ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঘরোয়া পদ্ধতিতে করুন প্রেগনেন্সি টেস্ট!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আপনি মা হচ্ছেন কিনা? এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য সাধারণত আমরা ডাক্তার কাছে যাই অথবা বাজারে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য যেসব কাঠি পাওয়া যায় তার মাধ্যমে নিশ্চিত হই। তবে আপনি জানেন কী? আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে পরীক্ষা করতে পারেন আপনি মা হচ্ছেন কিনা?

এখন যে কোনও ফার্মেসিতেই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়। এই কিট-এর সাহায্যে সহজেই গর্ভাবস্থার পরীক্ষা করে ফেলতে পারেন নারীরা। এই কিট-এর সাহায্যে মাত্র কয়েক মিনিটেই জেনে যাওয়া যায় যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা!

তবে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ছিল না বা আবিষ্কারই হয়নি, তখন কী ভাবে নির্ধারণ করা হত যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা?

ইতিহাস বলছে, আছ থেকে প্রায় ৬০০০ বছর আগে মানুষের প্রসাব বা মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভাবস্থা শনাক্ত করার পদ্ধতি আবিষ্কার হয় মিশরে। যদি কোনও নারীর সময় মতো মাসিক বা ঋতুস্রাব না হতো, তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এ ক্ষেত্রে ওই নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে সুরা (অ্যালকোহল) ও খেজুর খাওয়ানো হত, যতক্ষণ না সে বমি করত। যদি সে নারী খুব দ্রুত বার বার বমি করত তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এরপর আসে গম-বার্লি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে একটি পাত্রে রাখা গম-বার্লির উপর প্রশ্রাব করতে বলা হতো। যদি মূত্রে থাকা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে বীজ অঙ্কুরিত হতো, তা হলে মনে করা হতো যে ওই নারী মা হতে চলেছেন।

আসুন জেনে নেই ঘরোয়া পদ্ধিতে যেভাবে করবেন প্রেগনেন্সি টেস্ট।

ব্লিচ পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে ব্লিচ মেশান। যদি ফেনা হতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি মা হতে চলেছেন।

টুথপেস্ট পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে এক চামচ টুথপেস্ট মেশান। যদি টুথপেস্ট নীল হয়ে যায়, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

ভিনিগার পরীক্ষা :

প্লাস্টিকের কাপে ভিনিগার ও প্রশ্রাব মেশান। যদি বুদবুদ তৈরি হয় আর মিশ্রণের রঙে পরিবর্তন ঘটে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

চিনি :

একটা বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে দু’-তিন চামচ চিনির দানা মেশান। যদি চিনি গলে না গিয়ে দলা পাকাতে বা জমাট বাঁধতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

তবে এই সব পদ্ধতিতে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা সম্ভব আপনি সন্তানসম্ভবা কিনা। নিশ্চিত হতে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঘরোয়া পদ্ধতিতে করুন প্রেগনেন্সি টেস্ট!

আপডেট সময় ১২:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আপনি মা হচ্ছেন কিনা? এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য সাধারণত আমরা ডাক্তার কাছে যাই অথবা বাজারে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য যেসব কাঠি পাওয়া যায় তার মাধ্যমে নিশ্চিত হই। তবে আপনি জানেন কী? আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে পরীক্ষা করতে পারেন আপনি মা হচ্ছেন কিনা?

এখন যে কোনও ফার্মেসিতেই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়। এই কিট-এর সাহায্যে সহজেই গর্ভাবস্থার পরীক্ষা করে ফেলতে পারেন নারীরা। এই কিট-এর সাহায্যে মাত্র কয়েক মিনিটেই জেনে যাওয়া যায় যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা!

তবে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ছিল না বা আবিষ্কারই হয়নি, তখন কী ভাবে নির্ধারণ করা হত যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা?

ইতিহাস বলছে, আছ থেকে প্রায় ৬০০০ বছর আগে মানুষের প্রসাব বা মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভাবস্থা শনাক্ত করার পদ্ধতি আবিষ্কার হয় মিশরে। যদি কোনও নারীর সময় মতো মাসিক বা ঋতুস্রাব না হতো, তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এ ক্ষেত্রে ওই নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে সুরা (অ্যালকোহল) ও খেজুর খাওয়ানো হত, যতক্ষণ না সে বমি করত। যদি সে নারী খুব দ্রুত বার বার বমি করত তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এরপর আসে গম-বার্লি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে একটি পাত্রে রাখা গম-বার্লির উপর প্রশ্রাব করতে বলা হতো। যদি মূত্রে থাকা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে বীজ অঙ্কুরিত হতো, তা হলে মনে করা হতো যে ওই নারী মা হতে চলেছেন।

আসুন জেনে নেই ঘরোয়া পদ্ধিতে যেভাবে করবেন প্রেগনেন্সি টেস্ট।

ব্লিচ পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে ব্লিচ মেশান। যদি ফেনা হতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি মা হতে চলেছেন।

টুথপেস্ট পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে এক চামচ টুথপেস্ট মেশান। যদি টুথপেস্ট নীল হয়ে যায়, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

ভিনিগার পরীক্ষা :

প্লাস্টিকের কাপে ভিনিগার ও প্রশ্রাব মেশান। যদি বুদবুদ তৈরি হয় আর মিশ্রণের রঙে পরিবর্তন ঘটে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

চিনি :

একটা বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে দু’-তিন চামচ চিনির দানা মেশান। যদি চিনি গলে না গিয়ে দলা পাকাতে বা জমাট বাঁধতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

তবে এই সব পদ্ধতিতে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা সম্ভব আপনি সন্তানসম্ভবা কিনা। নিশ্চিত হতে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।