ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে শুনেছি: খালেক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১০৫টি কেন্দ্রে নতুন করে ভোট নিতে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর দাবি কেউ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিজয়ী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক। তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের বিষয়টি উল্লেখ করে নবনির্বাচিত মেয়র কেবল এই কেন্দ্রগুলোতেই গোলযোগ হওয়ার কথা শোনার দাবি করেন।

ভোটের পরদিন বুধবার দুপুরের আগে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করছিলেন খালেক। এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে ১০৫টি কেন্দ্রে ভোট বাতিল করে পুননির্বাচনের দাবি তোলেন মঞ্জু।

মঙ্গলবারের ভোটে বেশ কিছু কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াসহ নানা অনিয়মের ঘটনার খবর এসেছে গণমাধ্যমে। এতে পাঁচটি কেন্দ্রে এবং একটি কেন্দ্রের একটি বুথে ভোট বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে তিনটি কেন্দ্রে ভোট আবার চালু হলেও তিনটি কেন্দ্রে ভোট আর চালু হয়নি।

খালেক বলেন, ‘আমি শুনেছি তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে। তাই বলে একশত কেন্দ্রে আবার ভোট গ্রহণ করতে হবে এমন দাবি কেউ মেনে নেবে না।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন ও সিটি নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই মঞ্জু এমন দাবি করেছেন অভিযোগ করে নবনির্বাচিত মেয়র বলেন, ‘নির্বাচনে যদি তারা জয় লাভ করতো তাহলে নির্বাচন ঠিক হতো। আর এখন পরাজয় মেনে নিতে না পেরে তার আবোল তাবোল বকতে শুরু করেছে। কিন্তু ২০১৩ সালের নির্বাচনে আমি তো পরাজিত হয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কথা বলিনি।’

২০১৩ সালের নির্বাচনে খালেক ৬১ হাজার ভোটে হেরেছিলেন বিএনপির মনিরুজ্জামান মনির কাছে। আর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো হওয়া দলীয় প্রতীকের ভোটে বিএনপির মনোনয়ন পাননি মনি। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মঞ্জু বিজয়ী প্রার্থী খালেকের চেয়ে প্রায় ৬৮ হাজার ভোট কম পেয়েছেন।

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়র থাকার কথা তুলে ধরে খালেক বলেন, ‘খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ যেখানে রেখে আমি মেয়র পদ ছেড়েছিলাম সেখান থেকেই আবার কাজ শুরু করব। একই সাথে সততা, নিষ্ঠার সাথে কাজ করে খুলনা মহানগরীকে দুর্নীতিমুক্ত খুলনা সিটি করপোরেশন উপহার দেব।’

খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে চেষ্টা চালানোর কথাও জানান খালেক। বলেন, ‘মাদকের সাথে আমার দলেরও কেউ যদি জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি নির্বাচনে খালেকের প্রধান এজেন্ট শেখ হারুনার রশিদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে শুনেছি: খালেক

আপডেট সময় ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১০৫টি কেন্দ্রে নতুন করে ভোট নিতে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর দাবি কেউ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিজয়ী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক। তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের বিষয়টি উল্লেখ করে নবনির্বাচিত মেয়র কেবল এই কেন্দ্রগুলোতেই গোলযোগ হওয়ার কথা শোনার দাবি করেন।

ভোটের পরদিন বুধবার দুপুরের আগে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করছিলেন খালেক। এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে ১০৫টি কেন্দ্রে ভোট বাতিল করে পুননির্বাচনের দাবি তোলেন মঞ্জু।

মঙ্গলবারের ভোটে বেশ কিছু কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াসহ নানা অনিয়মের ঘটনার খবর এসেছে গণমাধ্যমে। এতে পাঁচটি কেন্দ্রে এবং একটি কেন্দ্রের একটি বুথে ভোট বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে তিনটি কেন্দ্রে ভোট আবার চালু হলেও তিনটি কেন্দ্রে ভোট আর চালু হয়নি।

খালেক বলেন, ‘আমি শুনেছি তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে। তাই বলে একশত কেন্দ্রে আবার ভোট গ্রহণ করতে হবে এমন দাবি কেউ মেনে নেবে না।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন ও সিটি নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই মঞ্জু এমন দাবি করেছেন অভিযোগ করে নবনির্বাচিত মেয়র বলেন, ‘নির্বাচনে যদি তারা জয় লাভ করতো তাহলে নির্বাচন ঠিক হতো। আর এখন পরাজয় মেনে নিতে না পেরে তার আবোল তাবোল বকতে শুরু করেছে। কিন্তু ২০১৩ সালের নির্বাচনে আমি তো পরাজিত হয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কথা বলিনি।’

২০১৩ সালের নির্বাচনে খালেক ৬১ হাজার ভোটে হেরেছিলেন বিএনপির মনিরুজ্জামান মনির কাছে। আর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো হওয়া দলীয় প্রতীকের ভোটে বিএনপির মনোনয়ন পাননি মনি। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মঞ্জু বিজয়ী প্রার্থী খালেকের চেয়ে প্রায় ৬৮ হাজার ভোট কম পেয়েছেন।

২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়র থাকার কথা তুলে ধরে খালেক বলেন, ‘খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ যেখানে রেখে আমি মেয়র পদ ছেড়েছিলাম সেখান থেকেই আবার কাজ শুরু করব। একই সাথে সততা, নিষ্ঠার সাথে কাজ করে খুলনা মহানগরীকে দুর্নীতিমুক্ত খুলনা সিটি করপোরেশন উপহার দেব।’

খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে চেষ্টা চালানোর কথাও জানান খালেক। বলেন, ‘মাদকের সাথে আমার দলেরও কেউ যদি জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি নির্বাচনে খালেকের প্রধান এজেন্ট শেখ হারুনার রশিদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।