ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইভ্যালি-আলিশা মার্টসহ ১০ ই-কমার্সে বিকাশে লেনদেন বন্ধ

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

কাধিক বেসরকারি ব্যাংকের পর এবার গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় দেশের আলোচিত দশটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করার ঘোষণা দিল বিকাশ। এরমধ্যে বেশি আলোচনায় থাকা ইভ্যালি, আলিশা মার্ট ও ধামাকা শপিংও আছে।

শনিবার বিকাশের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইভ্যালি, আলিশা মার্ট, ধামাকা শপিং, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদীনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস এর সঙ্গে বিকাশের পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বিকাশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই ১০টি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিকাশের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি আমরা নিবিড়ভাবে দেখব। সন্তোষজনক পরিস্থিতি তৈরি হলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।’

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইভ্যালি লোকসানে পণ্য বিক্রি করছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোতে অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে ভালো ও সৎ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং ভবিষ্যতে এই খাতের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭.১৮ কোটি টাকা। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৩.৮০ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৬৫.১৭ কোটি টাকা। কোম্পানিটি চলতি দায় ও লোকসানের দুষ্ট চক্রে বাধা পড়েছে। ক্রমাগতভাবে এমন দায় তৈরি হয়েছে যে প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব টিকে না থাকার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

এর আগে গত ২২ জুন এই ১০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটাসংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করে ব্র্যাক ব্যাংক। এরপর দিন ব্যাংক এশিয়া ও ঢাকা ব্যাংক এবং ২৪ জুন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকও গ্রাহকের স্বার্থের কথা বলে একইভাবে ওই সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের কার্ড ব্যবহার স্থগিত করে।

জানা গেছে, ১০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই বিকাশের চুক্তি ছিল। কিন্তু ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ নিয়মকানুন অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছিল না বলে বিকাশের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইভ্যালি-আলিশা মার্টসহ ১০ ই-কমার্সে বিকাশে লেনদেন বন্ধ

আপডেট সময় ০৯:৩১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুলাই ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

কাধিক বেসরকারি ব্যাংকের পর এবার গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় দেশের আলোচিত দশটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করার ঘোষণা দিল বিকাশ। এরমধ্যে বেশি আলোচনায় থাকা ইভ্যালি, আলিশা মার্ট ও ধামাকা শপিংও আছে।

শনিবার বিকাশের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইভ্যালি, আলিশা মার্ট, ধামাকা শপিং, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদীনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস এর সঙ্গে বিকাশের পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বিকাশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই ১০টি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিকাশের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি আমরা নিবিড়ভাবে দেখব। সন্তোষজনক পরিস্থিতি তৈরি হলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।’

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইভ্যালি লোকসানে পণ্য বিক্রি করছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোতে অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে ভালো ও সৎ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং ভবিষ্যতে এই খাতের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭.১৮ কোটি টাকা। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৩.৮০ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৬৫.১৭ কোটি টাকা। কোম্পানিটি চলতি দায় ও লোকসানের দুষ্ট চক্রে বাধা পড়েছে। ক্রমাগতভাবে এমন দায় তৈরি হয়েছে যে প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব টিকে না থাকার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

এর আগে গত ২২ জুন এই ১০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটাসংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করে ব্র্যাক ব্যাংক। এরপর দিন ব্যাংক এশিয়া ও ঢাকা ব্যাংক এবং ২৪ জুন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকও গ্রাহকের স্বার্থের কথা বলে একইভাবে ওই সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের কার্ড ব্যবহার স্থগিত করে।

জানা গেছে, ১০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই বিকাশের চুক্তি ছিল। কিন্তু ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ নিয়মকানুন অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছিল না বলে বিকাশের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।