ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছুটে আসা গ্রহাণুকে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না: নাসা

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ জানিয়েছে, ছুটে আসা গ্রহাণুকে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। নাসার বিজ্ঞানীরা সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে ‘এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং-এর সমান একটা গ্রহাণু। যার এনার্জি ১২০০ মেগাটন আর যেটি হিরোশিমা বম্বের তুলনায় ৮০,০০০ গুন বেশি ক্ষতি করতে সক্ষম।

জানা গেছে, ২১৩৫ সালে সেই গ্রহাণু আছড়ে পড়বে। যদিও এই গ্রহাণুকে পরমাণু বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে নাসা। আর সেইজন্য ‘হ্যামার’ নামে স্পেসক্রাফট তৈরি করছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। পাশাপাশি, পৃথিবীর দিকে কোনো গ্রহাণু ছুটে এলে যাতে তাকে ঠেকানো যায়, তার জন্য স্পেসক্রাফট তৈরি করছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সময় পার হয়ে গেলে বিস্ফোরণ ঘটানো ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। পরমাণু বিস্ফোরণেই থামিয়ে দেওয়া হবে গ্রহাণুকে। এই বিশেষ পদ্ধতিকে বলা হচ্ছ, ‘হ্যামার’ বা ‘হাইপার ভেলোসিটি অ্যাস্টারয়েড মিটিগেশন মিশন ফর এমার্জেন্সি রেসপন্স’। ৮.৮ টনের এই ‘হ্যামার’ এয়ারক্রাফট সরাসরি ওই গ্রহাণুতে ধাক্কা মেরে উড়িয়ে দেবে পরমাণু বিস্ফোরণে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছুটে আসা গ্রহাণুকে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না: নাসা

আপডেট সময় ১২:০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ জানিয়েছে, ছুটে আসা গ্রহাণুকে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। নাসার বিজ্ঞানীরা সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে ‘এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং-এর সমান একটা গ্রহাণু। যার এনার্জি ১২০০ মেগাটন আর যেটি হিরোশিমা বম্বের তুলনায় ৮০,০০০ গুন বেশি ক্ষতি করতে সক্ষম।

জানা গেছে, ২১৩৫ সালে সেই গ্রহাণু আছড়ে পড়বে। যদিও এই গ্রহাণুকে পরমাণু বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে নাসা। আর সেইজন্য ‘হ্যামার’ নামে স্পেসক্রাফট তৈরি করছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। পাশাপাশি, পৃথিবীর দিকে কোনো গ্রহাণু ছুটে এলে যাতে তাকে ঠেকানো যায়, তার জন্য স্পেসক্রাফট তৈরি করছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সময় পার হয়ে গেলে বিস্ফোরণ ঘটানো ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। পরমাণু বিস্ফোরণেই থামিয়ে দেওয়া হবে গ্রহাণুকে। এই বিশেষ পদ্ধতিকে বলা হচ্ছ, ‘হ্যামার’ বা ‘হাইপার ভেলোসিটি অ্যাস্টারয়েড মিটিগেশন মিশন ফর এমার্জেন্সি রেসপন্স’। ৮.৮ টনের এই ‘হ্যামার’ এয়ারক্রাফট সরাসরি ওই গ্রহাণুতে ধাক্কা মেরে উড়িয়ে দেবে পরমাণু বিস্ফোরণে।