ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৯০ হাজার কিমি গতিতে ছুটবে বুর্জ খলিফার সমান গ্রহাণু!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

রবিবারই ঘটতে চলেছে এক মহাজাগতিক ঘটনা। তারই আগাম বার্তা দিয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। রবিবার কার্যত সেই মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে পৃথিবী। এক বিশাল আকারের গ্রহাণু চলে যাবে পৃথিবী ঘেঁষে, যা নাকি দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার আকারের সমান। ঘণ্টায় ৯০,১২৪ কিমি গতিতে গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে বলে জানিয়েছে নাসা।

গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘১৫৩২০১ ২০০০ ডব্লিউ ও ১০৭’। সাধারণত পৃথিবীর কক্ষপথে এত বড় আকারের কোনও গ্রহাণু এলে বিপদের আশঙ্কা থাকে। তবে কী এবার সত্যিই কোনও ভয়? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই গ্রহাণুর ফলে পৃথিবীর কোনও বিপদের আশঙ্কা নেই।

নাসা সূত্রে খবর, পৃথিবী থেকে ৪,৩০২,৭৭৫ কিমি দূর দিয়ে চলে যাবে গ্রহাণুটি। এটির আকার ১২,০০০ থেকে ২৫,৭০০ ফুটের মধ্যে। ব্যাস ২,৬৯০ ফুটের মতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো প্রদেশে এই গ্রহাণু আবিষ্কার করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তবে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথ দিয়ে গেলেও, সেটিকে খালি চোখে দেখা যাবে না বলেই নাসা সূত্রে খবর। তবে ছোট টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখা যেতে পারে।

নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহাকাশে এখনও পর্যন্ত ১,০৩১,৪৮৮টি গ্রহাণু তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগৎ তৈরি হওয়ার শুরুর দিকে এই পাথুরে, বাতাসহীন গ্রহাণুগুলো তৈরি হয়। এই গ্রহাণুগুলো পৃথিবীর কক্ষপথে এলে কিছুটা প্রভাব ফেলেই। তবে এবার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছে নাসা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৯০ হাজার কিমি গতিতে ছুটবে বুর্জ খলিফার সমান গ্রহাণু!

আপডেট সময় ১০:০১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

রবিবারই ঘটতে চলেছে এক মহাজাগতিক ঘটনা। তারই আগাম বার্তা দিয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। রবিবার কার্যত সেই মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে পৃথিবী। এক বিশাল আকারের গ্রহাণু চলে যাবে পৃথিবী ঘেঁষে, যা নাকি দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার আকারের সমান। ঘণ্টায় ৯০,১২৪ কিমি গতিতে গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে বলে জানিয়েছে নাসা।

গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘১৫৩২০১ ২০০০ ডব্লিউ ও ১০৭’। সাধারণত পৃথিবীর কক্ষপথে এত বড় আকারের কোনও গ্রহাণু এলে বিপদের আশঙ্কা থাকে। তবে কী এবার সত্যিই কোনও ভয়? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই গ্রহাণুর ফলে পৃথিবীর কোনও বিপদের আশঙ্কা নেই।

নাসা সূত্রে খবর, পৃথিবী থেকে ৪,৩০২,৭৭৫ কিমি দূর দিয়ে চলে যাবে গ্রহাণুটি। এটির আকার ১২,০০০ থেকে ২৫,৭০০ ফুটের মধ্যে। ব্যাস ২,৬৯০ ফুটের মতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো প্রদেশে এই গ্রহাণু আবিষ্কার করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তবে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথ দিয়ে গেলেও, সেটিকে খালি চোখে দেখা যাবে না বলেই নাসা সূত্রে খবর। তবে ছোট টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখা যেতে পারে।

নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহাকাশে এখনও পর্যন্ত ১,০৩১,৪৮৮টি গ্রহাণু তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগৎ তৈরি হওয়ার শুরুর দিকে এই পাথুরে, বাতাসহীন গ্রহাণুগুলো তৈরি হয়। এই গ্রহাণুগুলো পৃথিবীর কক্ষপথে এলে কিছুটা প্রভাব ফেলেই। তবে এবার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছে নাসা।