আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :
তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ভর করে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে লিগ পর্ব শেষ করল রংপুর রাইডার্স।
রবিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রংপুরের অধিনায়ক লিটন দাস নোয়াখালীকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। সুযোগ পেয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেস বড় সংগ্রহ গড়ে, ইসাখিলের সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৭৩ রান করেন তারা।
তবে ১৭৩ রানও রংপুরকে থামাতে পারেনি নোয়াখালী। হাসান ইসাখিলের সেঞ্চুরির দিনে ম্যাচের ফল নির্ধারণ করেন তাওহীদ হৃদয়। হৃদয় ৬৩ বলে ১০৯ রান করে রংপুরকে সহজ জয়ের পথে এগিয়ে নেন। অন্যদিকে ইসাখিল অপরাজিত থাকেন ৭২ বলে ১০৭ রান।
রংপুর রাইডার্স নোয়াখালীকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে উঠে আসে।
রান তাড়ায় ডেভিড মালান ধীরে খেললেও হৃদয় দলের প্রয়োজনীয় গতিবেগ বজায় রাখেন। চতুর্থ ওভারের শুরুতেই হাত খুলে খেলতে শুরু করেন তিনি। মুশফিক হাসানের ওভারে ১৬ রান তুলে নেন রংপুর ওপেনার। ওই সময়ে ২টি চার ও ১টি ছয়ে ২৭ বলেই পূর্ণ করেন হাফসেঞ্চুরি।
নবম ওভারে মালান আউট হন ১৭ বলে ১৫ রান করে; এরপর হৃদয়ের সঙ্গে যোগ দেন লিটন কুমার দাস। ৫৭ বলে ১৪ চার ও ২ ছয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। জয় থেকে মাত্র ৯ রান দূরে থাকতে আউট হন হৃদয়, ৬৩ বলের ইনিংসে ১৫টি চার ও ২টি ছয়ের মার হাঁকিয়ে।
এই ইনিংসের সঙ্গে হৃদয়ের নাম হয় এই বিপিএল আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে। ১০ ইনিংসে ১৩৯.৪৮ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৩৭৮ রান। মালান, পারভেজ হোসেন ইমন ও নাজমুল হোসেন শান্তকে পেছনে ফেলে হৃদয় শীর্ষে অবস্থান করে। শান্ত ও ইমন দুইজনই রয়েছে ৩২৯ রান নিয়ে রান তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। আজকের ১৫ রানের ইনিংসের পর মালানের মোট রান দাঁড়ায় ২৯৬।
হৃদয়ের বিপরীতে ইসাখিলের ৪২ রানের মতোই রংপুরের পক্ষে লিটন কুমার দাস খেলেন ৩৫ বলে ৩৯ রান। হৃদয়ের সঙ্গে ৮৭ রানের জুটি গড়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি এবং ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়েন। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ১টি ছয়ের মার।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















