ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা খসড়া: হরমুজে ফিরছে বাণিজ্যিক জাহাজ, সরছে মার্কিন অবরোধ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক খসড়া তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। এই খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ইরানের আশপাশ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে হবে এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি (IRIB)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পদক্ষেপের জবাবে ইরানও আগামী এক মাসের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতা থেকে সামরিক জাহাজগুলোকে সম্পূর্ণ বাইরে রাখা হয়েছে। ওমানের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার ভিত্তিতে এই প্রণালির নৌ-যান চলাচল ও রুট নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান।

উল্লেখ্য, আইআরআইবি সংবাদমাধ্যমটি ইরানি প্রশাসনের কট্টরপন্থী মনোভাবের প্রতিনিধি হিসেবেই পরিচিত।

প্রতিবেদনে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, চুক্তির এই রূপরেখাটি এখনো চূড়ান্ত রূপ পায়নি এবং কোনো ধরনের ‘বাস্তব ও দৃশ্যমান যাচাইকরণ’ ছাড়া তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। বর্তমানে খসড়া লেখার শব্দবিন্যাস সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও নথির আদান-প্রদান চলছে। খসড়া অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে যদি একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়, তবে এই সমঝোতা স্মারকটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাব হিসেবে অনুমোদিত হবে।

ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসা এই সমঝোতা স্মারকটিকে মূলত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত ভবিষ্যৎ আলোচনার একটি পথনকশা বা রোডম্যাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ইরানি সংবাদমাধ্যমের এমন চাঞ্চল্যকর দাবির বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা খসড়া: হরমুজে ফিরছে বাণিজ্যিক জাহাজ, সরছে মার্কিন অবরোধ

আপডেট সময় ০৯:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক খসড়া তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। এই খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ইরানের আশপাশ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে হবে এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি (IRIB)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পদক্ষেপের জবাবে ইরানও আগামী এক মাসের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতা থেকে সামরিক জাহাজগুলোকে সম্পূর্ণ বাইরে রাখা হয়েছে। ওমানের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার ভিত্তিতে এই প্রণালির নৌ-যান চলাচল ও রুট নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান।

উল্লেখ্য, আইআরআইবি সংবাদমাধ্যমটি ইরানি প্রশাসনের কট্টরপন্থী মনোভাবের প্রতিনিধি হিসেবেই পরিচিত।

প্রতিবেদনে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, চুক্তির এই রূপরেখাটি এখনো চূড়ান্ত রূপ পায়নি এবং কোনো ধরনের ‘বাস্তব ও দৃশ্যমান যাচাইকরণ’ ছাড়া তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। বর্তমানে খসড়া লেখার শব্দবিন্যাস সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও নথির আদান-প্রদান চলছে। খসড়া অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে যদি একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়, তবে এই সমঝোতা স্মারকটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাব হিসেবে অনুমোদিত হবে।

ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসা এই সমঝোতা স্মারকটিকে মূলত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত ভবিষ্যৎ আলোচনার একটি পথনকশা বা রোডম্যাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ইরানি সংবাদমাধ্যমের এমন চাঞ্চল্যকর দাবির বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।