ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ, ইসরাইলি সেনার বিরুদ্ধে তদন্ত ব্রাজিলের একটি আদালত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত এক ইসরাইলি সেনার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ব্রাজিলের একটি আদালত। বর্তমানে ওই সেনা ব্রাজিলে পর্যটক হিসেবে আছেন। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

গত সপ্তাহে ওই ইসরাইলি সেনার বিরুদ্ধে হিন্দ রজব ফাউন্ডেশন (এইচআরএফ) নামের একটি সংস্থা অভিযোগ করেছিল।

উল্লেখ্য, এইচআরএফ হলো এমন একটি সংস্থা যা ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতার পক্ষে সমর্থন করে।

এইচআরএফ অভিযোগ করেছিল, সন্দেহভাযন ইসরাইলি সেনা বর্তমানে একজন পর্যটক হিসেবে ব্রাজিলে রয়েছে। তিনি গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক প্রচারণার অংশ হিসেবে বেসামরিকদের বাড়িঘর ভেঙে ফেলেন।

এইচআরএফ আইনজীবী মাইরা পিনহেইরো বলেছেন, ‘এই ব্যক্তি সক্রিয়ভাবে বাড়িঘর ও জীবিকা ধ্বংসের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ’ গাজায় তার ঘরবাড়ি ভাঙার ভিডিও ও ছবির প্রমাণ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এই অভিযোগর প্রেক্ষিতে ইসরাইলি ওই সেনার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন আদালত। আদালতের নির্দেশকে ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে এইচআরএফ।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দাকে বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছে। আর অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাজায় প্রায় ৪৬ হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ, ইসরাইলি সেনার বিরুদ্ধে তদন্ত ব্রাজিলের একটি আদালত

আপডেট সময় ০১:১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত এক ইসরাইলি সেনার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ব্রাজিলের একটি আদালত। বর্তমানে ওই সেনা ব্রাজিলে পর্যটক হিসেবে আছেন। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

গত সপ্তাহে ওই ইসরাইলি সেনার বিরুদ্ধে হিন্দ রজব ফাউন্ডেশন (এইচআরএফ) নামের একটি সংস্থা অভিযোগ করেছিল।

উল্লেখ্য, এইচআরএফ হলো এমন একটি সংস্থা যা ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতার পক্ষে সমর্থন করে।

এইচআরএফ অভিযোগ করেছিল, সন্দেহভাযন ইসরাইলি সেনা বর্তমানে একজন পর্যটক হিসেবে ব্রাজিলে রয়েছে। তিনি গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক প্রচারণার অংশ হিসেবে বেসামরিকদের বাড়িঘর ভেঙে ফেলেন।

এইচআরএফ আইনজীবী মাইরা পিনহেইরো বলেছেন, ‘এই ব্যক্তি সক্রিয়ভাবে বাড়িঘর ও জীবিকা ধ্বংসের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ’ গাজায় তার ঘরবাড়ি ভাঙার ভিডিও ও ছবির প্রমাণ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এই অভিযোগর প্রেক্ষিতে ইসরাইলি ওই সেনার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন আদালত। আদালতের নির্দেশকে ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে এইচআরএফ।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দাকে বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছে। আর অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাজায় প্রায় ৪৬ হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি।