ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

গাজার চিকিৎসক আবু সাফিয়ার মুক্তি দাবি করেছে জাতিসংঘ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। =একইসঙ্গে হাসপাতালটির পরিচালক হুসাম আবু সাফিয়ার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে সংস্থাটি।

গত শনিবার হাসপাতালটি ইসরাইলি সামরিক বাহিনী পুড়িয়ে দেয়। এমনিতেই অবরুদ্ধ উপত্যকায় চিকিৎসাসেবা সীমিত, সেখানে ইসরাইলি সেনাদের জোরপূর্বক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হতবাক করে তোলে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগী মুখপাত্র ফ্লোরেন্সিয়া সোটো নিনো এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি আমরা বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামো, এবং হাসপাতালগুলোকে লক্ষ্য করে যে কোনও পদক্ষেপের নিন্দা করি। আমরা বারবার রোগীদের সম্মান করার জন্য আহ্বান জানিয়েছি, কারণ এটি একটি নিরাপদ স্থান যেখানে লোকেরা চিকিৎসা সহায়তা নিতে যায়।

গাজায় কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে ইসরাইলের আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে নিনো বলেন, নিরাপরাধ নাগরিক যে অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে তাকে আটক করা উচিত নয়। আমি মনে করি আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে কথা বলে আসছি, গাজায় কোন নিরাপদ স্থান নেই।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ পরিচালকসহ বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার কাজকে সমর্থন করবে এমন যেকোনো ব্যক্তির সাথে কাজ করতে প্রস্তুত।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) উদ্ধৃতি দিয়ে নিনো বলেছেন, (কামাল আদওয়ান) হাসপাতাল থেকে ১০ জন রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজনকে চেকপয়েন্টে ইসরাইলি বাহিনী গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, ১৫ জন পরিচর্যাকারী এবং স্বাস্থ্যকর্মীসহ সাতজন রোগী এই হাসপাতালে রয়ে গেছে, যা এখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এখন হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। পানি, বিদ্যুৎ বা স্যানিটেশনও ভেঙে পড়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

গাজার চিকিৎসক আবু সাফিয়ার মুক্তি দাবি করেছে জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। =একইসঙ্গে হাসপাতালটির পরিচালক হুসাম আবু সাফিয়ার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে সংস্থাটি।

গত শনিবার হাসপাতালটি ইসরাইলি সামরিক বাহিনী পুড়িয়ে দেয়। এমনিতেই অবরুদ্ধ উপত্যকায় চিকিৎসাসেবা সীমিত, সেখানে ইসরাইলি সেনাদের জোরপূর্বক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হতবাক করে তোলে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগী মুখপাত্র ফ্লোরেন্সিয়া সোটো নিনো এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি আমরা বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামো, এবং হাসপাতালগুলোকে লক্ষ্য করে যে কোনও পদক্ষেপের নিন্দা করি। আমরা বারবার রোগীদের সম্মান করার জন্য আহ্বান জানিয়েছি, কারণ এটি একটি নিরাপদ স্থান যেখানে লোকেরা চিকিৎসা সহায়তা নিতে যায়।

গাজায় কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে ইসরাইলের আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে নিনো বলেন, নিরাপরাধ নাগরিক যে অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে তাকে আটক করা উচিত নয়। আমি মনে করি আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে কথা বলে আসছি, গাজায় কোন নিরাপদ স্থান নেই।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ পরিচালকসহ বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার কাজকে সমর্থন করবে এমন যেকোনো ব্যক্তির সাথে কাজ করতে প্রস্তুত।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) উদ্ধৃতি দিয়ে নিনো বলেছেন, (কামাল আদওয়ান) হাসপাতাল থেকে ১০ জন রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজনকে চেকপয়েন্টে ইসরাইলি বাহিনী গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, ১৫ জন পরিচর্যাকারী এবং স্বাস্থ্যকর্মীসহ সাতজন রোগী এই হাসপাতালে রয়ে গেছে, যা এখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এখন হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। পানি, বিদ্যুৎ বা স্যানিটেশনও ভেঙে পড়েছে।