ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

বাসে আগুন: বিএনপির জড়িত থাকার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপির জড়িত থাকার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাঝ পথে নির্বাচন বর্জন করে বাসে আগুন দিয়ে তারা একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রোববার (১৫ নভেম্বর) রাতে সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমরা অনেক দূর কাজ এগিয়েছি, দারিদ্র্যের হার কমিয়েছি। বাংলাদেশ বিশ্বে যে একটা ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে চলতো, এখন আর ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে চলে না। নিজেদের বাজেট নিজেদের অর্থে দিতে পারি। চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম পদ্ম সেতু নিজেদের অর্থে করব, সেটা আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করেছি, চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হয়তো জাতির পিতা যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবে করতে পারিনি। এর মধ্যে এলো করোনাভাইরাস। এই করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হলো। এটা দুর্ভাগ্যজনক, তারপরও বলব সেটা আমরা মোকাবিলা করে চলেছি। এর মধ্যে কোনো কথা নেই, বার্তা নেই কয়েকটি বাসে আগুন দেওয়া হলো। কেন, কী স্বার্থে, কীসের জন্য? নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার নামে অংশগ্রহণ করে। টাকা-পয়সা যা পায় পকেটে নিয়ে রেখে দেয়। নির্বাচনের দিন নির্বাচন করে না, এজেন্টও দেয় না, কিছুই করে না। মাঝ পথে নির্বাচন বয়কটের নাম দিয়ে বাসে আগুন দিয়ে একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। এদের উদ্দেশ্যটা কী?

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, সারা দেশের মানুষ একদিকে করোনা মোকাবিলা করছে; একদিকে করোনা সামলাচ্ছি আরেকদিকে দেশের অর্থনৈতিক গতিধারা যাতে সচল থাকে সে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি। টাকা-পয়সা যেখানে যা দরকার দিয়ে আমরা মানুষের জীবনটা সচল রেখেছি। ভ্যাকসিন আবিষ্কার হচ্ছে, আমরা ভ্যাকসিন কেনার টাকা-পয়সা রেখে দিয়েছি। যখনই চালু হবে তখনই যেন আমরা পাই, সেই ব্যবস্থাটাও করে রেখেছি। যখন যা দরকার সেটা আমরা করে যাচ্ছি। তাহলে অভিযোগটা কোথায়?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ধেয়ে আসছে বৃষ্টিবলয়: সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলাদেশে

বাসে আগুন: বিএনপির জড়িত থাকার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১১:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপির জড়িত থাকার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাঝ পথে নির্বাচন বর্জন করে বাসে আগুন দিয়ে তারা একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রোববার (১৫ নভেম্বর) রাতে সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমরা অনেক দূর কাজ এগিয়েছি, দারিদ্র্যের হার কমিয়েছি। বাংলাদেশ বিশ্বে যে একটা ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে চলতো, এখন আর ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে চলে না। নিজেদের বাজেট নিজেদের অর্থে দিতে পারি। চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম পদ্ম সেতু নিজেদের অর্থে করব, সেটা আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করেছি, চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হয়তো জাতির পিতা যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবে করতে পারিনি। এর মধ্যে এলো করোনাভাইরাস। এই করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হলো। এটা দুর্ভাগ্যজনক, তারপরও বলব সেটা আমরা মোকাবিলা করে চলেছি। এর মধ্যে কোনো কথা নেই, বার্তা নেই কয়েকটি বাসে আগুন দেওয়া হলো। কেন, কী স্বার্থে, কীসের জন্য? নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার নামে অংশগ্রহণ করে। টাকা-পয়সা যা পায় পকেটে নিয়ে রেখে দেয়। নির্বাচনের দিন নির্বাচন করে না, এজেন্টও দেয় না, কিছুই করে না। মাঝ পথে নির্বাচন বয়কটের নাম দিয়ে বাসে আগুন দিয়ে একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। এদের উদ্দেশ্যটা কী?

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, সারা দেশের মানুষ একদিকে করোনা মোকাবিলা করছে; একদিকে করোনা সামলাচ্ছি আরেকদিকে দেশের অর্থনৈতিক গতিধারা যাতে সচল থাকে সে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি। টাকা-পয়সা যেখানে যা দরকার দিয়ে আমরা মানুষের জীবনটা সচল রেখেছি। ভ্যাকসিন আবিষ্কার হচ্ছে, আমরা ভ্যাকসিন কেনার টাকা-পয়সা রেখে দিয়েছি। যখনই চালু হবে তখনই যেন আমরা পাই, সেই ব্যবস্থাটাও করে রেখেছি। যখন যা দরকার সেটা আমরা করে যাচ্ছি। তাহলে অভিযোগটা কোথায়?