ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ফেসবুক আসক্তি, বাবা-মা বকা দেয়ায় মেয়ের আত্মহত্যা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পড়াশোনার ধারে-কাছে নেই। নেই নাওয়া-খাওয়ায় মন। দিনরাত ফেসবুক, হোয়াট্‌সঅ্যাপ। কলেজছাত্রী মেয়ের এমন অবস্থা মানতে পারছিলেন না বাবা-মা। মেয়েকে শুধরাতে বকা দিয়েছেন তারা।

কিন্তু বাবা-মায়ের বকা খেয়ে মেয়ে এমন কাণ্ড ঘটাবে তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি তারা। গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল মেয়ে! শুক্রবার রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ছব্বিশ পরগনার হাবরার মনসাবাড়ির নতুনগ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর নাম মাম্পি দাস (১৮)। মাম্পি হাবরারই কামিনিকুমার গার্লস স্কুলে পড়তো। পুলিশ এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর একটি মামলা রুজু করেছে। মাম্পির বাবা বিকাশ দাস জানান, ইদানীং একেবারেই পড়াশোনায় মন ছিল না মাম্পির। সবসময় ফেসবুক এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপেই পড়ে থাকতো। এ নিয়ে দিনরাত তাকে বকাবকিও করতেন তারা।

শুক্রবার বৌমাকে আনতে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় ওই একই কারণে মাম্পিকে বকাবকি করেন তার বাবা-মা। মাম্পি অবশ্য চুপচাপই ছিল। এই বকাবকির প্রত্যুত্তরে কিছু বলেনি।

রাতে বাড়ি ফিরে মাম্পির ঘরে দিকে যেতেই হতভম্ব হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাম্পির দেহ সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছিল। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু বাঁচানো যায়নি। মাম্পির স্কুলের বন্ধুরা জানিয়েছে, একটি বা দু’টি নয়, একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ছিল তার।

শুধু বকাবকি করাতেই মাম্পি এমন কাণ্ড ঘটাল নাকি এর পিছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সংকট না থাকলে রাস্তায় তেলের জন্য ৩ কিমি লম্বা লাইন কেন, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার

ফেসবুক আসক্তি, বাবা-মা বকা দেয়ায় মেয়ের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৩:৪২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পড়াশোনার ধারে-কাছে নেই। নেই নাওয়া-খাওয়ায় মন। দিনরাত ফেসবুক, হোয়াট্‌সঅ্যাপ। কলেজছাত্রী মেয়ের এমন অবস্থা মানতে পারছিলেন না বাবা-মা। মেয়েকে শুধরাতে বকা দিয়েছেন তারা।

কিন্তু বাবা-মায়ের বকা খেয়ে মেয়ে এমন কাণ্ড ঘটাবে তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি তারা। গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল মেয়ে! শুক্রবার রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ছব্বিশ পরগনার হাবরার মনসাবাড়ির নতুনগ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর নাম মাম্পি দাস (১৮)। মাম্পি হাবরারই কামিনিকুমার গার্লস স্কুলে পড়তো। পুলিশ এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর একটি মামলা রুজু করেছে। মাম্পির বাবা বিকাশ দাস জানান, ইদানীং একেবারেই পড়াশোনায় মন ছিল না মাম্পির। সবসময় ফেসবুক এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপেই পড়ে থাকতো। এ নিয়ে দিনরাত তাকে বকাবকিও করতেন তারা।

শুক্রবার বৌমাকে আনতে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় ওই একই কারণে মাম্পিকে বকাবকি করেন তার বাবা-মা। মাম্পি অবশ্য চুপচাপই ছিল। এই বকাবকির প্রত্যুত্তরে কিছু বলেনি।

রাতে বাড়ি ফিরে মাম্পির ঘরে দিকে যেতেই হতভম্ব হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাম্পির দেহ সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছিল। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু বাঁচানো যায়নি। মাম্পির স্কুলের বন্ধুরা জানিয়েছে, একটি বা দু’টি নয়, একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ছিল তার।

শুধু বকাবকি করাতেই মাম্পি এমন কাণ্ড ঘটাল নাকি এর পিছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।