ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদের দিন রামিসার পরিবারের সঙ্গে রিজভীর সাক্ষাৎ, জানালেন সমবেদনা ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের

টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারলেন না গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধি সৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সমাধি সৌধের ৩নং গেটে এ ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচারণা শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল নিয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণা করে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট এবং সমর্থন চান।

এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এ আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। অনুমতি না পাওয়ায় গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে জিয়ারত করেছি।

রাজনৈতিক অতীত প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, এক সময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি ও জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। সুতরাং আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর

আপডেট সময় ০৯:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারলেন না গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধি সৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সমাধি সৌধের ৩নং গেটে এ ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচারণা শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল নিয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণা করে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট এবং সমর্থন চান।

এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এ আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। অনুমতি না পাওয়ায় গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে জিয়ারত করেছি।

রাজনৈতিক অতীত প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, এক সময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি ও জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। সুতরাং আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই।