ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কারাগার থেকে আদালতে আনা হলো সাঈদীকে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে জাকাতের অর্থ আত্মসাৎ ও কর ফাঁকির মামলায় আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে হাজির করা হয়।

পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে সাঈদীকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতের প্রাঙ্গণ ঘিরে পুলিশের সতর্ক অবস্থান নেয়।

মামলা দুটির শুনানি শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে আবার আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক সৈয়দা হোসনে আরার আদালতে অর্থ আত্মসাৎ এবং বিশেষ জজ আদালত-৩ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে কর ফাঁকির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

তবে শুনানির জন্য প্রস্তুত নয় জানিয়ে সময় আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

অর্থ আত্মসাত মামলার শুনানি শেষে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

আর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সময় আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক উদ্দীন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

আয়কর ফাঁকির মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী একমাত্র আসামি। অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাঈদীসহ ৬ জন আসামি। অপর ৫ আসামি হলেন-ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুল হক, মসজিদ কাউন্সিল ফর কমিউনিটি অ্যাডভান্সমেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, ইসলামী সমাজ কল্যাণ কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল হক।

আসামিদের মধ্যে সাঈদী কারাগারে আছেন। আবুল কালাম আজাদ এবং আবদুল হক পলাতক রয়েছেন। অপর তিন আসামি জামিনে রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক উদ্দীন বলেন, এই মামলায় আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কারাগার থেকে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আদালতে হাজির করা হয়। তার পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী। মামলা দুটির শুনানি শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে আবার আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুনানি পিছিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেছেন আদালত।

অপরদিকে জাকাতের অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাঈদীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৮ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বেঞ্চ সহকারী রবিউল ইসলাম জানান, আসামিপক্ষ থেকে এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আদালতের কাছে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিপক্ষের আবেদনের বিরোধিতা করে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ঠিক করেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে ২০১০ সালের ২৯ জুন সাঈদী গ্রেফতার হন। পরে ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এ মামলায় ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কারাগার থেকে আদালতে আনা হলো সাঈদীকে

আপডেট সময় ০৪:৪৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে জাকাতের অর্থ আত্মসাৎ ও কর ফাঁকির মামলায় আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে হাজির করা হয়।

পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে সাঈদীকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতের প্রাঙ্গণ ঘিরে পুলিশের সতর্ক অবস্থান নেয়।

মামলা দুটির শুনানি শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে আবার আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক সৈয়দা হোসনে আরার আদালতে অর্থ আত্মসাৎ এবং বিশেষ জজ আদালত-৩ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে কর ফাঁকির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

তবে শুনানির জন্য প্রস্তুত নয় জানিয়ে সময় আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

অর্থ আত্মসাত মামলার শুনানি শেষে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

আর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সময় আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক উদ্দীন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

আয়কর ফাঁকির মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী একমাত্র আসামি। অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাঈদীসহ ৬ জন আসামি। অপর ৫ আসামি হলেন-ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুল হক, মসজিদ কাউন্সিল ফর কমিউনিটি অ্যাডভান্সমেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, ইসলামী সমাজ কল্যাণ কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল হক।

আসামিদের মধ্যে সাঈদী কারাগারে আছেন। আবুল কালাম আজাদ এবং আবদুল হক পলাতক রয়েছেন। অপর তিন আসামি জামিনে রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক উদ্দীন বলেন, এই মামলায় আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কারাগার থেকে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আদালতে হাজির করা হয়। তার পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী। মামলা দুটির শুনানি শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে আবার আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুনানি পিছিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেছেন আদালত।

অপরদিকে জাকাতের অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাঈদীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৮ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বেঞ্চ সহকারী রবিউল ইসলাম জানান, আসামিপক্ষ থেকে এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আদালতের কাছে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিপক্ষের আবেদনের বিরোধিতা করে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ঠিক করেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে ২০১০ সালের ২৯ জুন সাঈদী গ্রেফতার হন। পরে ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এ মামলায় ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন আপিল বিভাগ।