ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না, আমি মৌলবাদী না: শফিকুর রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ইউনাইটেড বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমি বারবার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না। কারণ এরাও তো আমাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আমি কোনো মৌলবাদী মুসলমান না, আর মৌলবাদ খারাপ কিছু নয়।

 লন্ডনে একটি স্থানীয় হলে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, মূল না থাকলে গাছের অস্তিত্ব টিকবে না। মূল আমাদের লাগবে। তবে যে সেন্সে মৌলবাদ বলা হয়, আমি ওই মৌলবাদী মুসলমান না।

জামায়াতের আমির বলেন, ভুল মানুষই করে, দুর্নীতিও মানুষ করতে পারে। ভুল যে করবে সে ক্ষমা চাইবে, দুর্নীতি যারা করবে তারা শাস্তি পাবে। ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে কোনো অবিচার করে নয়। কারো ওপর জুলুম করে নয়। বারবার তাদের গালি দিতে হবে, আমি এটাকে ভালো মনে করি না।

তিনি বলেন, এজন্য আমি বলব- অতীতে যারা রাজনীতি করে গেছেন তারা ভুল করুক আর শুদ্ধ করুক তারা তো করে গেছেন, এখন আমরা কী করবো সেটা ভাবি। শুধু তাদের পেছনে পড়ে থাকলে আমাদের লাভ কী হবে? তারা যা করেছেন এর সাক্ষী জাতি হয়ে গেছে। জাতি বিচার করবে তাদের কী করবে না করবে। এখন কথা হলো জাতির জন্য আমরা কী করব?

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নয় একটি পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে বলছি যে, এমন একটি বাংলাদেশ চাই, ধর্ম-বর্ণ, দলমত কোনো কিছুতেই ডিসপ্যারিটি থাকবে না, তা উচিত নয়। একজন নাগরিক জন্ম নেওয়ার পর সে কোন ধর্মের কোন বর্ণের তা বিবেচ্য বিষয় নয়, তবে ভাবতে হতে সে বাংলাদেশি নাগরিক, এটাই তার বড় পরিচয়।

আমি বারবার একটি কথা বলে আসছি- যদি মসজিদ পাহারা দেওয়ার দরকার না হয়, তাহলে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগবে কেন? নিশ্চয়ই এমন একটি কাজ আমরা করেছি, যার কারণে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগে। সেই কারণটি দূর করতে হবে; যাতে কারো কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া না লাগে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না, আমি মৌলবাদী না: শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০৫:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ইউনাইটেড বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমি বারবার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না। কারণ এরাও তো আমাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আমি কোনো মৌলবাদী মুসলমান না, আর মৌলবাদ খারাপ কিছু নয়।

 লন্ডনে একটি স্থানীয় হলে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, মূল না থাকলে গাছের অস্তিত্ব টিকবে না। মূল আমাদের লাগবে। তবে যে সেন্সে মৌলবাদ বলা হয়, আমি ওই মৌলবাদী মুসলমান না।

জামায়াতের আমির বলেন, ভুল মানুষই করে, দুর্নীতিও মানুষ করতে পারে। ভুল যে করবে সে ক্ষমা চাইবে, দুর্নীতি যারা করবে তারা শাস্তি পাবে। ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে কোনো অবিচার করে নয়। কারো ওপর জুলুম করে নয়। বারবার তাদের গালি দিতে হবে, আমি এটাকে ভালো মনে করি না।

তিনি বলেন, এজন্য আমি বলব- অতীতে যারা রাজনীতি করে গেছেন তারা ভুল করুক আর শুদ্ধ করুক তারা তো করে গেছেন, এখন আমরা কী করবো সেটা ভাবি। শুধু তাদের পেছনে পড়ে থাকলে আমাদের লাভ কী হবে? তারা যা করেছেন এর সাক্ষী জাতি হয়ে গেছে। জাতি বিচার করবে তাদের কী করবে না করবে। এখন কথা হলো জাতির জন্য আমরা কী করব?

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নয় একটি পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে বলছি যে, এমন একটি বাংলাদেশ চাই, ধর্ম-বর্ণ, দলমত কোনো কিছুতেই ডিসপ্যারিটি থাকবে না, তা উচিত নয়। একজন নাগরিক জন্ম নেওয়ার পর সে কোন ধর্মের কোন বর্ণের তা বিবেচ্য বিষয় নয়, তবে ভাবতে হতে সে বাংলাদেশি নাগরিক, এটাই তার বড় পরিচয়।

আমি বারবার একটি কথা বলে আসছি- যদি মসজিদ পাহারা দেওয়ার দরকার না হয়, তাহলে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগবে কেন? নিশ্চয়ই এমন একটি কাজ আমরা করেছি, যার কারণে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগে। সেই কারণটি দূর করতে হবে; যাতে কারো কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া না লাগে।