ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল দাবি আদায় না হলে সারারাত ইসি অবরুদ্ধ রাখবে ছাত্রদল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

মিসরে মাটির নিচে পাঁচ হাজার বছর আগের মদ কারখানা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মিসরে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের একটি মদের কারখানার সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নর্থ আবিডোজ শহরের সহাজ এলাকায় মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকরা যৌথভাবে মাটির নিচে বিশালাকৃতির কারখানাটি আবিষ্কার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিসরীয় পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মাটির নিচে চাপা পড়া এই কারাখানায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ সালে সম্রাট নারমারের আমলে মদ উৎপাদন করা হতো বলে তারা মনে করছেন। আর এই ধারণা সত্যি হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো মদের কারখানা।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, অন্তত আটটি বড় ইউনিটে বিভক্ত এই কারখানার প্রতিটি ইউনিটে থরে থরে সাজানো প্রায় ৪০টি করে মাটির পাত্র রয়েছে। মূলত বিয়ার জাতীয় শস্য আর পানির একটি মিশ্রণ একধরনের বিশেষ মাটির পাত্রে গরম করা আর গাঁজানোর জন্য এগুলোর ব্যবহার করা হতো।

প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক দলের প্রধান ডেবোরাহ ভিসচাক জানান, আবিষ্কৃত প্রাচীন এই মদের কারখানায় একসঙ্গে প্রায় ২২ হাজার ৪০০ লিটার বিয়ার উৎপাদন হতো। আর এখান থেকে মিসরীয় সম্রাটদের রাজকীয় শেষকৃত্যে পানীয়ের জোগান দেয়া হতো বলে তাদের ধারনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

মিসরে মাটির নিচে পাঁচ হাজার বছর আগের মদ কারখানা!

আপডেট সময় ০৮:১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মিসরে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের একটি মদের কারখানার সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নর্থ আবিডোজ শহরের সহাজ এলাকায় মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিকরা যৌথভাবে মাটির নিচে বিশালাকৃতির কারখানাটি আবিষ্কার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিসরীয় পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মাটির নিচে চাপা পড়া এই কারাখানায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ সালে সম্রাট নারমারের আমলে মদ উৎপাদন করা হতো বলে তারা মনে করছেন। আর এই ধারণা সত্যি হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো মদের কারখানা।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, অন্তত আটটি বড় ইউনিটে বিভক্ত এই কারখানার প্রতিটি ইউনিটে থরে থরে সাজানো প্রায় ৪০টি করে মাটির পাত্র রয়েছে। মূলত বিয়ার জাতীয় শস্য আর পানির একটি মিশ্রণ একধরনের বিশেষ মাটির পাত্রে গরম করা আর গাঁজানোর জন্য এগুলোর ব্যবহার করা হতো।

প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক দলের প্রধান ডেবোরাহ ভিসচাক জানান, আবিষ্কৃত প্রাচীন এই মদের কারখানায় একসঙ্গে প্রায় ২২ হাজার ৪০০ লিটার বিয়ার উৎপাদন হতো। আর এখান থেকে মিসরীয় সম্রাটদের রাজকীয় শেষকৃত্যে পানীয়ের জোগান দেয়া হতো বলে তাদের ধারনা।