ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

১৫ ফেব্রুয়ারি বা মাগুরার মার্কা নির্বাচন দেখতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ড ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনি বোর্ডের যৌথ সভাআওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনে জিততে গিয়ে যেন কোনও রকম বদনাম না হয়। বিএনপির মাগুরা মার্কা ভোট যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। এটা আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের জন্যই এটা প্রযোজ্য।’

শুক্রবার (২২ জুন) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর প্রার্থীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন বোর্ডের সভায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন, সিলেট সিটির সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনে দলের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এ সময় নির্বাচনে হারজিত থাকতে পারে মন্তব্য করে সরকার প্রধান বলেন, ‘এবারের ফুটবল খেলায় দেখতে পাচ্ছেন, যারা জেতার কথা তারা জিতছে না, গোলই দিতে পারে না। এটা রাজনীতিতেও হতে পারে। নির্বাচনগুলোতে হারলেই যে আমাদের সিট চলে যাবে, বা ক্ষমতা হারাবো সেটা নয়। তেমনি হারলে ইজ্জত চলে যাবে সেটাও না। আমাদের জিততে গিয়ে যেন কোনও রকম বদনাম না হয়। বিএনপির মাগুরা মার্কা ভোট যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। এটা আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের জন্যই এটা প্রযোজ্য।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিয়ে নির্বাচন পদ্ধতিতে শৃঙ্খলা এনেছি। আমরা চাই না কোনও নির্বাচন মাগুরা মার্কা হোক। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো হোক। নির্বাচন ঠেকাতে তারা ২০১৪ সালে মানুষ পুড়িয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়েছে। ২০১৫ সালে তারা আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করেছে। আন্দোলনের নামে মানুষ খুন করে তারা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে গেছে। আমরা চাই না সেই পরিবেশ আর থাকুক। আমরা বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

১৫ ফেব্রুয়ারি বা মাগুরার মার্কা নির্বাচন দেখতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:০১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ড ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনি বোর্ডের যৌথ সভাআওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনে জিততে গিয়ে যেন কোনও রকম বদনাম না হয়। বিএনপির মাগুরা মার্কা ভোট যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। এটা আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের জন্যই এটা প্রযোজ্য।’

শুক্রবার (২২ জুন) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর প্রার্থীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন বোর্ডের সভায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন, সিলেট সিটির সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনে দলের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এ সময় নির্বাচনে হারজিত থাকতে পারে মন্তব্য করে সরকার প্রধান বলেন, ‘এবারের ফুটবল খেলায় দেখতে পাচ্ছেন, যারা জেতার কথা তারা জিতছে না, গোলই দিতে পারে না। এটা রাজনীতিতেও হতে পারে। নির্বাচনগুলোতে হারলেই যে আমাদের সিট চলে যাবে, বা ক্ষমতা হারাবো সেটা নয়। তেমনি হারলে ইজ্জত চলে যাবে সেটাও না। আমাদের জিততে গিয়ে যেন কোনও রকম বদনাম না হয়। বিএনপির মাগুরা মার্কা ভোট যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। এটা আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের জন্যই এটা প্রযোজ্য।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিয়ে নির্বাচন পদ্ধতিতে শৃঙ্খলা এনেছি। আমরা চাই না কোনও নির্বাচন মাগুরা মার্কা হোক। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো হোক। নির্বাচন ঠেকাতে তারা ২০১৪ সালে মানুষ পুড়িয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়েছে। ২০১৫ সালে তারা আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করেছে। আন্দোলনের নামে মানুষ খুন করে তারা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে গেছে। আমরা চাই না সেই পরিবেশ আর থাকুক। আমরা বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’