ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে ১ লাখ ২০ হাজার বছর আগের পায়ের ছাপের সন্ধান

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সৌদি আরবে ১ লাখ ২০ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপের সন্ধান মিলেছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমে নেফুদ মরুভূমিতে এই পায়ের ছাপের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।

মানুষের পায়ের ছাপের সঙ্গে ২৩৩ জীবাশ্ম উদ্ধার করেছেন তারা। এ থেকে বোঝা যায়, এখানকার তৃণভোজীরা মাংসাশী প্রাণীর শিকার হয়েছিল।

এই পায়ের ছাপ পাওয়ার স্থানটিতে একটি অগভীর হ্রদে হোমো সেপিয়েন্সের একটি ছোট দল পানি পান করার জন্য থামত। সেখানে এখনকার প্রজাতির উট, মহিষ বা হাতির তুলনায় বড় বড় প্রাণীর চারণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

পায়ের ছাপ পাওয়া ওই মানুষেরা বড় বড় স্তন্যপায়ী প্রাণী শিকার করত। তবে তারা বেশি দিন এক স্থানে থাকতেন না। তাদের দীর্ঘ যাত্রাপথের নির্দেশক হিসেবে পানির এসব গর্ত ব্যবহার করতেন।

‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ সাময়িকীতে বুধবার এই গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রান্তে পূর্বপুরুষদের ছড়িয়ে পড়ার পথের নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।

গবেষকরা গত দশক থেকেই বলে আসছেন, সৌদি আরবের পরিস্থিতি সবসময় একরকম ছিল না। প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক সবুজ এবং আর্দ্র অবস্থায় ছিল। শেষ ইন্টারগ্লেসিয়াল যুগে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল।

‘যে মরুভূমি এখন আরব উপদ্বীপে বিস্তৃত, তা অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ে স্থায়ী মিষ্টি জলের হ্রদ এবং নদীসহ বিস্তৃত তৃণভূমিতে রূপ নিয়েছিল,’- বলেন গবেষণা নিবন্ধের সহলেখক রিচার্ড ক্লার্ক-উইলসন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে ১ লাখ ২০ হাজার বছর আগের পায়ের ছাপের সন্ধান

আপডেট সময় ১০:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সৌদি আরবে ১ লাখ ২০ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপের সন্ধান মিলেছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমে নেফুদ মরুভূমিতে এই পায়ের ছাপের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।

মানুষের পায়ের ছাপের সঙ্গে ২৩৩ জীবাশ্ম উদ্ধার করেছেন তারা। এ থেকে বোঝা যায়, এখানকার তৃণভোজীরা মাংসাশী প্রাণীর শিকার হয়েছিল।

এই পায়ের ছাপ পাওয়ার স্থানটিতে একটি অগভীর হ্রদে হোমো সেপিয়েন্সের একটি ছোট দল পানি পান করার জন্য থামত। সেখানে এখনকার প্রজাতির উট, মহিষ বা হাতির তুলনায় বড় বড় প্রাণীর চারণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

পায়ের ছাপ পাওয়া ওই মানুষেরা বড় বড় স্তন্যপায়ী প্রাণী শিকার করত। তবে তারা বেশি দিন এক স্থানে থাকতেন না। তাদের দীর্ঘ যাত্রাপথের নির্দেশক হিসেবে পানির এসব গর্ত ব্যবহার করতেন।

‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ সাময়িকীতে বুধবার এই গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রান্তে পূর্বপুরুষদের ছড়িয়ে পড়ার পথের নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।

গবেষকরা গত দশক থেকেই বলে আসছেন, সৌদি আরবের পরিস্থিতি সবসময় একরকম ছিল না। প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক সবুজ এবং আর্দ্র অবস্থায় ছিল। শেষ ইন্টারগ্লেসিয়াল যুগে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল।

‘যে মরুভূমি এখন আরব উপদ্বীপে বিস্তৃত, তা অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ে স্থায়ী মিষ্টি জলের হ্রদ এবং নদীসহ বিস্তৃত তৃণভূমিতে রূপ নিয়েছিল,’- বলেন গবেষণা নিবন্ধের সহলেখক রিচার্ড ক্লার্ক-উইলসন।