ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মিসরে মাটির নিচে পাঁচ হাজার বছর আগের মদ কারখানা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মিসরে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের একটি মদের কারখানার সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নর্থ আবিডোজ শহরের সহাজ এলাকায় মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকরা যৌথভাবে মাটির নিচে বিশালাকৃতির কারখানাটি আবিষ্কার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিসরীয় পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মাটির নিচে চাপা পড়া এই কারাখানায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ সালে সম্রাট নারমারের আমলে মদ উৎপাদন করা হতো বলে তারা মনে করছেন। আর এই ধারণা সত্যি হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো মদের কারখানা।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, অন্তত আটটি বড় ইউনিটে বিভক্ত এই কারখানার প্রতিটি ইউনিটে থরে থরে সাজানো প্রায় ৪০টি করে মাটির পাত্র রয়েছে। মূলত বিয়ার জাতীয় শস্য আর পানির একটি মিশ্রণ একধরনের বিশেষ মাটির পাত্রে গরম করা আর গাঁজানোর জন্য এগুলোর ব্যবহার করা হতো।

প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক দলের প্রধান ডেবোরাহ ভিসচাক জানান, আবিষ্কৃত প্রাচীন এই মদের কারখানায় একসঙ্গে প্রায় ২২ হাজার ৪০০ লিটার বিয়ার উৎপাদন হতো। আর এখান থেকে মিসরীয় সম্রাটদের রাজকীয় শেষকৃত্যে পানীয়ের জোগান দেয়া হতো বলে তাদের ধারনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মিসরে মাটির নিচে পাঁচ হাজার বছর আগের মদ কারখানা!

আপডেট সময় ০৮:১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মিসরে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের একটি মদের কারখানার সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নর্থ আবিডোজ শহরের সহাজ এলাকায় মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকরা যৌথভাবে মাটির নিচে বিশালাকৃতির কারখানাটি আবিষ্কার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিসরীয় পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মাটির নিচে চাপা পড়া এই কারাখানায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ সালে সম্রাট নারমারের আমলে মদ উৎপাদন করা হতো বলে তারা মনে করছেন। আর এই ধারণা সত্যি হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো মদের কারখানা।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, অন্তত আটটি বড় ইউনিটে বিভক্ত এই কারখানার প্রতিটি ইউনিটে থরে থরে সাজানো প্রায় ৪০টি করে মাটির পাত্র রয়েছে। মূলত বিয়ার জাতীয় শস্য আর পানির একটি মিশ্রণ একধরনের বিশেষ মাটির পাত্রে গরম করা আর গাঁজানোর জন্য এগুলোর ব্যবহার করা হতো।

প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক দলের প্রধান ডেবোরাহ ভিসচাক জানান, আবিষ্কৃত প্রাচীন এই মদের কারখানায় একসঙ্গে প্রায় ২২ হাজার ৪০০ লিটার বিয়ার উৎপাদন হতো। আর এখান থেকে মিসরীয় সম্রাটদের রাজকীয় শেষকৃত্যে পানীয়ের জোগান দেয়া হতো বলে তাদের ধারনা।