ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

গাজার চিকিৎসক আবু সাফিয়ার মুক্তি দাবি করেছে জাতিসংঘ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। =একইসঙ্গে হাসপাতালটির পরিচালক হুসাম আবু সাফিয়ার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে সংস্থাটি।

গত শনিবার হাসপাতালটি ইসরাইলি সামরিক বাহিনী পুড়িয়ে দেয়। এমনিতেই অবরুদ্ধ উপত্যকায় চিকিৎসাসেবা সীমিত, সেখানে ইসরাইলি সেনাদের জোরপূর্বক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হতবাক করে তোলে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগী মুখপাত্র ফ্লোরেন্সিয়া সোটো নিনো এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি আমরা বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামো, এবং হাসপাতালগুলোকে লক্ষ্য করে যে কোনও পদক্ষেপের নিন্দা করি। আমরা বারবার রোগীদের সম্মান করার জন্য আহ্বান জানিয়েছি, কারণ এটি একটি নিরাপদ স্থান যেখানে লোকেরা চিকিৎসা সহায়তা নিতে যায়।

গাজায় কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে ইসরাইলের আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে নিনো বলেন, নিরাপরাধ নাগরিক যে অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে তাকে আটক করা উচিত নয়। আমি মনে করি আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে কথা বলে আসছি, গাজায় কোন নিরাপদ স্থান নেই।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ পরিচালকসহ বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার কাজকে সমর্থন করবে এমন যেকোনো ব্যক্তির সাথে কাজ করতে প্রস্তুত।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) উদ্ধৃতি দিয়ে নিনো বলেছেন, (কামাল আদওয়ান) হাসপাতাল থেকে ১০ জন রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজনকে চেকপয়েন্টে ইসরাইলি বাহিনী গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, ১৫ জন পরিচর্যাকারী এবং স্বাস্থ্যকর্মীসহ সাতজন রোগী এই হাসপাতালে রয়ে গেছে, যা এখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এখন হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। পানি, বিদ্যুৎ বা স্যানিটেশনও ভেঙে পড়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

গাজার চিকিৎসক আবু সাফিয়ার মুক্তি দাবি করেছে জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। =একইসঙ্গে হাসপাতালটির পরিচালক হুসাম আবু সাফিয়ার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে সংস্থাটি।

গত শনিবার হাসপাতালটি ইসরাইলি সামরিক বাহিনী পুড়িয়ে দেয়। এমনিতেই অবরুদ্ধ উপত্যকায় চিকিৎসাসেবা সীমিত, সেখানে ইসরাইলি সেনাদের জোরপূর্বক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হতবাক করে তোলে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগী মুখপাত্র ফ্লোরেন্সিয়া সোটো নিনো এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি আমরা বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামো, এবং হাসপাতালগুলোকে লক্ষ্য করে যে কোনও পদক্ষেপের নিন্দা করি। আমরা বারবার রোগীদের সম্মান করার জন্য আহ্বান জানিয়েছি, কারণ এটি একটি নিরাপদ স্থান যেখানে লোকেরা চিকিৎসা সহায়তা নিতে যায়।

গাজায় কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে ইসরাইলের আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে নিনো বলেন, নিরাপরাধ নাগরিক যে অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে তাকে আটক করা উচিত নয়। আমি মনে করি আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে কথা বলে আসছি, গাজায় কোন নিরাপদ স্থান নেই।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ পরিচালকসহ বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার কাজকে সমর্থন করবে এমন যেকোনো ব্যক্তির সাথে কাজ করতে প্রস্তুত।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) উদ্ধৃতি দিয়ে নিনো বলেছেন, (কামাল আদওয়ান) হাসপাতাল থেকে ১০ জন রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজনকে চেকপয়েন্টে ইসরাইলি বাহিনী গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, ১৫ জন পরিচর্যাকারী এবং স্বাস্থ্যকর্মীসহ সাতজন রোগী এই হাসপাতালে রয়ে গেছে, যা এখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এখন হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। পানি, বিদ্যুৎ বা স্যানিটেশনও ভেঙে পড়েছে।