ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সুশান্ত দিল বেচারাতেও বলিষ্ঠ অভিনেতার প্রমাণ দিয়েছেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

খুব খুব খুবই ভালো ফিল্ম না হলে আমি দেড় দু’ঘণ্টা সময় নষ্ট করি না। বাংলা আর হিন্দি ফিল্ম দেখতাম কিশোর বয়সে, পৃথিবীর ভালো ফিল্মের স্বাদ পেয়ে যাওয়ার পর খুব বেছে ছবি দেখি। বাংলা হিন্দি একেবারেই দেখা হয় না এখন তা নয়। দেখা হয়, যদি খুব খুব ভালো হয় সেসব। ‘দিল বেচারা’ আমার দেখার কথা নয়। সাধারণ মানের ছবি এটি। কিন্তু দেখলাম সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্য। প্রচণ্ড প্রতিভাধর একজন শিল্পীর চলে যাওয়া, তাও আবার আত্মহত্যা করে। খুব স্বাভাবিক, কষ্ট দেয়।

দিল বেচারাতেও সুশান্ত প্রমাণ করেছেন স্ক্রিপ্ট যেমনই হোক, ছবি যে মানেরই হোক, উনি খুব বলিষ্ঠ অভিনেতা। ইমানুয়েল রাজকুমার জুনিয়রের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুশান্ত। যখন ইমানুয়েল মারা যায়, চোখে আমার জল জমে একাকার। আমি বুঝিনি এই জল কি ছবির ইমানুয়েল চরিত্রটির মরে যাওয়ার কারণে, নাকি ওই চরিত্রে অভিনয় করা বাস্তবের সুশান্ত সিং রাজপুতের মরে যাওয়ার কারণে!

ক্যান্সার রোগটি আমার ফ্যামিলিতেও। আমার মা, দাদা, মামা, কাকা সব ক্যান্সারে গেছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই কোনও ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের কথা শুনলে বা পড়লে সে ফিকশন হলেও, এমনকী পর্দায় তাদের দেখলেও, সে ফিচার ফিল্ম হলেও, অভিনয় হলেও, চোখ আমার ভিজে ওঠে। জানি সবাই আমরা মরে যাবো, তারপরও প্রিয়জনদের তো বটেও অন্য কারোর অকাল মৃত্যুই, এমন কী অচেনা কারোর, মেনে নিতে কষ্ট হয়।

আমরা তো এখন মৃত্যুপুরীতে বাস করছি। প্রতিদিন খবর আসছে মৃত্যুর। মৃত্যু দেখতে দেখতে আমাদের তো অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার কথা। আমি কেন এখনও অভ্যস্ত হচ্ছি না বুঝি না! এখনও আমার দিল বেচারা ছবির বেদনার দৃশ্য দেখলে ককিয়ে ওঠে। মানুষের জন্য মানুষের এই অনুভূতি, এর নামই হয়তো মনুষ্যত্ব। এই মনুষ্যত্ব বাদ দিলে মানুষ নামক প্রাণীর বিশেষ কিছু অবশিষ্ট থাকে না।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সুশান্ত দিল বেচারাতেও বলিষ্ঠ অভিনেতার প্রমাণ দিয়েছেন

আপডেট সময় ১১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

খুব খুব খুবই ভালো ফিল্ম না হলে আমি দেড় দু’ঘণ্টা সময় নষ্ট করি না। বাংলা আর হিন্দি ফিল্ম দেখতাম কিশোর বয়সে, পৃথিবীর ভালো ফিল্মের স্বাদ পেয়ে যাওয়ার পর খুব বেছে ছবি দেখি। বাংলা হিন্দি একেবারেই দেখা হয় না এখন তা নয়। দেখা হয়, যদি খুব খুব ভালো হয় সেসব। ‘দিল বেচারা’ আমার দেখার কথা নয়। সাধারণ মানের ছবি এটি। কিন্তু দেখলাম সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্য। প্রচণ্ড প্রতিভাধর একজন শিল্পীর চলে যাওয়া, তাও আবার আত্মহত্যা করে। খুব স্বাভাবিক, কষ্ট দেয়।

দিল বেচারাতেও সুশান্ত প্রমাণ করেছেন স্ক্রিপ্ট যেমনই হোক, ছবি যে মানেরই হোক, উনি খুব বলিষ্ঠ অভিনেতা। ইমানুয়েল রাজকুমার জুনিয়রের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুশান্ত। যখন ইমানুয়েল মারা যায়, চোখে আমার জল জমে একাকার। আমি বুঝিনি এই জল কি ছবির ইমানুয়েল চরিত্রটির মরে যাওয়ার কারণে, নাকি ওই চরিত্রে অভিনয় করা বাস্তবের সুশান্ত সিং রাজপুতের মরে যাওয়ার কারণে!

ক্যান্সার রোগটি আমার ফ্যামিলিতেও। আমার মা, দাদা, মামা, কাকা সব ক্যান্সারে গেছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই কোনও ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের কথা শুনলে বা পড়লে সে ফিকশন হলেও, এমনকী পর্দায় তাদের দেখলেও, সে ফিচার ফিল্ম হলেও, অভিনয় হলেও, চোখ আমার ভিজে ওঠে। জানি সবাই আমরা মরে যাবো, তারপরও প্রিয়জনদের তো বটেও অন্য কারোর অকাল মৃত্যুই, এমন কী অচেনা কারোর, মেনে নিতে কষ্ট হয়।

আমরা তো এখন মৃত্যুপুরীতে বাস করছি। প্রতিদিন খবর আসছে মৃত্যুর। মৃত্যু দেখতে দেখতে আমাদের তো অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার কথা। আমি কেন এখনও অভ্যস্ত হচ্ছি না বুঝি না! এখনও আমার দিল বেচারা ছবির বেদনার দৃশ্য দেখলে ককিয়ে ওঠে। মানুষের জন্য মানুষের এই অনুভূতি, এর নামই হয়তো মনুষ্যত্ব। এই মনুষ্যত্ব বাদ দিলে মানুষ নামক প্রাণীর বিশেষ কিছু অবশিষ্ট থাকে না।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)