ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বিশ্ব, আইইএ প্রধানের সতর্কবার্তা ঢাকায় লোডশেডিং ১-২ ঘণ্টা আর গ্রামে ১৪ ঘণ্টা: সংসদে রুমিন ফারহানা সংসদে নারী আসনের সদস্যদের ভূমিকাও জরুরি: সেলিমা রহমান ১০০০ মাদরাসায় চালু হচ্ছে কারিগরি ট্রেড কোর্স: শিক্ষামন্ত্রী ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষ আসেন কেবল ‘সন্তান জন্ম’ দিতে: ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি শেষের তারিখ ইসরায়েলকে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: কান বেসরকারি উদ্যোগে চালু হবে সরকারি ৬টি বন্ধ পাটকল : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী হাতকড়া পরে বোনের জানাজায় আ.লীগ নেতা যুক্তরাষ্ট্রে ২ বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নিখোঁজ জনসেবার দোহাই দিয়ে জনগণের করের টাকায় এমপিদের বিলাসিতা অনৈতিক

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বিশ্ব, আইইএ প্রধানের সতর্কবার্তা

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আপডেট সময় ১১:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।