ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘বাংলাদেশি নাইট কনসার্ট’নামের একটি লাইভ কনসার্টে অংশগ্রহণ নিতে যাওয়ার পথে মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে হেনস্থার শিকার হয়েছেন একঝাঁক বাংলাদেশি তারকা শিল্পী। সেখানে সংগীতাঙ্গনের তারকারা আছেন, তেমনই আছেন বড় পর্দার তারকা এবং নির্মাতাও।

তবে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে ইমিগ্রেশনের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না তাদের। এমনিতেই মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন পুলিশ একটু বেশি কড়াকড়ি করে থাকে, বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখলে সে কড়াকড়ি হয়ে যায় বাড়াবাড়ি রকমের। আর এ বাড়াবাড়ির কারণেই হয়তো অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে এই সফরে যাওয়া এক শিল্পীকে।

গত সপ্তাহে সরকারি সফরে গিয়ে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন একাধিক যুগ্ম-সচিবসহ ১২ সরকারি কর্মকর্তা। সিনিয়র একজন যুগ্ম-সচিব ইমিগ্রেশন অফিসারের কাছে নিজের পরিচয় দিতেই ‘গো, গো আউট ফ্রম হেয়ার’ বলে চিৎকার করে উঠেন।

‘বাংলাদেশি নাইট কনসার্টে’ অংশ নিতে যাওয়া শিল্পীদের একজন কণ্ঠশিল্পী এইচ এম রানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার অসন্তোষ প্রকাশ করে লেখেন, ‘এখন মালয়েশিয়ার টাইম কয়টা জানেন? দুপুর ২টা। সন্ধ্যা ৬টায় আমাদের লাইভ কনসার্ট। ঘুম নাই, খাওয়া নাই। ইতিহাস হয়ে থাকবে আমাদের এ ট্যুর। ১৪ ঘণ্টা পর আমরা মালইয়েশিয়ায় আলোর মুখ দেখলাম।’

কণ্ঠশিল্পী ওই পোস্টে মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের ভদ্রতা শেখার পরামর্শ দেন। তিনি লিখেন, ‘দাওয়াত রইলো আমাদের দেশে। এসে দেখে ও শিখে নিও তোমরা আমাদের দেশে এলে আমরা তোমাদের কতটা সম্মান দিই।’

‘বাংলাদেশি নাইট কনসার্টে’ আরও অংশগ্রহণ করছেন নির্মাতা ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস, অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা, আনিকা কবির শখ, আইরিন সুলতানা, অভিনেতা নিরব হোসেন, মামনুন হাসান ইমন, কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীরসহ আরও অনেকেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার

আপডেট সময় ০১:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘বাংলাদেশি নাইট কনসার্ট’নামের একটি লাইভ কনসার্টে অংশগ্রহণ নিতে যাওয়ার পথে মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে হেনস্থার শিকার হয়েছেন একঝাঁক বাংলাদেশি তারকা শিল্পী। সেখানে সংগীতাঙ্গনের তারকারা আছেন, তেমনই আছেন বড় পর্দার তারকা এবং নির্মাতাও।

তবে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে ইমিগ্রেশনের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না তাদের। এমনিতেই মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন পুলিশ একটু বেশি কড়াকড়ি করে থাকে, বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখলে সে কড়াকড়ি হয়ে যায় বাড়াবাড়ি রকমের। আর এ বাড়াবাড়ির কারণেই হয়তো অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে এই সফরে যাওয়া এক শিল্পীকে।

গত সপ্তাহে সরকারি সফরে গিয়ে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন একাধিক যুগ্ম-সচিবসহ ১২ সরকারি কর্মকর্তা। সিনিয়র একজন যুগ্ম-সচিব ইমিগ্রেশন অফিসারের কাছে নিজের পরিচয় দিতেই ‘গো, গো আউট ফ্রম হেয়ার’ বলে চিৎকার করে উঠেন।

‘বাংলাদেশি নাইট কনসার্টে’ অংশ নিতে যাওয়া শিল্পীদের একজন কণ্ঠশিল্পী এইচ এম রানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার অসন্তোষ প্রকাশ করে লেখেন, ‘এখন মালয়েশিয়ার টাইম কয়টা জানেন? দুপুর ২টা। সন্ধ্যা ৬টায় আমাদের লাইভ কনসার্ট। ঘুম নাই, খাওয়া নাই। ইতিহাস হয়ে থাকবে আমাদের এ ট্যুর। ১৪ ঘণ্টা পর আমরা মালইয়েশিয়ায় আলোর মুখ দেখলাম।’

কণ্ঠশিল্পী ওই পোস্টে মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের ভদ্রতা শেখার পরামর্শ দেন। তিনি লিখেন, ‘দাওয়াত রইলো আমাদের দেশে। এসে দেখে ও শিখে নিও তোমরা আমাদের দেশে এলে আমরা তোমাদের কতটা সম্মান দিই।’

‘বাংলাদেশি নাইট কনসার্টে’ আরও অংশগ্রহণ করছেন নির্মাতা ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস, অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা, আনিকা কবির শখ, আইরিন সুলতানা, অভিনেতা নিরব হোসেন, মামনুন হাসান ইমন, কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীরসহ আরও অনেকেই।