ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ‘পূর্বের রূপে ফিরছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা’:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে বন্যার্তদের পাশে সেনাবাহিনী, মানবিক সহায়তা অব্যাহত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে জোর দিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে একযোগে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর

চাঁদেরও চাঁদ থাকে, দাবি বিজ্ঞানীদের!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

চাঁদের গায়ে আর এক চাঁদকে নিয়েই এই মুহূর্তে ভাবিত বিজ্ঞানীরা। ২০১৪ সালে এক ৪ বছরেরে শিশু তার মা’কে প্রশ্ন করেছিল, চাঁদেরও কি চাঁদ থাকে। সেই সময় থেকেই মা খুঁজতে শুরু করেন উত্তর।

জানা যায়, মহাকাশচারী জুনা কোলমিয়ের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্নেগি অবজারভেটরির সঙ্গে কর্মসূত্রে যুক্ত। ফ্রান্সের বোর্দো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন রেমন্ডের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি এক গবেষণাপত্রে প্রকাশ করেছেন, তাতে তারা দেখিয়েছেন যে, সৌরজগতের উপগ্রহগুলি আজ যেমন দেখতে, তেমনটা আগে ছিল না।

বিশেষ করে পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের নিজস্ব চাঁদ ছিল এক সময়। অর্থাৎ পৃথিবীর চারপাশে যেমন চাঁদ পাক খায়, তেমন চাঁদের চারপাশেও সম্ভবত পাক খেত তার নিজস্ব চাঁদ, যাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘সাবমুন’ বলা হয়। কিন্তু মজা করে তারা একে বলছেন ‘মুনমুন’।

গবেষকদের মতে, সেই সময়ে চাঁদ ছিল আজকের তুলনায় অনেকটাই বড়। আর তার ‘মুনমুন’ ছিল খুবই ছোট। তাদের গবেষণাপত্রে তারা দেখাতে চেয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে চাঁদ ও তার মুনমুন, উভয়কেই পৃথিবী থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে হতো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

চাঁদেরও চাঁদ থাকে, দাবি বিজ্ঞানীদের!

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

চাঁদের গায়ে আর এক চাঁদকে নিয়েই এই মুহূর্তে ভাবিত বিজ্ঞানীরা। ২০১৪ সালে এক ৪ বছরেরে শিশু তার মা’কে প্রশ্ন করেছিল, চাঁদেরও কি চাঁদ থাকে। সেই সময় থেকেই মা খুঁজতে শুরু করেন উত্তর।

জানা যায়, মহাকাশচারী জুনা কোলমিয়ের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্নেগি অবজারভেটরির সঙ্গে কর্মসূত্রে যুক্ত। ফ্রান্সের বোর্দো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন রেমন্ডের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি এক গবেষণাপত্রে প্রকাশ করেছেন, তাতে তারা দেখিয়েছেন যে, সৌরজগতের উপগ্রহগুলি আজ যেমন দেখতে, তেমনটা আগে ছিল না।

বিশেষ করে পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের নিজস্ব চাঁদ ছিল এক সময়। অর্থাৎ পৃথিবীর চারপাশে যেমন চাঁদ পাক খায়, তেমন চাঁদের চারপাশেও সম্ভবত পাক খেত তার নিজস্ব চাঁদ, যাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘সাবমুন’ বলা হয়। কিন্তু মজা করে তারা একে বলছেন ‘মুনমুন’।

গবেষকদের মতে, সেই সময়ে চাঁদ ছিল আজকের তুলনায় অনেকটাই বড়। আর তার ‘মুনমুন’ ছিল খুবই ছোট। তাদের গবেষণাপত্রে তারা দেখাতে চেয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে চাঁদ ও তার মুনমুন, উভয়কেই পৃথিবী থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে হতো।