ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করব : মির্জা আব্বাস ইমান এনে কোনো লাভ নেই, এরা মুনাফিকি করে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভোট চাচ্ছে: মির্জা ফখরুল বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

ঘরোয়া পদ্ধতিতে করুন প্রেগনেন্সি টেস্ট!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আপনি মা হচ্ছেন কিনা? এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য সাধারণত আমরা ডাক্তার কাছে যাই অথবা বাজারে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য যেসব কাঠি পাওয়া যায় তার মাধ্যমে নিশ্চিত হই। তবে আপনি জানেন কী? আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে পরীক্ষা করতে পারেন আপনি মা হচ্ছেন কিনা?

এখন যে কোনও ফার্মেসিতেই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়। এই কিট-এর সাহায্যে সহজেই গর্ভাবস্থার পরীক্ষা করে ফেলতে পারেন নারীরা। এই কিট-এর সাহায্যে মাত্র কয়েক মিনিটেই জেনে যাওয়া যায় যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা!

তবে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ছিল না বা আবিষ্কারই হয়নি, তখন কী ভাবে নির্ধারণ করা হত যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা?

ইতিহাস বলছে, আছ থেকে প্রায় ৬০০০ বছর আগে মানুষের প্রসাব বা মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভাবস্থা শনাক্ত করার পদ্ধতি আবিষ্কার হয় মিশরে। যদি কোনও নারীর সময় মতো মাসিক বা ঋতুস্রাব না হতো, তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এ ক্ষেত্রে ওই নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে সুরা (অ্যালকোহল) ও খেজুর খাওয়ানো হত, যতক্ষণ না সে বমি করত। যদি সে নারী খুব দ্রুত বার বার বমি করত তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এরপর আসে গম-বার্লি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে একটি পাত্রে রাখা গম-বার্লির উপর প্রশ্রাব করতে বলা হতো। যদি মূত্রে থাকা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে বীজ অঙ্কুরিত হতো, তা হলে মনে করা হতো যে ওই নারী মা হতে চলেছেন।

আসুন জেনে নেই ঘরোয়া পদ্ধিতে যেভাবে করবেন প্রেগনেন্সি টেস্ট।

ব্লিচ পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে ব্লিচ মেশান। যদি ফেনা হতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি মা হতে চলেছেন।

টুথপেস্ট পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে এক চামচ টুথপেস্ট মেশান। যদি টুথপেস্ট নীল হয়ে যায়, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

ভিনিগার পরীক্ষা :

প্লাস্টিকের কাপে ভিনিগার ও প্রশ্রাব মেশান। যদি বুদবুদ তৈরি হয় আর মিশ্রণের রঙে পরিবর্তন ঘটে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

চিনি :

একটা বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে দু’-তিন চামচ চিনির দানা মেশান। যদি চিনি গলে না গিয়ে দলা পাকাতে বা জমাট বাঁধতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

তবে এই সব পদ্ধতিতে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা সম্ভব আপনি সন্তানসম্ভবা কিনা। নিশ্চিত হতে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

ঘরোয়া পদ্ধতিতে করুন প্রেগনেন্সি টেস্ট!

আপডেট সময় ১২:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আপনি মা হচ্ছেন কিনা? এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য সাধারণত আমরা ডাক্তার কাছে যাই অথবা বাজারে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য যেসব কাঠি পাওয়া যায় তার মাধ্যমে নিশ্চিত হই। তবে আপনি জানেন কী? আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে পরীক্ষা করতে পারেন আপনি মা হচ্ছেন কিনা?

এখন যে কোনও ফার্মেসিতেই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়। এই কিট-এর সাহায্যে সহজেই গর্ভাবস্থার পরীক্ষা করে ফেলতে পারেন নারীরা। এই কিট-এর সাহায্যে মাত্র কয়েক মিনিটেই জেনে যাওয়া যায় যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা!

তবে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ছিল না বা আবিষ্কারই হয়নি, তখন কী ভাবে নির্ধারণ করা হত যে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা?

ইতিহাস বলছে, আছ থেকে প্রায় ৬০০০ বছর আগে মানুষের প্রসাব বা মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভাবস্থা শনাক্ত করার পদ্ধতি আবিষ্কার হয় মিশরে। যদি কোনও নারীর সময় মতো মাসিক বা ঋতুস্রাব না হতো, তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এ ক্ষেত্রে ওই নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে সুরা (অ্যালকোহল) ও খেজুর খাওয়ানো হত, যতক্ষণ না সে বমি করত। যদি সে নারী খুব দ্রুত বার বার বমি করত তাহলে ধারনা করা হত সে গর্ভবতী। এরপর আসে গম-বার্লি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনও নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে তাকে একটি পাত্রে রাখা গম-বার্লির উপর প্রশ্রাব করতে বলা হতো। যদি মূত্রে থাকা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে বীজ অঙ্কুরিত হতো, তা হলে মনে করা হতো যে ওই নারী মা হতে চলেছেন।

আসুন জেনে নেই ঘরোয়া পদ্ধিতে যেভাবে করবেন প্রেগনেন্সি টেস্ট।

ব্লিচ পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে ব্লিচ মেশান। যদি ফেনা হতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি মা হতে চলেছেন।

টুথপেস্ট পরীক্ষা :

একটা প্লাস্টিকের বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে এক চামচ টুথপেস্ট মেশান। যদি টুথপেস্ট নীল হয়ে যায়, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

ভিনিগার পরীক্ষা :

প্লাস্টিকের কাপে ভিনিগার ও প্রশ্রাব মেশান। যদি বুদবুদ তৈরি হয় আর মিশ্রণের রঙে পরিবর্তন ঘটে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

চিনি :

একটা বাটিতে প্রশ্রাবের সঙ্গে দু’-তিন চামচ চিনির দানা মেশান। যদি চিনি গলে না গিয়ে দলা পাকাতে বা জমাট বাঁধতে শুরু করে, তা হলে বুঝতে হবে আপনি সন্তানসম্ভবা।

তবে এই সব পদ্ধতিতে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা সম্ভব আপনি সন্তানসম্ভবা কিনা। নিশ্চিত হতে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।