ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বিদ্রোহীপ্রার্থীর বাড়িতে হামলা, আহত ৭

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাবনার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীপ্রার্থী মো. তৈয়ব আলী শেখের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (০৬ নভেম্বর) বিকেলে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা এই হামলা চালায়।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আগামী ১১ নভেম্বর সুজানগরের ১০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দফার এ নির্বাচনে সাগরকান্দি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তৈয়ব আলী। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতিও।

তৈয়ব আলী বলেন, আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহীন চৌধুরীর নির্দেশে তার সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমার নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। বাড়িতেও আগুন দিয়েছিল। আমি প্রাণ ভয়ে পালিয়ে গিয়েছি। প্রতিবেশীরা সেই আগুন নিভিয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আমাকে সরিয়ে দিতে চায়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নির্বাচনী পরিবেশ ঠিক রাখতে হবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে চেয়ারম্যান হলে সাধারণ মানুষ সেটা মেনে নেবে না।

অভিযোগের বিষয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহীন চৌধুরী বলেন, আমার কোনো নেতাকর্মী এ কাজ করেনি। নিজের পক্ষে সমর্থন বাড়াতে তারা নিজেরা এ কাজ করেছে। তারা উল্টো আমার নির্বাচনী মিছিলের ওপর হামলা চালিয়েছে, গুলি বর্ষণ করেছে। এখন আমার নামে মিথ্যা বলা হচ্ছে। আমরা নিজেদের মতো প্রচারণা চালাচ্ছি। নির্বাচনে তৈয়ব আলীর পক্ষে কোনো সমর্থন নেই। জামায়াত-বিএনপির মদদে তিনি নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। সাধারণ মানুষ ভোটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে।

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী বলেন, উভয়পক্ষের নির্বাচনী মিছিল মুখোমুখি হওয়াতে এই সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়িঘরেও হামলা হয়েছে। উভয়পক্ষের সমর্থকরা আহত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন ঘিরে কোনো প্রকারের সহিংসতা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান ওসি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিদ্রোহীপ্রার্থীর বাড়িতে হামলা, আহত ৭

আপডেট সময় ০১:২১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাবনার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীপ্রার্থী মো. তৈয়ব আলী শেখের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (০৬ নভেম্বর) বিকেলে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা এই হামলা চালায়।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আগামী ১১ নভেম্বর সুজানগরের ১০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দফার এ নির্বাচনে সাগরকান্দি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তৈয়ব আলী। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতিও।

তৈয়ব আলী বলেন, আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহীন চৌধুরীর নির্দেশে তার সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমার নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। বাড়িতেও আগুন দিয়েছিল। আমি প্রাণ ভয়ে পালিয়ে গিয়েছি। প্রতিবেশীরা সেই আগুন নিভিয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আমাকে সরিয়ে দিতে চায়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নির্বাচনী পরিবেশ ঠিক রাখতে হবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে চেয়ারম্যান হলে সাধারণ মানুষ সেটা মেনে নেবে না।

অভিযোগের বিষয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহীন চৌধুরী বলেন, আমার কোনো নেতাকর্মী এ কাজ করেনি। নিজের পক্ষে সমর্থন বাড়াতে তারা নিজেরা এ কাজ করেছে। তারা উল্টো আমার নির্বাচনী মিছিলের ওপর হামলা চালিয়েছে, গুলি বর্ষণ করেছে। এখন আমার নামে মিথ্যা বলা হচ্ছে। আমরা নিজেদের মতো প্রচারণা চালাচ্ছি। নির্বাচনে তৈয়ব আলীর পক্ষে কোনো সমর্থন নেই। জামায়াত-বিএনপির মদদে তিনি নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। সাধারণ মানুষ ভোটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে।

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী বলেন, উভয়পক্ষের নির্বাচনী মিছিল মুখোমুখি হওয়াতে এই সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়িঘরেও হামলা হয়েছে। উভয়পক্ষের সমর্থকরা আহত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন ঘিরে কোনো প্রকারের সহিংসতা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান ওসি।