ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইবিএম-এর নতুন কোয়ান্টাম চিপ

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (আইবিএম) নতুন কোয়ান্টাম চিপ তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, আগামী দুই বছরের মধ্যে সক্ষমতার দিক থেকে ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারকে পেছনে ফেলবে কোয়ান্টাম চিপ প্রযুক্তি। আইবিএম জানিয়েছে, তাদের নতুন ‘ইগল’ কম্পিউটিং চিপে ১২৭টি ‘কিউবিটস’ রয়েছে, যা তথ্যকে কোয়ান্টাম কাঠামোতে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, ক্লাসিক্যাল কম্পিউটার ‘বিটস’ ব্যবহার করে কাজ করে যাকে হয় ১ নয়তো ০ হতে হয়। কিন্তু কিউবিট একই সঙ্গে ১ ও ০ দুটিই হতে পারে। ইগল চিপে একশরও বেশি কিউবিট রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিবেদন বলছে, কিউবিট তৈরি করা অত্যন্ত কঠিন এবং এটিকে ঠিকমতো পরিচালনা করতে বড় মাপের ‘ক্রায়োজেনিক রেফ্রিজারেটরের’ প্রয়োজন পড়ে। আইবিএম বলছে, প্রতিষ্ঠানটি নতুন চিপ নির্মাণ থেকে যা শিখেছে তার সঙ্গে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের রেফ্রিজারেশন ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার সমন্বয় করলে, একপর্যায়ে আরও বেশি কিউবিট উৎপন্ন করা সম্ভব হবে। ২০২২ নাগাদ ৪৩৩ কিউবিটের ‘অসপ্রে’ চিপ এবং এক হাজার ১২১ কিউবিটের ‘কন্ডোর’ চিপ তৈরির পরিকল্পনার রয়েছে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের ভাষ্যে, ওই পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি ‘কোয়ান্টাম সুফলের’ কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। মূলত ওই পর্যায়েই ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারকে পেছনে ফেলবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইবিএম-এর নতুন কোয়ান্টাম চিপ

আপডেট সময় ০৯:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (আইবিএম) নতুন কোয়ান্টাম চিপ তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, আগামী দুই বছরের মধ্যে সক্ষমতার দিক থেকে ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারকে পেছনে ফেলবে কোয়ান্টাম চিপ প্রযুক্তি। আইবিএম জানিয়েছে, তাদের নতুন ‘ইগল’ কম্পিউটিং চিপে ১২৭টি ‘কিউবিটস’ রয়েছে, যা তথ্যকে কোয়ান্টাম কাঠামোতে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, ক্লাসিক্যাল কম্পিউটার ‘বিটস’ ব্যবহার করে কাজ করে যাকে হয় ১ নয়তো ০ হতে হয়। কিন্তু কিউবিট একই সঙ্গে ১ ও ০ দুটিই হতে পারে। ইগল চিপে একশরও বেশি কিউবিট রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিবেদন বলছে, কিউবিট তৈরি করা অত্যন্ত কঠিন এবং এটিকে ঠিকমতো পরিচালনা করতে বড় মাপের ‘ক্রায়োজেনিক রেফ্রিজারেটরের’ প্রয়োজন পড়ে। আইবিএম বলছে, প্রতিষ্ঠানটি নতুন চিপ নির্মাণ থেকে যা শিখেছে তার সঙ্গে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের রেফ্রিজারেশন ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার সমন্বয় করলে, একপর্যায়ে আরও বেশি কিউবিট উৎপন্ন করা সম্ভব হবে। ২০২২ নাগাদ ৪৩৩ কিউবিটের ‘অসপ্রে’ চিপ এবং এক হাজার ১২১ কিউবিটের ‘কন্ডোর’ চিপ তৈরির পরিকল্পনার রয়েছে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের ভাষ্যে, ওই পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি ‘কোয়ান্টাম সুফলের’ কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। মূলত ওই পর্যায়েই ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারকে পেছনে ফেলবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার।