুতিরা মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছিল। এতে একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। জোটের দাবি, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ও তদন্ত থেকে এটি স্পষ্ট যে, হুতিরাই এই হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছিল। ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মসজিদে নববীতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে হুতিরা এই হামলার দায় বা অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণ আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি হুতি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করে সৌদি বাহিনী। জোটের ভাষ্যমতে, ২০১৭ সালের পর পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি ছিল দ্বিতীয় কোনো বড় প্রচেষ্টা। যদিও হুতিরা বরাবরের মতোই তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই পবিত্র স্থান লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ নাকচ করে আসছে। একইদিনে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ মক্কাসহ ইয়ানবু, তায়েফ, জেদ্দা ও তাবুক অঞ্চলের জন্য একাধিক নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি করেছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলার সাথে হুতিদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ থাকার দাবি করলেও বিদ্রোহীরা নিয়মিতই তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।