ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

মায়েরা থাক রানীর মতো

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা ভয় পেছনে ফেলে আজ সবার ফেসবুকের ওয়াল ভরে উঠেছে মায়ের ছবিতে। বিশ্বজুড়ে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালন করা হয় বিশ্ব মা দিবস। সে হিসেবে এবার ১০ মে পালিত হচ্ছে বিশেষ এই দিনটি।

প্রতিটি সন্তান মায়ের কাছে কত আদরের তা বোঝার জন্য এই ছোট্ট ছড়াটিই যথেষ্ট-
‘জড়ায়ে মায়ের গলা শিশু কহে আসি,-
মা, তোমারে কত ভালোবাসি!
‘কত ভালোবাস ধন?’ জননী শুধায়।
এ-ত বলি দুই হাত প্রসারিত দেখায়।
তুমি মা আমারে ভালোবাস কতখানি?
মা বলেন ‘মাপ তার আমি নাহি জানি।’
‘তবু কতখানি, বল।’
‘যতখানি ধরে
তোমার মায়ের বুকে।’

-কবি কামিনী রায়ের ‘কত ভালবাসি মা’

এই মায়ের জন্যই আজকের আমরা। জন্মের আগে থেকেই আমাদের ভালোবাসায়, আদরে শুভকামনায় আগলে রেখেছেন যে মা, তার জন্য বছরের এই একটি দিন কেন, প্রতিটি দিনই স্পেশাল করে তোরার চেষ্টা করতে হবে প্রতিটি সন্তানের।

আর করোনার এই সময়ে এসে বার বার বলা হচ্ছে বয়স্করা রয়েছেন সবচেয়ে ঝুঁকিতে। আর তাই বাবা মায়ের প্রতি আরও বেশি সচেতন থাকতে হবে এখন আমাদের। ছোট বয়সে তারা আমাদের ভালো রাখতে কত কি-ই না করেছেন। তাদের এই শেষ বয়সে অনেক দামি উপহারের চেয়ে আমাদের ব্যস্ত সময়ের একটু পেলেই অনেক খুশি তারা।

বাবা মায়ের জন্য আমরা যা করতে পারি:

• বাইরে গেলে ঘরে ফিরে প্রথমে মায়ের সঙ্গে দেখা করুন

• সুযোগ থাকলে তার পছন্দের কিছু নিয়ে আসুন

• বৃদ্ধ বয়সে রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে তাদের প্রতি অবহেলা করা যাবে না

• নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিন

• বাবা-মায়ের ওষুধ আছে কিনা দেখে এনে রাখুন

• অসুস্থ হলে হাসপাতালে যেতে হলে চেষ্টা করুন নিজে নিয়ে যেতে

• বাবা মায়ের পছন্দের খাবারগুলো তো আমরা জানি, খেয়াল রাখুন বাড়িতে যেন নিয়মিত তাদের পছন্দের কিছু খাবার তৈরি করা হয়

• বাবা মায়ের সঙ্গে শুধু বিশেষ দিবসে নয়, মাঝে-মাঝেই ছবি তুলুন

• সময় কাটাতে তাদেরও কিছু গেমস শিখিয়ে দিতে পারেন ট্যাবে বা স্মার্টফোনে

• সময় পেলে মায়ের কাছে আপনার ছোটবেলার গল্প শুনতে চান, আপনার গল্পগুলো করার সময় মা আপনার পুরো শৈশব চোখের সামনে এনে দেবেন

• কোনো কারণে যদি মা আলাদা থাকেন, তবে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রাখুন।

প্রিয় মায়ের ভালো থাকার জন্য যতটুকু সুযোগ-সুবিধা করে দেওয়া যায়, সন্তান হিসেবে সাধ্যমতো চেষ্টা থাকবে। কোনো মায়ের আশ্রয় যেন বৃদ্ধাশ্রমে না হয়। প্রতিটি মা নিজের ঘরে রানীর মতো সম্মানে-যত্নে থাকবেন, এটাই হোক মা দিবসের প্রত্যাশা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মায়েরা থাক রানীর মতো

আপডেট সময় ১০:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা ভয় পেছনে ফেলে আজ সবার ফেসবুকের ওয়াল ভরে উঠেছে মায়ের ছবিতে। বিশ্বজুড়ে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালন করা হয় বিশ্ব মা দিবস। সে হিসেবে এবার ১০ মে পালিত হচ্ছে বিশেষ এই দিনটি।

প্রতিটি সন্তান মায়ের কাছে কত আদরের তা বোঝার জন্য এই ছোট্ট ছড়াটিই যথেষ্ট-
‘জড়ায়ে মায়ের গলা শিশু কহে আসি,-
মা, তোমারে কত ভালোবাসি!
‘কত ভালোবাস ধন?’ জননী শুধায়।
এ-ত বলি দুই হাত প্রসারিত দেখায়।
তুমি মা আমারে ভালোবাস কতখানি?
মা বলেন ‘মাপ তার আমি নাহি জানি।’
‘তবু কতখানি, বল।’
‘যতখানি ধরে
তোমার মায়ের বুকে।’

-কবি কামিনী রায়ের ‘কত ভালবাসি মা’

এই মায়ের জন্যই আজকের আমরা। জন্মের আগে থেকেই আমাদের ভালোবাসায়, আদরে শুভকামনায় আগলে রেখেছেন যে মা, তার জন্য বছরের এই একটি দিন কেন, প্রতিটি দিনই স্পেশাল করে তোরার চেষ্টা করতে হবে প্রতিটি সন্তানের।

আর করোনার এই সময়ে এসে বার বার বলা হচ্ছে বয়স্করা রয়েছেন সবচেয়ে ঝুঁকিতে। আর তাই বাবা মায়ের প্রতি আরও বেশি সচেতন থাকতে হবে এখন আমাদের। ছোট বয়সে তারা আমাদের ভালো রাখতে কত কি-ই না করেছেন। তাদের এই শেষ বয়সে অনেক দামি উপহারের চেয়ে আমাদের ব্যস্ত সময়ের একটু পেলেই অনেক খুশি তারা।

বাবা মায়ের জন্য আমরা যা করতে পারি:

• বাইরে গেলে ঘরে ফিরে প্রথমে মায়ের সঙ্গে দেখা করুন

• সুযোগ থাকলে তার পছন্দের কিছু নিয়ে আসুন

• বৃদ্ধ বয়সে রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে তাদের প্রতি অবহেলা করা যাবে না

• নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিন

• বাবা-মায়ের ওষুধ আছে কিনা দেখে এনে রাখুন

• অসুস্থ হলে হাসপাতালে যেতে হলে চেষ্টা করুন নিজে নিয়ে যেতে

• বাবা মায়ের পছন্দের খাবারগুলো তো আমরা জানি, খেয়াল রাখুন বাড়িতে যেন নিয়মিত তাদের পছন্দের কিছু খাবার তৈরি করা হয়

• বাবা মায়ের সঙ্গে শুধু বিশেষ দিবসে নয়, মাঝে-মাঝেই ছবি তুলুন

• সময় কাটাতে তাদেরও কিছু গেমস শিখিয়ে দিতে পারেন ট্যাবে বা স্মার্টফোনে

• সময় পেলে মায়ের কাছে আপনার ছোটবেলার গল্প শুনতে চান, আপনার গল্পগুলো করার সময় মা আপনার পুরো শৈশব চোখের সামনে এনে দেবেন

• কোনো কারণে যদি মা আলাদা থাকেন, তবে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রাখুন।

প্রিয় মায়ের ভালো থাকার জন্য যতটুকু সুযোগ-সুবিধা করে দেওয়া যায়, সন্তান হিসেবে সাধ্যমতো চেষ্টা থাকবে। কোনো মায়ের আশ্রয় যেন বৃদ্ধাশ্রমে না হয়। প্রতিটি মা নিজের ঘরে রানীর মতো সম্মানে-যত্নে থাকবেন, এটাই হোক মা দিবসের প্রত্যাশা।