ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সারাদেশে তাদের প্রতারণা বাণিজ্যের শাখা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাহারি নামের প্রতিষ্ঠানে গলভরা পদে চাকরির হাতছানি। ফাঁদে পাড়া দিলেই ধরা। সহজ-সরল বেকার তরুণ-তরুণীদের চাকরির প্রস্তাব দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়াই তাদের পেশা। দেশের বিভিন্ন স্থানে রীতিমতো শাখা খুলে তারা প্রতারণা করে আসছিল।

সাভার উপজেলার আনন্দপুর এলাকায় প্রজন্ম ফোর্স (প্রা.) লিমিটেড নামে এমনই একটি তথাকথিত প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

অভিযানের সময় ২০ জন চাকরিপ্রার্থী ভুক্তভোগী উদ্ধারসহ ৩৭টি ভর্তি ফরম, ৭টি টাকা জমার রশিদ বই, ৬টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ১০টি অঙ্গীকারনামা ও ৬টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার চক্রের সদস্যরা হলেন শাহারা বানু, মশিউর রহমান, রবিউল ইসলাম রবি ও সাবিনা ইয়াসমিন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‍্যাব-৪ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মো.জিয়াউর রহমান চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার ভোর রাতে সাভারের আনন্দপুর এলাকায় ‘প্রজন্ম ফোর্স (প্রা.) লিমিটেডের অফিসে অভিযান চালিয়ে চক্রটির চার সদসকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমাদের কাছে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল চক্রটি চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার চাকরিপ্রার্থী মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আর এ অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চক্রের সদস্যরা র‍্যাবকে জানিয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণা করে আসছে। চক্রটির রাজধানীসহ ঢাকা জেলার একাধিক জায়গায় অফিস ভাড়া নিয়েছে। এসব অফিসে চাকরি প্রত্যাশীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করে নিয়ে আসা হতো। পরে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভূয়া নিয়োগপত্র ধরিয়ে দিত। পরে চাকরি প্রত্যাশীরা এই জালিয়াতি বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চাইলে চক্রটির সদস্যরা উল্টো নানা হুমকি দিত।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা আমাদের কাছে তাদের অপরাধ শিকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এছাড়া এই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতারক সদস্যদের গ্রেপ্তার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান জিয়াউর রহমান

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সারাদেশে তাদের প্রতারণা বাণিজ্যের শাখা

আপডেট সময় ০১:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাহারি নামের প্রতিষ্ঠানে গলভরা পদে চাকরির হাতছানি। ফাঁদে পাড়া দিলেই ধরা। সহজ-সরল বেকার তরুণ-তরুণীদের চাকরির প্রস্তাব দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়াই তাদের পেশা। দেশের বিভিন্ন স্থানে রীতিমতো শাখা খুলে তারা প্রতারণা করে আসছিল।

সাভার উপজেলার আনন্দপুর এলাকায় প্রজন্ম ফোর্স (প্রা.) লিমিটেড নামে এমনই একটি তথাকথিত প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

অভিযানের সময় ২০ জন চাকরিপ্রার্থী ভুক্তভোগী উদ্ধারসহ ৩৭টি ভর্তি ফরম, ৭টি টাকা জমার রশিদ বই, ৬টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ১০টি অঙ্গীকারনামা ও ৬টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার চক্রের সদস্যরা হলেন শাহারা বানু, মশিউর রহমান, রবিউল ইসলাম রবি ও সাবিনা ইয়াসমিন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‍্যাব-৪ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মো.জিয়াউর রহমান চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার ভোর রাতে সাভারের আনন্দপুর এলাকায় ‘প্রজন্ম ফোর্স (প্রা.) লিমিটেডের অফিসে অভিযান চালিয়ে চক্রটির চার সদসকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমাদের কাছে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল চক্রটি চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার চাকরিপ্রার্থী মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আর এ অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চক্রের সদস্যরা র‍্যাবকে জানিয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণা করে আসছে। চক্রটির রাজধানীসহ ঢাকা জেলার একাধিক জায়গায় অফিস ভাড়া নিয়েছে। এসব অফিসে চাকরি প্রত্যাশীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করে নিয়ে আসা হতো। পরে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভূয়া নিয়োগপত্র ধরিয়ে দিত। পরে চাকরি প্রত্যাশীরা এই জালিয়াতি বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চাইলে চক্রটির সদস্যরা উল্টো নানা হুমকি দিত।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা আমাদের কাছে তাদের অপরাধ শিকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এছাড়া এই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতারক সদস্যদের গ্রেপ্তার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান জিয়াউর রহমান