ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

মিসরে মাটির নিচে পাঁচ হাজার বছর আগের মদ কারখানা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মিসরে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের একটি মদের কারখানার সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নর্থ আবিডোজ শহরের সহাজ এলাকায় মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকরা যৌথভাবে মাটির নিচে বিশালাকৃতির কারখানাটি আবিষ্কার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিসরীয় পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মাটির নিচে চাপা পড়া এই কারাখানায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ সালে সম্রাট নারমারের আমলে মদ উৎপাদন করা হতো বলে তারা মনে করছেন। আর এই ধারণা সত্যি হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো মদের কারখানা।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, অন্তত আটটি বড় ইউনিটে বিভক্ত এই কারখানার প্রতিটি ইউনিটে থরে থরে সাজানো প্রায় ৪০টি করে মাটির পাত্র রয়েছে। মূলত বিয়ার জাতীয় শস্য আর পানির একটি মিশ্রণ একধরনের বিশেষ মাটির পাত্রে গরম করা আর গাঁজানোর জন্য এগুলোর ব্যবহার করা হতো।

প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক দলের প্রধান ডেবোরাহ ভিসচাক জানান, আবিষ্কৃত প্রাচীন এই মদের কারখানায় একসঙ্গে প্রায় ২২ হাজার ৪০০ লিটার বিয়ার উৎপাদন হতো। আর এখান থেকে মিসরীয় সম্রাটদের রাজকীয় শেষকৃত্যে পানীয়ের জোগান দেয়া হতো বলে তাদের ধারনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

মিসরে মাটির নিচে পাঁচ হাজার বছর আগের মদ কারখানা!

আপডেট সময় ০৮:১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মিসরে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের একটি মদের কারখানার সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নর্থ আবিডোজ শহরের সহাজ এলাকায় মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকরা যৌথভাবে মাটির নিচে বিশালাকৃতির কারখানাটি আবিষ্কার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিসরীয় পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মাটির নিচে চাপা পড়া এই কারাখানায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ সালে সম্রাট নারমারের আমলে মদ উৎপাদন করা হতো বলে তারা মনে করছেন। আর এই ধারণা সত্যি হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো মদের কারখানা।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, অন্তত আটটি বড় ইউনিটে বিভক্ত এই কারখানার প্রতিটি ইউনিটে থরে থরে সাজানো প্রায় ৪০টি করে মাটির পাত্র রয়েছে। মূলত বিয়ার জাতীয় শস্য আর পানির একটি মিশ্রণ একধরনের বিশেষ মাটির পাত্রে গরম করা আর গাঁজানোর জন্য এগুলোর ব্যবহার করা হতো।

প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক দলের প্রধান ডেবোরাহ ভিসচাক জানান, আবিষ্কৃত প্রাচীন এই মদের কারখানায় একসঙ্গে প্রায় ২২ হাজার ৪০০ লিটার বিয়ার উৎপাদন হতো। আর এখান থেকে মিসরীয় সম্রাটদের রাজকীয় শেষকৃত্যে পানীয়ের জোগান দেয়া হতো বলে তাদের ধারনা।