ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের

বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না, আমি মৌলবাদী না: শফিকুর রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ইউনাইটেড বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমি বারবার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না। কারণ এরাও তো আমাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আমি কোনো মৌলবাদী মুসলমান না, আর মৌলবাদ খারাপ কিছু নয়।

 লন্ডনে একটি স্থানীয় হলে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, মূল না থাকলে গাছের অস্তিত্ব টিকবে না। মূল আমাদের লাগবে। তবে যে সেন্সে মৌলবাদ বলা হয়, আমি ওই মৌলবাদী মুসলমান না।

জামায়াতের আমির বলেন, ভুল মানুষই করে, দুর্নীতিও মানুষ করতে পারে। ভুল যে করবে সে ক্ষমা চাইবে, দুর্নীতি যারা করবে তারা শাস্তি পাবে। ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে কোনো অবিচার করে নয়। কারো ওপর জুলুম করে নয়। বারবার তাদের গালি দিতে হবে, আমি এটাকে ভালো মনে করি না।

তিনি বলেন, এজন্য আমি বলব- অতীতে যারা রাজনীতি করে গেছেন তারা ভুল করুক আর শুদ্ধ করুক তারা তো করে গেছেন, এখন আমরা কী করবো সেটা ভাবি। শুধু তাদের পেছনে পড়ে থাকলে আমাদের লাভ কী হবে? তারা যা করেছেন এর সাক্ষী জাতি হয়ে গেছে। জাতি বিচার করবে তাদের কী করবে না করবে। এখন কথা হলো জাতির জন্য আমরা কী করব?

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নয় একটি পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে বলছি যে, এমন একটি বাংলাদেশ চাই, ধর্ম-বর্ণ, দলমত কোনো কিছুতেই ডিসপ্যারিটি থাকবে না, তা উচিত নয়। একজন নাগরিক জন্ম নেওয়ার পর সে কোন ধর্মের কোন বর্ণের তা বিবেচ্য বিষয় নয়, তবে ভাবতে হতে সে বাংলাদেশি নাগরিক, এটাই তার বড় পরিচয়।

আমি বারবার একটি কথা বলে আসছি- যদি মসজিদ পাহারা দেওয়ার দরকার না হয়, তাহলে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগবে কেন? নিশ্চয়ই এমন একটি কাজ আমরা করেছি, যার কারণে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগে। সেই কারণটি দূর করতে হবে; যাতে কারো কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া না লাগে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না, আমি মৌলবাদী না: শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০৫:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ইউনাইটেড বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমি বারবার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না। কারণ এরাও তো আমাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। আমি কোনো মৌলবাদী মুসলমান না, আর মৌলবাদ খারাপ কিছু নয়।

 লন্ডনে একটি স্থানীয় হলে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, মূল না থাকলে গাছের অস্তিত্ব টিকবে না। মূল আমাদের লাগবে। তবে যে সেন্সে মৌলবাদ বলা হয়, আমি ওই মৌলবাদী মুসলমান না।

জামায়াতের আমির বলেন, ভুল মানুষই করে, দুর্নীতিও মানুষ করতে পারে। ভুল যে করবে সে ক্ষমা চাইবে, দুর্নীতি যারা করবে তারা শাস্তি পাবে। ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে কোনো অবিচার করে নয়। কারো ওপর জুলুম করে নয়। বারবার তাদের গালি দিতে হবে, আমি এটাকে ভালো মনে করি না।

তিনি বলেন, এজন্য আমি বলব- অতীতে যারা রাজনীতি করে গেছেন তারা ভুল করুক আর শুদ্ধ করুক তারা তো করে গেছেন, এখন আমরা কী করবো সেটা ভাবি। শুধু তাদের পেছনে পড়ে থাকলে আমাদের লাভ কী হবে? তারা যা করেছেন এর সাক্ষী জাতি হয়ে গেছে। জাতি বিচার করবে তাদের কী করবে না করবে। এখন কথা হলো জাতির জন্য আমরা কী করব?

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নয় একটি পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে বলছি যে, এমন একটি বাংলাদেশ চাই, ধর্ম-বর্ণ, দলমত কোনো কিছুতেই ডিসপ্যারিটি থাকবে না, তা উচিত নয়। একজন নাগরিক জন্ম নেওয়ার পর সে কোন ধর্মের কোন বর্ণের তা বিবেচ্য বিষয় নয়, তবে ভাবতে হতে সে বাংলাদেশি নাগরিক, এটাই তার বড় পরিচয়।

আমি বারবার একটি কথা বলে আসছি- যদি মসজিদ পাহারা দেওয়ার দরকার না হয়, তাহলে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগবে কেন? নিশ্চয়ই এমন একটি কাজ আমরা করেছি, যার কারণে মন্দির পাহারা দেওয়া লাগে। সেই কারণটি দূর করতে হবে; যাতে কারো কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া না লাগে।