ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

‘ঘণীভূত মেঘ সরাতে’ আরো সুবিধা চায় বিজিএমইএ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পোশাক কারখানা মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় আরো প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধা চেয়েছে। সোমবার ‘কোভিড-পূর্ববর্তী এবং চলমান কোভিড পরিস্থিতিতে পোশাক শিল্পের বাস্তবতা’ শিরোনামে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ড. রুবানা হক এ দাবি জানান।

সংগঠনটি মনে করছে, লাখ লাখ শ্রমিকের এই শিল্পকে যাতে কোনোভাবে বিপর্যয়ের সম্মুখীন না হতে হয় সে জন্য তাদের এই প্রণোদনা প্রয়োজন। গত মার্চে দেশে করোনা আঘাত হানে। তখন সরকারের পক্ষ থেকে ২ শতাংশ সুদে ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়। পরে তা বৃদ্ধি করে এপ্রিল-জুলাই মাসের শ্রমিকের বেতনের সব টাকার ব্যবস্থা করা হয়।

এছাড়া বড় শিল্পের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য আরো ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ তহবিল ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রণোদনার অধিকাংশ অর্থই পোশাক খাতে বণ্টন হয়েছে।

প্রণোদনা বলতে ঠিক কী চাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক বলেন, যে ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল সেগুলোর মেয়াদ ২ বছরের স্থলে ৫ বছর করা হোক। গ্রেস পিরিয়ড ৬ মাসের পরিবর্তে ১ বছর করুক। এছাড়া আমাদের একটি নীতি সহায়তা খুব প্রয়োজন। আবার অনেক ক্রেতা দেউলিয়া ঘোষণা করায় পেমেন্ট আটকে গেছে। সে ক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা চাচ্ছি।

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় ক্রয়াদেশ বাতিল হয়নি। এরপরও কেন প্রণোদনা চাওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়নি ঠিকই। কিন্তু গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ হারে ক্রয়াদেশ কমেছে। পণ্যের দাম কমেছে। এ জন্য প্রণোদনার প্রয়োজন। আমরা সেটা আবার ফেরত দিয়ে দেব। শুধু টিকে থাকার জন্য এগুলো চাচ্ছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে ফের ‘পান্ডা কূটনীতি’ চীনের

‘ঘণীভূত মেঘ সরাতে’ আরো সুবিধা চায় বিজিএমইএ

আপডেট সময় ১১:০৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পোশাক কারখানা মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় আরো প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধা চেয়েছে। সোমবার ‘কোভিড-পূর্ববর্তী এবং চলমান কোভিড পরিস্থিতিতে পোশাক শিল্পের বাস্তবতা’ শিরোনামে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ড. রুবানা হক এ দাবি জানান।

সংগঠনটি মনে করছে, লাখ লাখ শ্রমিকের এই শিল্পকে যাতে কোনোভাবে বিপর্যয়ের সম্মুখীন না হতে হয় সে জন্য তাদের এই প্রণোদনা প্রয়োজন। গত মার্চে দেশে করোনা আঘাত হানে। তখন সরকারের পক্ষ থেকে ২ শতাংশ সুদে ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়। পরে তা বৃদ্ধি করে এপ্রিল-জুলাই মাসের শ্রমিকের বেতনের সব টাকার ব্যবস্থা করা হয়।

এছাড়া বড় শিল্পের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য আরো ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ তহবিল ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রণোদনার অধিকাংশ অর্থই পোশাক খাতে বণ্টন হয়েছে।

প্রণোদনা বলতে ঠিক কী চাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক বলেন, যে ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল সেগুলোর মেয়াদ ২ বছরের স্থলে ৫ বছর করা হোক। গ্রেস পিরিয়ড ৬ মাসের পরিবর্তে ১ বছর করুক। এছাড়া আমাদের একটি নীতি সহায়তা খুব প্রয়োজন। আবার অনেক ক্রেতা দেউলিয়া ঘোষণা করায় পেমেন্ট আটকে গেছে। সে ক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা চাচ্ছি।

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় ক্রয়াদেশ বাতিল হয়নি। এরপরও কেন প্রণোদনা চাওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়নি ঠিকই। কিন্তু গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ হারে ক্রয়াদেশ কমেছে। পণ্যের দাম কমেছে। এ জন্য প্রণোদনার প্রয়োজন। আমরা সেটা আবার ফেরত দিয়ে দেব। শুধু টিকে থাকার জন্য এগুলো চাচ্ছি।’