ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের

চাঁদেরও চাঁদ থাকে, দাবি বিজ্ঞানীদের!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

চাঁদের গায়ে আর এক চাঁদকে নিয়েই এই মুহূর্তে ভাবিত বিজ্ঞানীরা। ২০১৪ সালে এক ৪ বছরেরে শিশু তার মা’কে প্রশ্ন করেছিল, চাঁদেরও কি চাঁদ থাকে। সেই সময় থেকেই মা খুঁজতে শুরু করেন উত্তর।

জানা যায়, মহাকাশচারী জুনা কোলমিয়ের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্নেগি অবজারভেটরির সঙ্গে কর্মসূত্রে যুক্ত। ফ্রান্সের বোর্দো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন রেমন্ডের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি এক গবেষণাপত্রে প্রকাশ করেছেন, তাতে তারা দেখিয়েছেন যে, সৌরজগতের উপগ্রহগুলি আজ যেমন দেখতে, তেমনটা আগে ছিল না।

বিশেষ করে পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের নিজস্ব চাঁদ ছিল এক সময়। অর্থাৎ পৃথিবীর চারপাশে যেমন চাঁদ পাক খায়, তেমন চাঁদের চারপাশেও সম্ভবত পাক খেত তার নিজস্ব চাঁদ, যাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘সাবমুন’ বলা হয়। কিন্তু মজা করে তারা একে বলছেন ‘মুনমুন’।

গবেষকদের মতে, সেই সময়ে চাঁদ ছিল আজকের তুলনায় অনেকটাই বড়। আর তার ‘মুনমুন’ ছিল খুবই ছোট। তাদের গবেষণাপত্রে তারা দেখাতে চেয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে চাঁদ ও তার মুনমুন, উভয়কেই পৃথিবী থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে হতো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাটি লিভার থেকে কেন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যানালেন চিকিৎক

চাঁদেরও চাঁদ থাকে, দাবি বিজ্ঞানীদের!

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

চাঁদের গায়ে আর এক চাঁদকে নিয়েই এই মুহূর্তে ভাবিত বিজ্ঞানীরা। ২০১৪ সালে এক ৪ বছরেরে শিশু তার মা’কে প্রশ্ন করেছিল, চাঁদেরও কি চাঁদ থাকে। সেই সময় থেকেই মা খুঁজতে শুরু করেন উত্তর।

জানা যায়, মহাকাশচারী জুনা কোলমিয়ের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কার্নেগি অবজারভেটরির সঙ্গে কর্মসূত্রে যুক্ত। ফ্রান্সের বোর্দো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন রেমন্ডের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি এক গবেষণাপত্রে প্রকাশ করেছেন, তাতে তারা দেখিয়েছেন যে, সৌরজগতের উপগ্রহগুলি আজ যেমন দেখতে, তেমনটা আগে ছিল না।

বিশেষ করে পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের নিজস্ব চাঁদ ছিল এক সময়। অর্থাৎ পৃথিবীর চারপাশে যেমন চাঁদ পাক খায়, তেমন চাঁদের চারপাশেও সম্ভবত পাক খেত তার নিজস্ব চাঁদ, যাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘সাবমুন’ বলা হয়। কিন্তু মজা করে তারা একে বলছেন ‘মুনমুন’।

গবেষকদের মতে, সেই সময়ে চাঁদ ছিল আজকের তুলনায় অনেকটাই বড়। আর তার ‘মুনমুন’ ছিল খুবই ছোট। তাদের গবেষণাপত্রে তারা দেখাতে চেয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে চাঁদ ও তার মুনমুন, উভয়কেই পৃথিবী থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে হতো।