ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আপডেট সময় ১১:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।