ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বায়ু দূষণের মাত্রা দেখাবে গুগল আর্থ

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

শুধু যে বিশ্বের আনাচকানাচেই গুগল আর্থের নজর তা নয়, এবার প্রকৃতি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখার ব্যবস্থা করছে গুগল। প্রকৃতিগত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে চলা সংস্থা Aclima-র সঙ্গে হাত মিলিয়েছে গুগল।

ক্যালিফোর্নিয়ায় বায়ু দূষণের পরিমাণ কতখানি, এবার সেদিকে নজরদারি চলবে। কেমনতর নজরদারি, তার দেখা মিলবে গুগল আর্থে।

স্যানফ্র্যান্সিসকো বে এলাকা, লস এঞ্জেলেস এবং সেন্ট্রাল ভ্যালির একদম কোনায় কোনায় বায়ু দূষণের ওপর নজর রাখবে এই দুই সংস্থা। ৪ হাজার ঘণ্টা ধরে ১ লাখ মাইলের ওপর চলবে এই নজরদারী। Google Street View cars প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হবে এক্ষেত্রে।

গুগল আর্থের আউটরিচ প্রোগ্রাম ম্যানেজার কেরিন টুকেন বেটম্যান জানিয়েছেন, বায়ুর স্বচ্ছতা নিয়ে যারা কাজ করেন বা বিজ্ঞানীরা এই তথ্য হাতে পেলে উপকৃত হবেন। তারাই সরকার, প্রশাসনকে সতর্ক করতে পারবেন বা এর সমাধানসূত্র বের করতে পারেন। ক্যারেক্টার লিমিট বাড়িয়ে ২৮০ করল টুইটার। তবে সবার জন্য নয় এই পরিমাণ ও তথ্য, বায়ু দূষণের কারণ হিসেবে এলাকার ট্রাফিক পরিস্থিতি, আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে।

কেরিনের মতে, এই তথ্য হাতে পেলে আরও ভালভাবে দূষণ মোকাবিলা সম্ভব। দুই সংস্থা মিলে যা যা ডেটা সংগ্রহ করছে, বিজ্ঞানীরা যাতে তার সবটা পান, সেই সব বন্দোবস্ত রাখা হচ্ছে। তবে আপাতত ক্যালিফোর্নিয়াতেই এই কাজ শুরু হলেও, আগামীদিনে আরও বিভিন্ন এলাকায় এই কাজ চলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বায়ু দূষণের মাত্রা দেখাবে গুগল আর্থ

আপডেট সময় ১১:১৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

শুধু যে বিশ্বের আনাচকানাচেই গুগল আর্থের নজর তা নয়, এবার প্রকৃতি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখার ব্যবস্থা করছে গুগল। প্রকৃতিগত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে চলা সংস্থা Aclima-র সঙ্গে হাত মিলিয়েছে গুগল।

ক্যালিফোর্নিয়ায় বায়ু দূষণের পরিমাণ কতখানি, এবার সেদিকে নজরদারি চলবে। কেমনতর নজরদারি, তার দেখা মিলবে গুগল আর্থে।

স্যানফ্র্যান্সিসকো বে এলাকা, লস এঞ্জেলেস এবং সেন্ট্রাল ভ্যালির একদম কোনায় কোনায় বায়ু দূষণের ওপর নজর রাখবে এই দুই সংস্থা। ৪ হাজার ঘণ্টা ধরে ১ লাখ মাইলের ওপর চলবে এই নজরদারী। Google Street View cars প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হবে এক্ষেত্রে।

গুগল আর্থের আউটরিচ প্রোগ্রাম ম্যানেজার কেরিন টুকেন বেটম্যান জানিয়েছেন, বায়ুর স্বচ্ছতা নিয়ে যারা কাজ করেন বা বিজ্ঞানীরা এই তথ্য হাতে পেলে উপকৃত হবেন। তারাই সরকার, প্রশাসনকে সতর্ক করতে পারবেন বা এর সমাধানসূত্র বের করতে পারেন। ক্যারেক্টার লিমিট বাড়িয়ে ২৮০ করল টুইটার। তবে সবার জন্য নয় এই পরিমাণ ও তথ্য, বায়ু দূষণের কারণ হিসেবে এলাকার ট্রাফিক পরিস্থিতি, আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে।

কেরিনের মতে, এই তথ্য হাতে পেলে আরও ভালভাবে দূষণ মোকাবিলা সম্ভব। দুই সংস্থা মিলে যা যা ডেটা সংগ্রহ করছে, বিজ্ঞানীরা যাতে তার সবটা পান, সেই সব বন্দোবস্ত রাখা হচ্ছে। তবে আপাতত ক্যালিফোর্নিয়াতেই এই কাজ শুরু হলেও, আগামীদিনে আরও বিভিন্ন এলাকায় এই কাজ চলবে।