ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সাংবাদিকের কাজ তথ্য দেওয়া, অ্যাক্টিভিস্ট হওয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নওগাঁর ছাত্রাবাসে মিললো কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ জুলাই অভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভুমিকা ছিল: দুদু ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো: গাজী আতাউর রহমান পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে: রিজভী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২ সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এক টুনা মাছের দাম ৩৯ কোটি টাকা

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

জাপানের রাজধানী টোকিওর তোয়োসু মাছবাজারে একটি বিশাল ব্লুফিন টুনা মাছ ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বছরের প্রথম নিলামেই মাছটি রেকর্ড ৫১০ দশমিক ৩ মিলিয়ন ইয়েন বা ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯ কোটি টাকায় বিক্রি হয়।

২৪৩ কেজি ওজনের টুনা মাছটি কিনে নিয়েছে কিয়োমুরা করপোরেশন। জনপ্রিয় সুশি চেইন ‘সুশি জানমাই’-এর পরিচালনাকারী এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা জাপানের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত। কোম্পানির প্রেসিডেন্ট কিয়োশি কিমুরা বলেন, “বছরের প্রথম টুনা সৌভাগ্য বয়ে আনে।”

স্থানীয় বার্তা সংস্থা কিয়োডোর বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, নববর্ষের এই বার্ষিক নিলামে কিমুরা নিয়মিত মুখ। ‘টুনা কিং’ নামে পরিচিত কিমুরা নববর্ষের নিলামে সর্বোচ্চ দামে ব্লুফিন টুনা কেনার জন্য সুপরিচিত।

নিলাম শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ভেবেছিলাম একটু কম দামে কিনতে পারব, কিন্তু বুঝে ওঠার আগেই দাম হু হু করে বেড়ে গেল।”

এর আগে ২০১২ সালে তিনি একটি ব্লুফিন টুনার জন্য ৫৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইয়েন এবং ২০১৩ সালে ১৫৫ মিলিয়ন ইয়েন খরচ করে রেকর্ড গড়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি ৩৩৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ইয়েন দিয়ে আরেকটি ব্লুফিন টুনা কেনেন, সেটিও রেকর্ডবই তোলপাড় করে।

তখন সাংবাদিকদের কিমুরা বলেছিলেন, তিনি হয়তো ‘অতিরিক্তই করে ফেলেছেন’। কিন্তু বছর ছয়েক পরে এসে তিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন।

টোকিওর তোয়োসু মাছবাজারে বছরের প্রথম নিলামে সাধারণত রেকর্ড দামে মাছ বিক্রি হয়। গত বছর নিলামের প্রথম টুনাটি ২০৭ মিলিয়ন ইয়েনে কিনে নেয় আরেকটি সুশি চেইন প্রতিষ্ঠান অনোদেরা গ্রুপ।

নিলাম শেষ হওয়ার পরপরই মিলিয়ন ডলারের টুনাটি কিমুরার সুশি রেস্তোরাঁগুলোতে গ্রাহকদের পরিবেশন করা হয়। কিমুরার রেস্তোরাঁয় উপস্থিত এক ক্রেতা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “বছরের শুরুতে এমন কিছু খেতে পেরে আমার মনে হচ্ছে, বছরটা ভালোভাবেই শুরু হলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

এক টুনা মাছের দাম ৩৯ কোটি টাকা

আপডেট সময় ১০:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

জাপানের রাজধানী টোকিওর তোয়োসু মাছবাজারে একটি বিশাল ব্লুফিন টুনা মাছ ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বছরের প্রথম নিলামেই মাছটি রেকর্ড ৫১০ দশমিক ৩ মিলিয়ন ইয়েন বা ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯ কোটি টাকায় বিক্রি হয়।

২৪৩ কেজি ওজনের টুনা মাছটি কিনে নিয়েছে কিয়োমুরা করপোরেশন। জনপ্রিয় সুশি চেইন ‘সুশি জানমাই’-এর পরিচালনাকারী এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা জাপানের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত। কোম্পানির প্রেসিডেন্ট কিয়োশি কিমুরা বলেন, “বছরের প্রথম টুনা সৌভাগ্য বয়ে আনে।”

স্থানীয় বার্তা সংস্থা কিয়োডোর বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, নববর্ষের এই বার্ষিক নিলামে কিমুরা নিয়মিত মুখ। ‘টুনা কিং’ নামে পরিচিত কিমুরা নববর্ষের নিলামে সর্বোচ্চ দামে ব্লুফিন টুনা কেনার জন্য সুপরিচিত।

নিলাম শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ভেবেছিলাম একটু কম দামে কিনতে পারব, কিন্তু বুঝে ওঠার আগেই দাম হু হু করে বেড়ে গেল।”

এর আগে ২০১২ সালে তিনি একটি ব্লুফিন টুনার জন্য ৫৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইয়েন এবং ২০১৩ সালে ১৫৫ মিলিয়ন ইয়েন খরচ করে রেকর্ড গড়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি ৩৩৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ইয়েন দিয়ে আরেকটি ব্লুফিন টুনা কেনেন, সেটিও রেকর্ডবই তোলপাড় করে।

তখন সাংবাদিকদের কিমুরা বলেছিলেন, তিনি হয়তো ‘অতিরিক্তই করে ফেলেছেন’। কিন্তু বছর ছয়েক পরে এসে তিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন।

টোকিওর তোয়োসু মাছবাজারে বছরের প্রথম নিলামে সাধারণত রেকর্ড দামে মাছ বিক্রি হয়। গত বছর নিলামের প্রথম টুনাটি ২০৭ মিলিয়ন ইয়েনে কিনে নেয় আরেকটি সুশি চেইন প্রতিষ্ঠান অনোদেরা গ্রুপ।

নিলাম শেষ হওয়ার পরপরই মিলিয়ন ডলারের টুনাটি কিমুরার সুশি রেস্তোরাঁগুলোতে গ্রাহকদের পরিবেশন করা হয়। কিমুরার রেস্তোরাঁয় উপস্থিত এক ক্রেতা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “বছরের শুরুতে এমন কিছু খেতে পেরে আমার মনে হচ্ছে, বছরটা ভালোভাবেই শুরু হলো।