ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাজধানীতে চাকরিপ্রার্থীদের কফিন মিছিল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে কফিন মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার বেলা ১০টায় রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য হয়ে ফের শাহবাগে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।

‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ’ মশাল মিছিলের আয়োজন করে। আগামী ৩১শে মে এর মধ্যে সরকার দাবিটি মেনে না নিলে সারা দেশে অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি পালনের হুশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিলও একই দাবিতে কফিন মিছিল করেছিলেন তারা। এছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় আন্দোলনকারীরা মশাল মিছিল করে। এ সময় রশিতে আগুন লাগিয়ে ৩০ লিখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এরপর মশাল জ্বালিয়ে শাহবাগ থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় শাহবাগে এসে মিছিলটি শেষ হয়। সেখান থেকে কফিন মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

কফিন মিছিল শেষে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক সঞ্জয় দাস বলেন, প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করলে দেশে মেধা রক্ষা হবে। নচেৎ মেধাবীরা তাদের যোগ্যতা প্রমাণ থেকে বঞ্চিত হবে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু যখন ৪৫ বছর ছিল তখন চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ছিল ২৭ বছর। যখন গড় আয়ু ৫০ ছাড়াল তখন প্রবেশের বয়সসীমা হলো ৩০ বছর। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর হলে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা এখনও অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে। তাই শিগগিরই চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হোক।

পরিষদের আহ্বায়ক আরও বলেন, সরকারি নিয়ম অনুসরণ করার ফলে বেসরকারি ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও অভিজ্ঞতা ছাড়া ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে জনবল নিয়োগ দেয় না। যার ফলে বেসরকারি ক্ষেত্রেও কর্মের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা অবশ্যই ৩৫ বছর করা প্রয়োজন। কারণ উন্নত বিশ্বকে আমরা অনুসরণ করে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছি। সেভাবে চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রেও উন্নত বিশ্বকে অনুসরণ করে দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারি।

আন্দোলনকারীরা বলেন, একজন মানুষের বয়সসীমা তার যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। যোগ্যতা নিরূপণের জন্য পরীক্ষা আছে। তাই চাকরিতে নিয়োগ হওয়া উচিত যোগ্যতার ভিত্তিতে, বয়সের ভিত্তিতে নয়। বয়সের সীমাবদ্ধতা একজন নাগরিকের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ ছাড়া আর কিছুই নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাজধানীতে চাকরিপ্রার্থীদের কফিন মিছিল

আপডেট সময় ১১:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে কফিন মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার বেলা ১০টায় রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য হয়ে ফের শাহবাগে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।

‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ’ মশাল মিছিলের আয়োজন করে। আগামী ৩১শে মে এর মধ্যে সরকার দাবিটি মেনে না নিলে সারা দেশে অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি পালনের হুশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিলও একই দাবিতে কফিন মিছিল করেছিলেন তারা। এছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় আন্দোলনকারীরা মশাল মিছিল করে। এ সময় রশিতে আগুন লাগিয়ে ৩০ লিখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এরপর মশাল জ্বালিয়ে শাহবাগ থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় শাহবাগে এসে মিছিলটি শেষ হয়। সেখান থেকে কফিন মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

কফিন মিছিল শেষে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক সঞ্জয় দাস বলেন, প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করলে দেশে মেধা রক্ষা হবে। নচেৎ মেধাবীরা তাদের যোগ্যতা প্রমাণ থেকে বঞ্চিত হবে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু যখন ৪৫ বছর ছিল তখন চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ছিল ২৭ বছর। যখন গড় আয়ু ৫০ ছাড়াল তখন প্রবেশের বয়সসীমা হলো ৩০ বছর। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর হলে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা এখনও অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে। তাই শিগগিরই চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হোক।

পরিষদের আহ্বায়ক আরও বলেন, সরকারি নিয়ম অনুসরণ করার ফলে বেসরকারি ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও অভিজ্ঞতা ছাড়া ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে জনবল নিয়োগ দেয় না। যার ফলে বেসরকারি ক্ষেত্রেও কর্মের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা অবশ্যই ৩৫ বছর করা প্রয়োজন। কারণ উন্নত বিশ্বকে আমরা অনুসরণ করে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছি। সেভাবে চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রেও উন্নত বিশ্বকে অনুসরণ করে দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারি।

আন্দোলনকারীরা বলেন, একজন মানুষের বয়সসীমা তার যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। যোগ্যতা নিরূপণের জন্য পরীক্ষা আছে। তাই চাকরিতে নিয়োগ হওয়া উচিত যোগ্যতার ভিত্তিতে, বয়সের ভিত্তিতে নয়। বয়সের সীমাবদ্ধতা একজন নাগরিকের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ ছাড়া আর কিছুই নয়।