ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অপরাধে মোহাম্মদ সালাম নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মোস্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

মামলার নথি ও তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় অপহরণ করে আসামি মোহাম্মদ সালাম (২৫)। পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ভুয়া বিয়ের কাবিননামা বানিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরে স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. হারুন অর রশীদ দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মেডিকেল রিপোর্টে ধস্তাধস্তির চিহ্ন না থাকলেও ভিকটিমের বয়স ১৬ বছরের কম হওয়ায় এবং সম্মতিবিহীন যৌন সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত এ কঠোর রায় প্রদান করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৬:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অপরাধে মোহাম্মদ সালাম নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মোস্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

মামলার নথি ও তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় অপহরণ করে আসামি মোহাম্মদ সালাম (২৫)। পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ভুয়া বিয়ের কাবিননামা বানিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরে স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. হারুন অর রশীদ দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মেডিকেল রিপোর্টে ধস্তাধস্তির চিহ্ন না থাকলেও ভিকটিমের বয়স ১৬ বছরের কম হওয়ায় এবং সম্মতিবিহীন যৌন সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত এ কঠোর রায় প্রদান করেন।