ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার উপকূলে রহস্যময় ‘ভুতুড়ে জাহাজ’

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনের উপকূলে আটকে পড়েছে একটি রহস্যময় ‘ভুতুড়ে জাহাজ’। দেশটির নৌবাহিনী ও পুলিশ জাহাজটিতে অনুসন্ধান চালিয়েছে।

ইয়াঙ্গুনের একটি সমুদ্রসৈকতের কাছে গত সপ্তাহে আটকা পড়া জাহাজটির সন্ধান পান স্থানীয় জেলেরা। ‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’ ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি। তবে জাহাজটিতে কোনো নাবিক বা কোনো পণ্য ছিল না বলে ফেইসবুকে নিজেদের পেইজে জানিয়েছে ইয়াঙ্গুন পুলিশ।

প্রায় পরিত্যক্ত জাহাজটি কী করে মিয়ানমারের জলসীমায় এল, এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার নৌ বাহিনী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সমুদ্রসৈকতে আটকে পড়া ওই জাহাজটির ভেতর অনুসন্ধান চালান।

প্রথমবারের মতো মিয়ানমারের জলসীমায় এ ধরনের ‘ভুতুড়ে জাহাজের’সন্ধান পাওয়া গেল।

বিশ্বজুড়ে সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের খবরাখবর দেওয়া মেরিন ট্রাফিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’নামের জাহাজটি ২০০১ সালে নির্মিত হয়। ১৭৭ মিটার অর্থাৎ ৫৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের বেশি জাহাজটি কনটেইনার পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো।

২০০৯ সালে তাইওয়ান উপকূলে জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থান রেকর্ড করা হয়। এর ৯ বছর পর ইয়াঙ্গুনের কাছে এর খোঁজ মিলল।

এদিকে আটকা পড়া জাহাজটি এখনো ‘কাজ চালানোর মত সচল’বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের নাবিকদের স্বতন্ত্র একটি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অং কিয়াও লিন।

এই নাবিকের মতে জাহাজটি সম্প্রতি পরিত্যক্ত হয়ে থাকতে পারে। তবে ইয়াঙ্গুন উপকূলে জাহাজটির আটকা পড়ার পেছনে ‘অবশ্যই এর কোনো কারণ রয়েছে’ বলেও তিনি মিয়ানমার টাইমসকে জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমার উপকূলে রহস্যময় ‘ভুতুড়ে জাহাজ’

আপডেট সময় ০৯:৫২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনের উপকূলে আটকে পড়েছে একটি রহস্যময় ‘ভুতুড়ে জাহাজ’। দেশটির নৌবাহিনী ও পুলিশ জাহাজটিতে অনুসন্ধান চালিয়েছে।

ইয়াঙ্গুনের একটি সমুদ্রসৈকতের কাছে গত সপ্তাহে আটকা পড়া জাহাজটির সন্ধান পান স্থানীয় জেলেরা। ‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’ ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি। তবে জাহাজটিতে কোনো নাবিক বা কোনো পণ্য ছিল না বলে ফেইসবুকে নিজেদের পেইজে জানিয়েছে ইয়াঙ্গুন পুলিশ।

প্রায় পরিত্যক্ত জাহাজটি কী করে মিয়ানমারের জলসীমায় এল, এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার নৌ বাহিনী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সমুদ্রসৈকতে আটকে পড়া ওই জাহাজটির ভেতর অনুসন্ধান চালান।

প্রথমবারের মতো মিয়ানমারের জলসীমায় এ ধরনের ‘ভুতুড়ে জাহাজের’সন্ধান পাওয়া গেল।

বিশ্বজুড়ে সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের খবরাখবর দেওয়া মেরিন ট্রাফিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’নামের জাহাজটি ২০০১ সালে নির্মিত হয়। ১৭৭ মিটার অর্থাৎ ৫৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের বেশি জাহাজটি কনটেইনার পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো।

২০০৯ সালে তাইওয়ান উপকূলে জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থান রেকর্ড করা হয়। এর ৯ বছর পর ইয়াঙ্গুনের কাছে এর খোঁজ মিলল।

এদিকে আটকা পড়া জাহাজটি এখনো ‘কাজ চালানোর মত সচল’বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের নাবিকদের স্বতন্ত্র একটি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অং কিয়াও লিন।

এই নাবিকের মতে জাহাজটি সম্প্রতি পরিত্যক্ত হয়ে থাকতে পারে। তবে ইয়াঙ্গুন উপকূলে জাহাজটির আটকা পড়ার পেছনে ‘অবশ্যই এর কোনো কারণ রয়েছে’ বলেও তিনি মিয়ানমার টাইমসকে জানান।