ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একইদিনে ইরানে নতুন করে হামলার হুমকি দিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংগীত বেশ অসুস্থ অবস্থায় আছে, সবাই দোয়া করবেন: ওমর সানী শীতলক্ষ্যায় ফেরি থেকে নদীতে প্রাইভেটকার ট্রাইব্যুনালে বিটিআরসি কর্মকর্তা জুলাইয়ে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয় পলকের নির্দেশেই: ট্রাইব্যুনালে বিটিআরসি কর্মকর্তা বাড়ি ফেরার পথে স্বামীর কাছ থেকে গৃহবধূকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ প্রতিশোধ প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কর্তন, স্বামী আটক শুক্রবার রাতে ঢাকা ছাড়বে প্রথম হজ ফ্লাইট যুদ্ধবিরতিই আলোচনার একমাত্র পথ: লেবাননের প্রেসিডেন্ট খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন নাতনি জাইমা রহমান

টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারলেন না গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধি সৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সমাধি সৌধের ৩নং গেটে এ ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচারণা শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল নিয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণা করে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট এবং সমর্থন চান।

এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এ আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। অনুমতি না পাওয়ায় গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে জিয়ারত করেছি।

রাজনৈতিক অতীত প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, এক সময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি ও জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। সুতরাং আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

একইদিনে ইরানে নতুন করে হামলার হুমকি দিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর

আপডেট সময় ০৯:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারলেন না গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধি সৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সমাধি সৌধের ৩নং গেটে এ ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচারণা শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল নিয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণা করে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট এবং সমর্থন চান।

এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এ আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। অনুমতি না পাওয়ায় গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে জিয়ারত করেছি।

রাজনৈতিক অতীত প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, এক সময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি ও জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। সুতরাং আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই।