ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াতে আগ্রহী ইতালি

বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিমান চলাচল ব্যবস্থা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এবং দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেল্লি। বৈঠকে দুই দেশের আকাশপথের যোগাযোগ সম্প্রসারণসহ পর্যটন ও এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

বৈঠকে ঢাকা-রোম রুটে বর্তমানে চলমান বিমানের ছয়টি ফ্লাইটের পাশাপাশি নতুন করে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে ইতালি সরকার। এ বিষয়ে পর্যটনমন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার পর ফ্লাইট বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আকাশপথের পাশাপাশি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের আধুনিকায়নে ইতালির বিনিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) সুবিধা তৈরিতে ইতালির অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। এ ধরনের বিনিয়োগ সম্পন্ন হলে দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতাও বাড়বে।

পর্যটন খাতের বিকাশে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের বিষয়টি বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের সুবিধার্থে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘রেড জোন’ গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে পর্যটক বিনিময় বাড়ানোর জন্য যোগাযোগব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের বিষয়েও উভয় দেশ ঐকমত্য পোষণ করেছে। পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াতে আগ্রহী ইতালি

আপডেট সময় ০৪:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিমান চলাচল ব্যবস্থা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এবং দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেল্লি। বৈঠকে দুই দেশের আকাশপথের যোগাযোগ সম্প্রসারণসহ পর্যটন ও এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

বৈঠকে ঢাকা-রোম রুটে বর্তমানে চলমান বিমানের ছয়টি ফ্লাইটের পাশাপাশি নতুন করে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে ইতালি সরকার। এ বিষয়ে পর্যটনমন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার পর ফ্লাইট বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আকাশপথের পাশাপাশি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের আধুনিকায়নে ইতালির বিনিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) সুবিধা তৈরিতে ইতালির অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। এ ধরনের বিনিয়োগ সম্পন্ন হলে দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতাও বাড়বে।

পর্যটন খাতের বিকাশে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের বিষয়টি বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের সুবিধার্থে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘রেড জোন’ গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে পর্যটক বিনিময় বাড়ানোর জন্য যোগাযোগব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের বিষয়েও উভয় দেশ ঐকমত্য পোষণ করেছে। পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।