আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
এবার ট্রাম্পের কাছে নাকানিচুবানি খেলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে হামলার জন্য রাজি করাতে। তবে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে পাত্তা দেননি। তিনি কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজছেন।
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি উচ্চপর্যায়ের এক নিরাপত্তা বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামির এবং মোসাদের পরিচালক ডেভিড বার্নিয়া।
সেনাপ্রধান ইয়াল জামির সম্প্রতি অত্যন্ত গোপনে বেসরকারি বিমানে চড়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। এসময় তিনি পেন্টাগনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন, মার্কিন জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ জেনারেল ড্যান কেইন এবং ইয়াল জামিরের মধ্যে পেন্টাগনে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। যদিও আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে ইরানের ক্রমবর্ধমান পরমাণু তৎপরতা ও আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনার জন্য ক্রমাগত চাপের মুখে মধ্যপ্রাচ্যে নৌ ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে ওয়াশিংটন।
সেনাপ্রধান ইয়াল জামির এক পরিস্থিতি মূল্যায়ন সভায় ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, আগামী দুই সপ্তাহ থেকে দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালাতে পারে। তিনি বর্তমান সময়কে চরম অনিশ্চয়তার সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে আর্মি রেডিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় ধরনের কোনো হামলার আশঙ্কা কম। অন্যদিকে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবে ইরানের ওপর আক্রমণ করলে তা সমগ্র অঞ্চলে ভয়াবহ সংঘাতের সূচনা করবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















