ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

ইয়েমেনে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরান থেকে হুতি বিদ্রোহীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে জল, স্থল ও আকাশপথে ইয়েমেনে প্রবেশের সবগুলো বন্দর বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট বাহিনী। অস্থায়ীভাবে এসব বন্দর বন্ধ করা হয়েছে বলে সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএতে প্রকাশিত ওই বিবৃতির বরাতে প্রকাশিত এক প্র্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইয়েমেনের আকাশপথ, জলপথ ও স্থলপথের সব বন্দর অস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোট বাহিনীগুলোর কমান্ড।”

তবে মানবিক ত্রাণ ও সরবরাহের কাজে নিয়োজিত কর্মীরা ইয়েমেনে প্রবেশ করতে ও বের হতে পারবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাদশা খালেদ বিমানবন্দরের কাছে হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী।

কোনো হতাহতের ঘটনা ছাড়াই রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে ওই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ধ্বংস করে সৌদি আরবের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণকারী ইরান সমর্থিত হুতিদের এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘বিপজ্জনক মাত্রাবৃদ্ধি’ বলে বর্ণনা করেছে জোট বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী, উভয়েই এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে। কিন্তু রোববার বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে হামলার দায় অস্বীকার করেছেন ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর প্রধান। ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘অপবাদ’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

২০১৫ সালে রাজধানী সানসহ ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা দখল করে নেওয়ার পর থেকে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে প্রায় আড়াই বছর ধরে চলা এ লড়াইয়ে এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

ইয়েমেনে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী

আপডেট সময় ০৪:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরান থেকে হুতি বিদ্রোহীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে জল, স্থল ও আকাশপথে ইয়েমেনে প্রবেশের সবগুলো বন্দর বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট বাহিনী। অস্থায়ীভাবে এসব বন্দর বন্ধ করা হয়েছে বলে সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএতে প্রকাশিত ওই বিবৃতির বরাতে প্রকাশিত এক প্র্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইয়েমেনের আকাশপথ, জলপথ ও স্থলপথের সব বন্দর অস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোট বাহিনীগুলোর কমান্ড।”

তবে মানবিক ত্রাণ ও সরবরাহের কাজে নিয়োজিত কর্মীরা ইয়েমেনে প্রবেশ করতে ও বের হতে পারবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাদশা খালেদ বিমানবন্দরের কাছে হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী।

কোনো হতাহতের ঘটনা ছাড়াই রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে ওই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ধ্বংস করে সৌদি আরবের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণকারী ইরান সমর্থিত হুতিদের এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘বিপজ্জনক মাত্রাবৃদ্ধি’ বলে বর্ণনা করেছে জোট বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী, উভয়েই এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে। কিন্তু রোববার বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে হামলার দায় অস্বীকার করেছেন ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর প্রধান। ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘অপবাদ’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

২০১৫ সালে রাজধানী সানসহ ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা দখল করে নেওয়ার পর থেকে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে প্রায় আড়াই বছর ধরে চলা এ লড়াইয়ে এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।