ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না, আমি মৌলবাদী না: শফিকুর রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ইউনাইটেড বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমি বারবার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না। কারণ এরাও তো আমাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আমি কোনো মৌলবাদী মুসলমান না, আর মৌলবাদ খারাপ কিছু নয়।

 লন্ডনে একটি স্থানীয় হলে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, মূল না থাকলে গাছের অস্তিত্ব টিকবে না। মূল আমাদের লাগবে। তবে যে সেন্সে মৌলবাদ বলা হয়, আমি ওই মৌলবাদী মুসলমান না।

জামায়াতের আমির বলেন, ভুল মানুষই করে, দুর্নীতিও মানুষ করতে পারে। ভুল যে করবে সে ক্ষমা চাইবে, দুর্নীতি যারা করবে তারা শাস্তি পাবে। ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে কোনো অবিচার করে নয়। কারো ওপর জুলুম করে নয়। বারবার তাদের গালি দিতে হবে, আমি এটাকে ভালো মনে করি না।

তিনি বলেন, এজন্য আমি বলব- অতীতে যারা রাজনীতি করে গেছেন তারা ভুল করুক আর শুদ্ধ করুক তারা তো করে গেছেন, এখন আমরা কী করবো সেটা ভাবি। শুধু তাদের পেছনে পড়ে থাকলে আমাদের লাভ কী হবে? তারা যা করেছেন এর সাক্ষী জাতি হয়ে গেছে। জাতি বিচার করবে তাদের কী করবে না করবে। এখন কথা হলো জাতির জন্য আমরা কী করব?

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নয় একটি পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে বলছি যে, এমন একটি বাংলাদেশ চাই, ধর্ম-বর্ণ, দলমত কোনো কিছুতেই ডিসপ্যারিটি থাকবে না, তা উচিত নয়। একজন নাগরিক জন্ম নেওয়ার পর সে কোন ধর্মের কোন বর্ণের তা বিবেচ্য বিষয় নয়, তবে ভাবতে হতে সে বাংলাদেশি নাগরিক, এটাই তার বড় পরিচয়।

আমি বারবার একটি কথা বলে আসছি- যদি মসজিদ পাহারা দেওয়ার দরকার না হয়, তাহলে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগবে কেন? নিশ্চয়ই এমন একটি কাজ আমরা করেছি, যার কারণে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগে। সেই কারণটি দূর করতে হবে; যাতে কারো কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া না লাগে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না, আমি মৌলবাদী না: শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০৫:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ইউনাইটেড বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমি বারবার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না। কারণ এরাও তো আমাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আমি কোনো মৌলবাদী মুসলমান না, আর মৌলবাদ খারাপ কিছু নয়।

 লন্ডনে একটি স্থানীয় হলে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, মূল না থাকলে গাছের অস্তিত্ব টিকবে না। মূল আমাদের লাগবে। তবে যে সেন্সে মৌলবাদ বলা হয়, আমি ওই মৌলবাদী মুসলমান না।

জামায়াতের আমির বলেন, ভুল মানুষই করে, দুর্নীতিও মানুষ করতে পারে। ভুল যে করবে সে ক্ষমা চাইবে, দুর্নীতি যারা করবে তারা শাস্তি পাবে। ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে কোনো অবিচার করে নয়। কারো ওপর জুলুম করে নয়। বারবার তাদের গালি দিতে হবে, আমি এটাকে ভালো মনে করি না।

তিনি বলেন, এজন্য আমি বলব- অতীতে যারা রাজনীতি করে গেছেন তারা ভুল করুক আর শুদ্ধ করুক তারা তো করে গেছেন, এখন আমরা কী করবো সেটা ভাবি। শুধু তাদের পেছনে পড়ে থাকলে আমাদের লাভ কী হবে? তারা যা করেছেন এর সাক্ষী জাতি হয়ে গেছে। জাতি বিচার করবে তাদের কী করবে না করবে। এখন কথা হলো জাতির জন্য আমরা কী করব?

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নয় একটি পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে বলছি যে, এমন একটি বাংলাদেশ চাই, ধর্ম-বর্ণ, দলমত কোনো কিছুতেই ডিসপ্যারিটি থাকবে না, তা উচিত নয়। একজন নাগরিক জন্ম নেওয়ার পর সে কোন ধর্মের কোন বর্ণের তা বিবেচ্য বিষয় নয়, তবে ভাবতে হতে সে বাংলাদেশি নাগরিক, এটাই তার বড় পরিচয়।

আমি বারবার একটি কথা বলে আসছি- যদি মসজিদ পাহারা দেওয়ার দরকার না হয়, তাহলে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগবে কেন? নিশ্চয়ই এমন একটি কাজ আমরা করেছি, যার কারণে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগে। সেই কারণটি দূর করতে হবে; যাতে কারো কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া না লাগে।