ব্যক্তিজীবনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক পিজিত মহাজনের পরিবারে। মাকে হারানোর সেই শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই এবার পিতৃহারা হলেন এই মেধাবী সংগীতশিল্পী। পিজিতের বাবা স্বপন মহাজন দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকার হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত সোমবার বিকেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পিজিত মহাজনের সংগীত জীবনের প্রতিটি সাফল্যের অন্যতম বড় অংশীদার ছিলেন তার বাবা। ছেলের সংগীত ক্যারিয়ারের বিশেষ মুহূর্তগুলোতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। দুই বাংলার কিংবদন্তি শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর সঙ্গে পিজিতের দ্বৈতকণ্ঠে গান গাওয়ার সুযোগ পাওয়ার সময় তার বাবার গর্বের সীমা ছিল না। এছাড়া প্রবীণ শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের জন্মদিন উপলক্ষে ‘জীবন গল্প’ গানটিতে সুর করার সময়ও তার বাবা ছেলের প্রতিটি অর্জনে পরম তৃপ্তি খুঁজে নিতেন।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের বন্যার্ত মানুষের অভিজ্ঞতা নিয়ে ‘বানভাসি মা’ শিরোনামে একটি গান গেয়েছিলেন পিজিত। সেই গানটি ছিল মূলত মায়ের স্মৃতির প্রতি তার বিনম্র শ্রদ্ধা। মায়ের সেই শোক সামলে উঠতে না উঠতেই বাবার মৃত্যু পিজিতের জীবনে এক গভীর শূন্যতা ও বিষাদ তৈরি করেছে।
নিজের সংগীত জীবনের নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথে বাবার উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা ছিল পিজিতের বড় শক্তি। সাফল্যের খবর শুনলে বাবার চোখেমুখে যে প্রশান্তি ফুটে উঠত, সেই স্মৃতি এখন পিজিতকে আবেগপ্রবণ করে তুলছে। প্রয়াত বাবার আত্মার শান্তি কামনা করে শিল্পী সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 












