ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চরিত্র গঠন হয়: মাহদী আমিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শিক্ষা শুধু একটি সনদপত্র নয়, এটি একটি যাত্রা, যা মূল্যবোধ গঠন করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চরিত্র গঠন হয়।শিক্ষা মানুষকে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিকত্বে অনুপ্রাণিত করে। এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন এবং জীবনে সফল হওয়ার জন্য ব্যক্তিকে জ্ঞান, দক্ষতা এবং প্রজ্ঞা দিয়ে ক্ষমতায়ন করা।’

সোমবার (১৮ মে) লন্ডনে অনুষ্ঠিত এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম-২০২৬ এ তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ ১৫০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬ নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ তাদের ফেরিফাইড পেজে মাহদী আমিনের বক্তব্য ও ছবি দিয়ে একটি ফটোকার্ড পোষ্ট করেছে।

পোস্টে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনের কাছ থেকে মূল্যবোধ, দক্ষতা এবং বৈশ্বিক নাগরিকত্বের চালিকাশক্তি হিসেবে শিক্ষার বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি জানাটা অনুপ্রেরণাদায়ক। আমরা টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্ভাবনী অর্থায়ন বিষয়ক সংলাপ এবং এর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রত্যাশা করছি।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন তার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি চার দিনের জন্য লন্ডনে ফিরেছি ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম’-এ যোগ দিতে, যেখানে আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছি এবং আমাদের শিক্ষামন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন। এই সমাবেশে ১০০ জনেরও বেশি শিক্ষা ও দক্ষতা মন্ত্রী এবং প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অংশীজনরা অংশ নিচ্ছেন।’

‘লন্ডন সেই শহর যা আমার জীবনের কিছু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে রূপ দিয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় যাত্রার অনেক সংকটময় মুহূর্তে আমি নিজেকে এখানে পেয়েছি, গণতন্ত্রের জন্য এক গভীর আশাকে ধারণ করে ইতিহাসে অবদান রাখার চেষ্টায়।’

তিনি লেখেন, ‘এই সেই শহর যেখানে পনেরো বছর আগে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল এবং তাঁর সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলাম; এটি একটি অমূল্য যাত্রা যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়েছে। এটি সেই শহর যেখানে আমি গত দুই দশক ধরে প্রতি বছর এসেছি, এবং প্রতিটি সফরই বন্ধুত্ব, স্মৃতি, শিক্ষা এবং আকাঙ্ক্ষা বয়ে এনেছে।’

‘কিন্তু এই সফরটি অন্যরকম লাগছে। প্রথমবারের মতো আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে ফিরেছি। মাতৃভূমির প্রতি এক বৃহত্তর দায়িত্ব বহন করে লন্ডনের পরিচিত রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার মধ্যে এক ধরনের বিনম্র অনুভূতি রয়েছে।’

তিনি লেখেন, ‘সময় আমার ভূমিকা বদলে দিয়েছে, এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে আমি সর্বোচ্চ দৃঢ়তা, মর্যাদা ও সততার সঙ্গে বাংলাদেশের সেবা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিপুল গণতান্ত্রিক জনরায়ের ওপর ভিত্তি করে, বাংলাদেশকে রূপান্তরিত করার এবং একটি সমৃদ্ধ, দক্ষ ও নীতিবান কর্মশক্তি গড়ে তোলার এটাই আমাদের সুযোগ।’

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও লেখেন, ‘দায়িত্ব বিশাল, কিন্তু পরিবর্তন আনার এবং আমাদের তরুণ, নারী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাকে উন্মোচন করার সুযোগও ঠিক ততটাই বিশাল। আসুন আমরা একসঙ্গে বাংলাদেশ গড়ি; এবং সময় ও আনুষঙ্গিক সীমাবদ্ধতার কারণে এবার যাদের সঙ্গে দেখা করতে পারছি না, সেই সকল বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিরিয়ায় জর্ডানের বিমান হামলায় একই পরিবারের ৫ জনসহ নিহত অন্তত ৭

শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চরিত্র গঠন হয়: মাহদী আমিন

আপডেট সময় ০৭:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শিক্ষা শুধু একটি সনদপত্র নয়, এটি একটি যাত্রা, যা মূল্যবোধ গঠন করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চরিত্র গঠন হয়।শিক্ষা মানুষকে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিকত্বে অনুপ্রাণিত করে। এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন এবং জীবনে সফল হওয়ার জন্য ব্যক্তিকে জ্ঞান, দক্ষতা এবং প্রজ্ঞা দিয়ে ক্ষমতায়ন করা।’

সোমবার (১৮ মে) লন্ডনে অনুষ্ঠিত এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম-২০২৬ এ তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ ১৫০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬ নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ তাদের ফেরিফাইড পেজে মাহদী আমিনের বক্তব্য ও ছবি দিয়ে একটি ফটোকার্ড পোষ্ট করেছে।

পোস্টে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনের কাছ থেকে মূল্যবোধ, দক্ষতা এবং বৈশ্বিক নাগরিকত্বের চালিকাশক্তি হিসেবে শিক্ষার বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি জানাটা অনুপ্রেরণাদায়ক। আমরা টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্ভাবনী অর্থায়ন বিষয়ক সংলাপ এবং এর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রত্যাশা করছি।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন তার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি চার দিনের জন্য লন্ডনে ফিরেছি ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম’-এ যোগ দিতে, যেখানে আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছি এবং আমাদের শিক্ষামন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন। এই সমাবেশে ১০০ জনেরও বেশি শিক্ষা ও দক্ষতা মন্ত্রী এবং প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অংশীজনরা অংশ নিচ্ছেন।’

‘লন্ডন সেই শহর যা আমার জীবনের কিছু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে রূপ দিয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় যাত্রার অনেক সংকটময় মুহূর্তে আমি নিজেকে এখানে পেয়েছি, গণতন্ত্রের জন্য এক গভীর আশাকে ধারণ করে ইতিহাসে অবদান রাখার চেষ্টায়।’

তিনি লেখেন, ‘এই সেই শহর যেখানে পনেরো বছর আগে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল এবং তাঁর সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলাম; এটি একটি অমূল্য যাত্রা যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়েছে। এটি সেই শহর যেখানে আমি গত দুই দশক ধরে প্রতি বছর এসেছি, এবং প্রতিটি সফরই বন্ধুত্ব, স্মৃতি, শিক্ষা এবং আকাঙ্ক্ষা বয়ে এনেছে।’

‘কিন্তু এই সফরটি অন্যরকম লাগছে। প্রথমবারের মতো আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে ফিরেছি। মাতৃভূমির প্রতি এক বৃহত্তর দায়িত্ব বহন করে লন্ডনের পরিচিত রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার মধ্যে এক ধরনের বিনম্র অনুভূতি রয়েছে।’

তিনি লেখেন, ‘সময় আমার ভূমিকা বদলে দিয়েছে, এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে আমি সর্বোচ্চ দৃঢ়তা, মর্যাদা ও সততার সঙ্গে বাংলাদেশের সেবা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিপুল গণতান্ত্রিক জনরায়ের ওপর ভিত্তি করে, বাংলাদেশকে রূপান্তরিত করার এবং একটি সমৃদ্ধ, দক্ষ ও নীতিবান কর্মশক্তি গড়ে তোলার এটাই আমাদের সুযোগ।’

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও লেখেন, ‘দায়িত্ব বিশাল, কিন্তু পরিবর্তন আনার এবং আমাদের তরুণ, নারী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাকে উন্মোচন করার সুযোগও ঠিক ততটাই বিশাল। আসুন আমরা একসঙ্গে বাংলাদেশ গড়ি; এবং সময় ও আনুষঙ্গিক সীমাবদ্ধতার কারণে এবার যাদের সঙ্গে দেখা করতে পারছি না, সেই সকল বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’