ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাতের আঁধারে অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে গেলেন স্ত্রী সাজাপ্রাপ্ত আসামির মন্তব্যের জবাব দেওয়ার সময় সরকারের নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান এ দেশের সব মানুষের অর্জন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী হত্যা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন স্থগিত খুনোখুনি পছন্দ না আমার, ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতে চাই: ট্রাম্প চট্টগ্রামে অভিমানী স্ট্যাটাস দিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন তরুণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না: ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, জাহাজ নির্মাণ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান অর্থনৈতিক অঞ্চলকে সবুজ শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’:মাহদী আমিন

মসুলের বাতাসে লাশের গন্ধ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনও বের হচ্ছে জঙ্গিদের পঁচা-গলা মরদেহ। খোলা আকাশের নিচেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মৃতদেহ। বাতাস ভারী হয়ে আছে লাশের গন্ধে।

এমন বিভৎস পরিবেশে আইএসের পতনের সাত মাস পরও ভিটেমাটিতে ফিরতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। মহামারী ছড়ানোর আশঙ্কা করছে শহর কর্তৃপক্ষ।

অন্য কোনো উপায় না থাকায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই নতুন করে জীবন শুরু করছেন এখানকার বাসিন্দারা। সরকারি বা আন্তর্জাতিক সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় উদ্যোগেই শুরু হয়েছে সংস্কারকাজ। শহরকে পুরনো চেহারায় ফেরানোর স্বপ্ন মসুলের বাসিন্দাদের।

ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি ছিল মসুল। গত বছরই ইরাকের সরকারি বাহিনী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে ভয়াবহ লড়াইয়ের সাক্ষী এই শহরটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

মসুল পৌরসভার প্রধান আবদেল সাত্তার আল হিব্বু বলেন, ধ্বংসাবশেষ আর মানুষের হাড়গোড় ছাড়া আইএস আমাদের জন্য কিছুই রাখেনি। বিধ্বস্ত ভবনগুলোর স্তূপের নিচে এখনও শত শত মরদেহ চাপা পড়ে আছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর সহায়তা পেলে আরও দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

আইএসের প্রায় তিন বছরের তাণ্ডবে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী মসুলের সাধারণ বাসিন্দারা। জঙ্গিদের পরাজয় হলেও ভীতি কাটেনি অনেকেরই।

কাটবেই বা কীভাবে? মসুল অভিযানে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, তার সঠিক হিসাব নেই কারও কাছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন বলছে- সাত মাস পরও মরদেহের সন্ধান প্রমাণ করে যে জঙ্গিদের ক্ষতির পরিমাণ আগেকার করা ধারণার চেয়েও বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতের আঁধারে অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে গেলেন স্ত্রী

মসুলের বাতাসে লাশের গন্ধ

আপডেট সময় ০১:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনও বের হচ্ছে জঙ্গিদের পঁচা-গলা মরদেহ। খোলা আকাশের নিচেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মৃতদেহ। বাতাস ভারী হয়ে আছে লাশের গন্ধে।

এমন বিভৎস পরিবেশে আইএসের পতনের সাত মাস পরও ভিটেমাটিতে ফিরতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। মহামারী ছড়ানোর আশঙ্কা করছে শহর কর্তৃপক্ষ।

অন্য কোনো উপায় না থাকায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই নতুন করে জীবন শুরু করছেন এখানকার বাসিন্দারা। সরকারি বা আন্তর্জাতিক সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় উদ্যোগেই শুরু হয়েছে সংস্কারকাজ। শহরকে পুরনো চেহারায় ফেরানোর স্বপ্ন মসুলের বাসিন্দাদের।

ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি ছিল মসুল। গত বছরই ইরাকের সরকারি বাহিনী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে ভয়াবহ লড়াইয়ের সাক্ষী এই শহরটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

মসুল পৌরসভার প্রধান আবদেল সাত্তার আল হিব্বু বলেন, ধ্বংসাবশেষ আর মানুষের হাড়গোড় ছাড়া আইএস আমাদের জন্য কিছুই রাখেনি। বিধ্বস্ত ভবনগুলোর স্তূপের নিচে এখনও শত শত মরদেহ চাপা পড়ে আছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর সহায়তা পেলে আরও দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

আইএসের প্রায় তিন বছরের তাণ্ডবে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী মসুলের সাধারণ বাসিন্দারা। জঙ্গিদের পরাজয় হলেও ভীতি কাটেনি অনেকেরই।

কাটবেই বা কীভাবে? মসুল অভিযানে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, তার সঠিক হিসাব নেই কারও কাছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন বলছে- সাত মাস পরও মরদেহের সন্ধান প্রমাণ করে যে জঙ্গিদের ক্ষতির পরিমাণ আগেকার করা ধারণার চেয়েও বেশি।