ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক হত্যায় ৭ জনের ফাঁসির রায়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার কেরাণীগঞ্জের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুল্লাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (০২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন।

অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় শম্পাকে খালাস দেওয়া হয়। আসামিদের মধ্যে শম্পা, জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে। বাকি আসামিরা পলাতক।

কারাগারে থাকা সাজাপ্রাপ্ত দুই জনকে রায়ের পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অপর আসামি শম্পাকে অন্য কোনো অভিযোগ না থাকলে মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া পলাতক ৫ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা ও আসামিপক্ষে আইনজীবী আজহারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই আদালত এই মামলার বিচারকাজ শেষে রায়ের জন্য ১৮ অক্টোবর দিন দিন ধার্য করেন একই আদালত। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ২ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার নতুন দিন ধার্য করেন।

২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুল্লাহ চৌধুরী। পরদিন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে আগুনে পোড়া বিকৃত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মরদেহের সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

এরপর ১২ ডিসেম্বর ফারুক চৌধুরী বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায়ে একটি হত্যা মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর ২০১৫ সালের ২ জুলাই আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২১ জন সাক্ষীর ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক হত্যায় ৭ জনের ফাঁসির রায়

আপডেট সময় ০৩:৪৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার কেরাণীগঞ্জের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুল্লাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (০২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন।

অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় শম্পাকে খালাস দেওয়া হয়। আসামিদের মধ্যে শম্পা, জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে। বাকি আসামিরা পলাতক।

কারাগারে থাকা সাজাপ্রাপ্ত দুই জনকে রায়ের পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অপর আসামি শম্পাকে অন্য কোনো অভিযোগ না থাকলে মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া পলাতক ৫ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা ও আসামিপক্ষে আইনজীবী আজহারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই আদালত এই মামলার বিচারকাজ শেষে রায়ের জন্য ১৮ অক্টোবর দিন দিন ধার্য করেন একই আদালত। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ২ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার নতুন দিন ধার্য করেন।

২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুল্লাহ চৌধুরী। পরদিন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে আগুনে পোড়া বিকৃত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মরদেহের সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

এরপর ১২ ডিসেম্বর ফারুক চৌধুরী বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায়ে একটি হত্যা মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর ২০১৫ সালের ২ জুলাই আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২১ জন সাক্ষীর ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।