ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

আগামী সপ্তাহে খুলছে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনালটি আগামী সপ্তাহ থেকেই অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। অক্টোবরে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম শুরুর আগে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে কক্সবাজার বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানের এয়ারপোর্টে পরিণত হওয়ার পথে বড় মাইলফলক স্পর্শ করল।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক জানিয়েছেন, নতুন টার্মিনালটি অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের আগমন ও বহির্গমনের কাজে ব্যবহার করা হবে। গত বুধবার তিনি বিমানবন্দরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো যাত্রী ব্যবস্থাপনা নতুন টার্মিনালে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে তিনি জানান।

প্রাথমিক পর্যায়ে বিমান ও টার্মিনাল ভবনের মাঝে যাত্রী আনা-নেওয়ার জন্য গলফ কার্ট ব্যবহার করা হবে। নভোএয়ারের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের পরিচালক সোহেল মজিদ জানান, তারা নতুন টার্মিনালে যাত্রী পরিচালনার জন্য সফলভাবে ট্রায়াল সম্পন্ন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় গলফ কার্ট মোতায়েনসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরুর পরিকল্পনা সম্পর্কে বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের পরই আগামী মাসে এখান থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রা উদ্বোধন করা হবে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো সমুদ্রশহরটিকে সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের আওতায় আনা। আশা করা হচ্ছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাশাপাশি বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোও এখানে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। সরকরের প্রত্যাশা, সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ কক্সবাজারে আরো বেশি বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে এবং হোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করবে।

আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শুরু হলে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় একটি হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করা হবে। বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস ও পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মাহবুব খান জানান, আন্তর্জাতিক আগমন ও বহির্গমন যাত্রীরা নতুন টার্মিনাল ব্যবহার করবেন। তবে অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন আসবে। অভ্যন্তরীণ বহির্গমনকারীরা নতুন টার্মিনালে চেক-ইন করার পর বোর্ডিংয়ের জন্য পুরনো টার্মিনালে যাবেন, আর আগমনকারী যাত্রীরা পুরনো টার্মিনালই ব্যবহার করবেন।

বিমানবন্দরটির উন্নয়নে ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটার আয়তনের এই নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। টার্মিনালটিতে ৪৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতার ডিপার্চার লাউঞ্জ, শুল্কমুক্ত দোকান, বোর্ডিং ব্রিজ, লিফট, এসকেলেটর, কনভেয়ার বেল্ট ও আধুনিক ইমিগ্রেশন সুবিধা রয়েছে। বহির্গমন ও আগমন উভয় ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং লাগেজ ডেলিভারি বেল্ট স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে ফ্লাইট ইনফরমেশন ডিসপ্লে সিস্টেম, সাইনেজ, সিসিটিভি এবং উন্নত স্ক্যানিং প্রযুক্তির সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দর বাংলাদেশের অন্যতম ব্যস্ত অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর, যেখান থেকে প্রতিদিন ২৮ থেকে ৩০টি উড়োজাহাজ চলাচল করে। নতুন অবকাঠামো ও টার্মিনাল উদ্বোধনের ফলে এর বার্ষিক যাত্রী ধারণক্ষমতা ৭ লাখ ৩০ হাজার থেকে বেড়ে ১৮ লাখে উন্নীত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর বড় অংশ হলো রানওয়ে সম্প্রসারণ। সমুদ্রের বুক থেকে ৪৩ হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করে রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৯ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে, যা এখন দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে। এই রানওয়ে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর এবং বোয়িং ৭৪৭-৪০০ এর মতো ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রকল্পের আওতায় সমুদ্রের দিকে সম্প্রসারিত প্রায় ২ হাজার ২০০ ফুট প্রিসিশন অ্যাপ্রোচ লাইটিং এবং নিরাপদ উড়োজাহাজ পরিচালনার সুবিধার্থে একটি ক্যাট-টু এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।

এই রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয় ৩ হাজার ৭০৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৭৯৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। চীনা যৌথ উদ্যোগ সিওয়াইডব্লিউইবি-সিসিইসিসি জেভি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। এছাড়া বিমানবন্দরে দু’টি ওয়াইড-বডি এবং তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ রাখার সুবিধাসহ ৩৬ হাজার ৩০০ বর্গমিটারের অ্যাপ্রন ও ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

নিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় এখানে ১ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ, নিরাপত্তা বেড়া এবং ৮ হাজার ১৪৯ মিটার দীর্ঘ ড্রেনেজ সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ভিআইপিদের জন্য ৩৫টি এবং সাধারণের জন্য ৯০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আইসিএও সনদপ্রাপ্ত এই বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ স্থাপনে এবং পর্যটনশিল্পের বিনিয়োগে বড় ভূমিকা রাখবে বলে সরকার মনে করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা মুশতাক খান

আগামী সপ্তাহে খুলছে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল

আপডেট সময় ১১:৪১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনালটি আগামী সপ্তাহ থেকেই অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। অক্টোবরে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম শুরুর আগে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে কক্সবাজার বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানের এয়ারপোর্টে পরিণত হওয়ার পথে বড় মাইলফলক স্পর্শ করল।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক জানিয়েছেন, নতুন টার্মিনালটি অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের আগমন ও বহির্গমনের কাজে ব্যবহার করা হবে। গত বুধবার তিনি বিমানবন্দরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো যাত্রী ব্যবস্থাপনা নতুন টার্মিনালে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে তিনি জানান।

প্রাথমিক পর্যায়ে বিমান ও টার্মিনাল ভবনের মাঝে যাত্রী আনা-নেওয়ার জন্য গলফ কার্ট ব্যবহার করা হবে। নভোএয়ারের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের পরিচালক সোহেল মজিদ জানান, তারা নতুন টার্মিনালে যাত্রী পরিচালনার জন্য সফলভাবে ট্রায়াল সম্পন্ন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় গলফ কার্ট মোতায়েনসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরুর পরিকল্পনা সম্পর্কে বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের পরই আগামী মাসে এখান থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রা উদ্বোধন করা হবে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো সমুদ্রশহরটিকে সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের আওতায় আনা। আশা করা হচ্ছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাশাপাশি বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোও এখানে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। সরকরের প্রত্যাশা, সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ কক্সবাজারে আরো বেশি বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে এবং হোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করবে।

আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শুরু হলে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় একটি হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করা হবে। বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস ও পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মাহবুব খান জানান, আন্তর্জাতিক আগমন ও বহির্গমন যাত্রীরা নতুন টার্মিনাল ব্যবহার করবেন। তবে অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন আসবে। অভ্যন্তরীণ বহির্গমনকারীরা নতুন টার্মিনালে চেক-ইন করার পর বোর্ডিংয়ের জন্য পুরনো টার্মিনালে যাবেন, আর আগমনকারী যাত্রীরা পুরনো টার্মিনালই ব্যবহার করবেন।

বিমানবন্দরটির উন্নয়নে ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটার আয়তনের এই নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। টার্মিনালটিতে ৪৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতার ডিপার্চার লাউঞ্জ, শুল্কমুক্ত দোকান, বোর্ডিং ব্রিজ, লিফট, এসকেলেটর, কনভেয়ার বেল্ট ও আধুনিক ইমিগ্রেশন সুবিধা রয়েছে। বহির্গমন ও আগমন উভয় ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং লাগেজ ডেলিভারি বেল্ট স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে ফ্লাইট ইনফরমেশন ডিসপ্লে সিস্টেম, সাইনেজ, সিসিটিভি এবং উন্নত স্ক্যানিং প্রযুক্তির সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দর বাংলাদেশের অন্যতম ব্যস্ত অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর, যেখান থেকে প্রতিদিন ২৮ থেকে ৩০টি উড়োজাহাজ চলাচল করে। নতুন অবকাঠামো ও টার্মিনাল উদ্বোধনের ফলে এর বার্ষিক যাত্রী ধারণক্ষমতা ৭ লাখ ৩০ হাজার থেকে বেড়ে ১৮ লাখে উন্নীত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর বড় অংশ হলো রানওয়ে সম্প্রসারণ। সমুদ্রের বুক থেকে ৪৩ হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করে রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৯ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে, যা এখন দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে। এই রানওয়ে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর এবং বোয়িং ৭৪৭-৪০০ এর মতো ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রকল্পের আওতায় সমুদ্রের দিকে সম্প্রসারিত প্রায় ২ হাজার ২০০ ফুট প্রিসিশন অ্যাপ্রোচ লাইটিং এবং নিরাপদ উড়োজাহাজ পরিচালনার সুবিধার্থে একটি ক্যাট-টু এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।

এই রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয় ৩ হাজার ৭০৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৭৯৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। চীনা যৌথ উদ্যোগ সিওয়াইডব্লিউইবি-সিসিইসিসি জেভি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। এছাড়া বিমানবন্দরে দু’টি ওয়াইড-বডি এবং তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ রাখার সুবিধাসহ ৩৬ হাজার ৩০০ বর্গমিটারের অ্যাপ্রন ও ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

নিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় এখানে ১ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ, নিরাপত্তা বেড়া এবং ৮ হাজার ১৪৯ মিটার দীর্ঘ ড্রেনেজ সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ভিআইপিদের জন্য ৩৫টি এবং সাধারণের জন্য ৯০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আইসিএও সনদপ্রাপ্ত এই বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ স্থাপনে এবং পর্যটনশিল্পের বিনিয়োগে বড় ভূমিকা রাখবে বলে সরকার মনে করছে।