ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চিটাগংকে হারিয়ে দুইয়ে উঠলো কুমিল্লা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরে শক্তিশালী দল গড়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা হারলেও জয়ের ধারায় ফিরতে সময় নেয়নি দলটি। টানা তিন ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো তামিম ইকবাল-ইমরুল কায়েসের দল।

আজ মঙ্গলবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। প্রথমে ব্যাটিং করে চার উইকেটে ১৩৯ রান সংগ্রহ করেছিল চিটাগং। জবাবে ছয় উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা।

১৪০ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই তামিম ইকবালকে হারায় কুমিল্লা। লিটন দাস ও ইমরুল কায়েসের ব্যাটে এরপর লড়াইয়ে ফেলে দলটি। ২১ রান করে লিটন ফিরলেও ইমরলি কায়েস ও জস বাটলার মিলে দলকে সুবিধাজনক স্থানে পৌঁছে দেন। দলীয় ১১৩ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ইমরুল ফিরে যান। ৩৬ বলে ৪৫ রান করেন তিনি।

এরপর দলীয় ১৩৪ রানে আউট হন বাটলার। ততক্ষণে অবশ্য জয়ের কাছাকাছি চলে এসেছে কুমিল্লা। ৩১ বলে ৪৪ রান করেন বাটলার। মারলন স্যামুয়েলস ও মোহাম্মদ নবী মিলে বাকি পথটুকু নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন। চিটাগংয়ের দিলশান মুনাবিরা ও সানজামুল নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে প্রথমে ব্যাটিং করে চার উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩৯ রানই তোলেন সৌম্য-মিসবাহরা। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়েছিল চিটাগংয়ের। প্রথম ৫ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৪৬ রান যোগ করেন লুক রঞ্চি ও সৌম্য সরকার। রঞ্চি ফেরার পর চিটাগংয়ের রানের চাকাটা ধীর হয়ে আসে। ১৯ বলে ৩১ রান করেন লুক রঞ্চি।

সৌম্য ও দিলশান মুনাবিরা চেষ্টা করলেও আরাফাত সানি, রশীদ খান ও মোহাম্মদ নবীর বিপক্ষে স্বচ্ছন্দে খেলতে পারছিলেন না। দলীয় ৮৩ রানে ফিরে যান সৌম্য সরকার। ৩২ বলে ৩০ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। এরপর ফিরে যান মুনাবিরা। ২৫ বলে ১৬ রান করেন এই লঙ্কান ক্রিকেটার।

সিকান্দার রাজা, মিসবাহ-উল হক ও ক্রিস জর্ডান মিলে রানটাকে ১৩৯ পর্যন্ত নিয়ে আসেন। কুমিল্লার মোহাম্মদ নবী, সাইফুদ্দিন, ব্রাভো ও রশীদ খান নেন একটি করে উইকেট। রাজা ২০ রান করেন। এ ছাড়া জর্ডান ও মিসবাহ দুজনেই ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চিটাগংকে হারিয়ে দুইয়ে উঠলো কুমিল্লা

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরে শক্তিশালী দল গড়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা হারলেও জয়ের ধারায় ফিরতে সময় নেয়নি দলটি। টানা তিন ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো তামিম ইকবাল-ইমরুল কায়েসের দল।

আজ মঙ্গলবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। প্রথমে ব্যাটিং করে চার উইকেটে ১৩৯ রান সংগ্রহ করেছিল চিটাগং। জবাবে ছয় উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা।

১৪০ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই তামিম ইকবালকে হারায় কুমিল্লা। লিটন দাস ও ইমরুল কায়েসের ব্যাটে এরপর লড়াইয়ে ফেলে দলটি। ২১ রান করে লিটন ফিরলেও ইমরলি কায়েস ও জস বাটলার মিলে দলকে সুবিধাজনক স্থানে পৌঁছে দেন। দলীয় ১১৩ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ইমরুল ফিরে যান। ৩৬ বলে ৪৫ রান করেন তিনি।

এরপর দলীয় ১৩৪ রানে আউট হন বাটলার। ততক্ষণে অবশ্য জয়ের কাছাকাছি চলে এসেছে কুমিল্লা। ৩১ বলে ৪৪ রান করেন বাটলার। মারলন স্যামুয়েলস ও মোহাম্মদ নবী মিলে বাকি পথটুকু নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন। চিটাগংয়ের দিলশান মুনাবিরা ও সানজামুল নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে প্রথমে ব্যাটিং করে চার উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩৯ রানই তোলেন সৌম্য-মিসবাহরা। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়েছিল চিটাগংয়ের। প্রথম ৫ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৪৬ রান যোগ করেন লুক রঞ্চি ও সৌম্য সরকার। রঞ্চি ফেরার পর চিটাগংয়ের রানের চাকাটা ধীর হয়ে আসে। ১৯ বলে ৩১ রান করেন লুক রঞ্চি।

সৌম্য ও দিলশান মুনাবিরা চেষ্টা করলেও আরাফাত সানি, রশীদ খান ও মোহাম্মদ নবীর বিপক্ষে স্বচ্ছন্দে খেলতে পারছিলেন না। দলীয় ৮৩ রানে ফিরে যান সৌম্য সরকার। ৩২ বলে ৩০ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। এরপর ফিরে যান মুনাবিরা। ২৫ বলে ১৬ রান করেন এই লঙ্কান ক্রিকেটার।

সিকান্দার রাজা, মিসবাহ-উল হক ও ক্রিস জর্ডান মিলে রানটাকে ১৩৯ পর্যন্ত নিয়ে আসেন। কুমিল্লার মোহাম্মদ নবী, সাইফুদ্দিন, ব্রাভো ও রশীদ খান নেন একটি করে উইকেট। রাজা ২০ রান করেন। এ ছাড়া জর্ডান ও মিসবাহ দুজনেই ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।