ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

চাঁদের উদ্দেশে পাঠানোর জন্য একটি রকেটকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এর মাধ্যমে ৫০ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের উদ্দেশে মানববাহী যান পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হলো।

এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস-২’। শনিবার নাসা তাদের বিশাল এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এটি উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এর আগে কয়েক দফায় পরীক্ষা চালাবে নাসা। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেকোনো সময় চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনজন মার্কিন ও একজন কানাডার নভোচারী। তাঁরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, উপগ্রহটির চারপাশে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযানকে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ভেহিকল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে প্রায় চার মাইল দূরের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ৩৯বি-তে নেওয়া হয়। এর আগে আর্টেমিস-২ অভিযান ব্যবস্থাপনা দলের চেয়ারম্যান জন হানিকাট সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি।’

নভোচারীরা যা বলছেন-

শনিবার রকেট স্থানান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন নভোচারী রিড উইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কখ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।

সাংবাদিকদের হ্যানসেন বলেন, এটা দেখে (স্থানান্তর) তিনি সত্যিই রোমাঞ্চিত। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চারজন মানুষ চাঁদের চারপাশে ঘুরবে। আরেক নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, তারা অসম্ভবকে সম্ভবের চেষ্টা করছেন।

মিশনটি উৎক্ষেপণের আগে প্রকৌশলীদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এসএলএস রকেটটি নিরাপদ ও কার্যকর। একাধিক পরীক্ষার পর একটি প্রি-লঞ্চ সিমুলেশন পরিচালনা করা হবে। এর আগে মানববিহীন আর্টেমিস-১ মিশন উৎক্ষেপণের চেষ্টা দুই দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ওই অভিযান সম্পন্ন হয় ২০২২ সালে। নাসা আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মানববাহী যান চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করাতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনও এমন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাদের মানববিহীন ‘চ্যাং’ই-৭’ মিশন ২০২৬ সালে উৎক্ষেপণের কথা আছে। এই অভিযানের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো। দেশটির মানববাহী মহাকাশযান মেংঝৌ-এর পরীক্ষাও চলতি বছর শুরু হওয়ার কথা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

আপডেট সময় ০৫:৩১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

চাঁদের উদ্দেশে পাঠানোর জন্য একটি রকেটকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এর মাধ্যমে ৫০ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের উদ্দেশে মানববাহী যান পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হলো।

এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস-২’। শনিবার নাসা তাদের বিশাল এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এটি উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এর আগে কয়েক দফায় পরীক্ষা চালাবে নাসা। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেকোনো সময় চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনজন মার্কিন ও একজন কানাডার নভোচারী। তাঁরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, উপগ্রহটির চারপাশে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযানকে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ভেহিকল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে প্রায় চার মাইল দূরের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ৩৯বি-তে নেওয়া হয়। এর আগে আর্টেমিস-২ অভিযান ব্যবস্থাপনা দলের চেয়ারম্যান জন হানিকাট সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি।’

নভোচারীরা যা বলছেন-

শনিবার রকেট স্থানান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন নভোচারী রিড উইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কখ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।

সাংবাদিকদের হ্যানসেন বলেন, এটা দেখে (স্থানান্তর) তিনি সত্যিই রোমাঞ্চিত। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চারজন মানুষ চাঁদের চারপাশে ঘুরবে। আরেক নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, তারা অসম্ভবকে সম্ভবের চেষ্টা করছেন।

মিশনটি উৎক্ষেপণের আগে প্রকৌশলীদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এসএলএস রকেটটি নিরাপদ ও কার্যকর। একাধিক পরীক্ষার পর একটি প্রি-লঞ্চ সিমুলেশন পরিচালনা করা হবে। এর আগে মানববিহীন আর্টেমিস-১ মিশন উৎক্ষেপণের চেষ্টা দুই দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ওই অভিযান সম্পন্ন হয় ২০২২ সালে। নাসা আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মানববাহী যান চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করাতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনও এমন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাদের মানববিহীন ‘চ্যাং’ই-৭’ মিশন ২০২৬ সালে উৎক্ষেপণের কথা আছে। এই অভিযানের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো। দেশটির মানববাহী মহাকাশযান মেংঝৌ-এর পরীক্ষাও চলতি বছর শুরু হওয়ার কথা।