ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না: দ্য উইককে ফখরুল মুন্সীগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রলির নিচে ঢুকে পড়ল বাইক, তিন বন্ধু নিহত বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ ‘তদন্তকারী কর্মকর্তাকে টাকা দিতে পারিনি, তাই আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে’ যারা চাঁদাবাজি ধান্দাবাজি-মামলাবাজি করে তাদেরকে ভোট দেবেন না: মান্না এবার বাবরের গণসংযোগে নেমেছেন তৃতীয় লিঙ্গরা মানুষ অনেক কষ্টে রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে ভোটের অধিকার অর্জন করেছে : মির্জা আব্বাস বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকারের রেদওয়ান রাজাকারদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দেওয়া যাবে না : আমান হাদি হত্যার বিচার চেয়ে যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না: দ্য উইককে ফখরুল

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আপডেট সময় ১১:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।