ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফলে ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

শুক্রবার ঢাকায় ওয়েবিনারে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) আয়োজিত সংস্থার ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে ‘ইন্টারনেট ফর হিউমেন রেজিলেন্স এন্ড উইথ ইকুইটি লেন্স উয়েক এন্ড মিসিং ভয়েসেস’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডাটা অনেক ক্ষেত্রে মানুষে মানুষে সংঘাত ও সমস্যা সৃষ্টিসহ নানাবিধ খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।

ফেসবুকে কোনো কোনো সময় ডাটার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সন্ত্রাস, মানহানি, গুজব ছড়ানো, অপপ্রচার, রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করার অপচেষ্টা হয়ে থাকে। দেশে ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট বিকাশের ইতিহাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে শুরু হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তার হাত ধরে দেশে ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২০০৯ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বাস্তবায়ন শুরু হয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিনির্ভর অর্থনীতির বাংলাদেশ ডিজিটাল বিপ্লবের ফসল হিসেবে আজ সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দোরগোড়ায় উপনীত হয়েছে। তিনি ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’

তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিপদ থেকে আত্মরক্ষার উপায় জানতে হবে। প্রযুক্তির পাশাপাশি ইন্টারনেট নিরাপদ রাখতে সচেতনতা অপরিহার্য। এছাড়াও ২০০৮ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ লাখ। গত ১১ বছরে তা ১০ কোটি অতিক্রম করেছে। তিনি বাংলাকে টপ লেভেল ডোমেইনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিআইজিএফ চেয়ারম্যান হাসানুল হক ইনুর ভূমিকার প্রশংসা করেন মন্ত্রী।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দেশ দিয়েছেন, এটি সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব আমাদের। তিনি উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বেগবান করতে সকলের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে বলেন, ইন্টারনেট হচ্ছে বৈষম্য থেকে মুক্তি দেয়ার বড় হাতিয়ার।’

এসময় তিনি ডাটা নিরাপত্তা আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।

অনুষ্ঠানটি বিআইজিএফ সভাপতি, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক, গুগল এশিয়া প্যাসিফিক, সিঙ্গাপুর এর কর্মকর্তা তেনজিন নরভু, আইকান এর এশিয়া প্যাসিফিক এর ম্যানেজার ঝিয়া রন-লু, ইন্টারনেট গভর্নমেন্ট সাপোর্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট মারকাস কুমার, নেপাল ইন্টারনেট ফোরাম কর্মকর্তা বাবু রাম আরিয়ান এবং আইসিটি ব্যক্তিত্ব বজলুর রহমান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফলে ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

শুক্রবার ঢাকায় ওয়েবিনারে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) আয়োজিত সংস্থার ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে ‘ইন্টারনেট ফর হিউমেন রেজিলেন্স এন্ড উইথ ইকুইটি লেন্স উয়েক এন্ড মিসিং ভয়েসেস’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘ডাটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিশেষত ব্যক্তিগত ডাটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডাটা অনেক ক্ষেত্রে মানুষে মানুষে সংঘাত ও সমস্যা সৃষ্টিসহ নানাবিধ খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।

ফেসবুকে কোনো কোনো সময় ডাটার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সন্ত্রাস, মানহানি, গুজব ছড়ানো, অপপ্রচার, রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করার অপচেষ্টা হয়ে থাকে। দেশে ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। ডাটার অপপ্রয়োগ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট বিকাশের ইতিহাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে শুরু হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তার হাত ধরে দেশে ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২০০৯ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বাস্তবায়ন শুরু হয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিনির্ভর অর্থনীতির বাংলাদেশ ডিজিটাল বিপ্লবের ফসল হিসেবে আজ সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দোরগোড়ায় উপনীত হয়েছে। তিনি ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’

তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিপদ থেকে আত্মরক্ষার উপায় জানতে হবে। প্রযুক্তির পাশাপাশি ইন্টারনেট নিরাপদ রাখতে সচেতনতা অপরিহার্য। এছাড়াও ২০০৮ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ লাখ। গত ১১ বছরে তা ১০ কোটি অতিক্রম করেছে। তিনি বাংলাকে টপ লেভেল ডোমেইনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিআইজিএফ চেয়ারম্যান হাসানুল হক ইনুর ভূমিকার প্রশংসা করেন মন্ত্রী।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দেশ দিয়েছেন, এটি সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব আমাদের। তিনি উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বেগবান করতে সকলের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে বলেন, ইন্টারনেট হচ্ছে বৈষম্য থেকে মুক্তি দেয়ার বড় হাতিয়ার।’

এসময় তিনি ডাটা নিরাপত্তা আইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।

অনুষ্ঠানটি বিআইজিএফ সভাপতি, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক, গুগল এশিয়া প্যাসিফিক, সিঙ্গাপুর এর কর্মকর্তা তেনজিন নরভু, আইকান এর এশিয়া প্যাসিফিক এর ম্যানেজার ঝিয়া রন-লু, ইন্টারনেট গভর্নমেন্ট সাপোর্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট মারকাস কুমার, নেপাল ইন্টারনেট ফোরাম কর্মকর্তা বাবু রাম আরিয়ান এবং আইসিটি ব্যক্তিত্ব বজলুর রহমান।