ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সৌরজগতে নতুন সমতলের সন্ধান!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আমাদের চেনা-অচেনা সৌরজগতে নতুন এক সমতলের সন্ধান মিলল। ধূমকেতুর কক্ষপথ নিয়ে এক গবেষণা চলাকালীন এই আবিষ্কারে সমর্থ হয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই সৌরজগতে সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে রয়েছে ধূমকেতুদের দল। সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের যে শীর্ষবিন্দু, পরিভাষার দিক থেকে তাকে বলা হয় অ্যাফেলিয়া। আর পৃথিবীসহ অন্যান গ্রহ রয়েছে যে সমতলে তাকে বলা হয় একলিপটিক। অনুমান করা হচ্ছে যে ধূমকেতুরা থাকে অন্য এক সমতলে, যা এম্পটি একলিপটিক নামে পরিচিত।

নতুন আবিষ্কার সত্যি হলে এ বার থেকে জানা যাবে যে সৌরজগতে কীভাবে জন্ম নেয় ধূমকেতু। সাধারণত এই সৌরজগতের সমস্ত গ্রহ মোটামুটি একই সমতলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। একেই বলা হয় একলিপটিক পথ। কিন্তু ধূমকেতুরা এর ব্যতিক্রম। অন্যান গ্রহের মতো ধূমকেতু একই সমতলে থাকে না। এবং এদের চলার অভিমুখও সব সময়ে এক দিকে থাকে না। তা ক্রমাগত বদলাতে থাকে।

পুরনো গবেষণা অনুযায়ী এত দিন মনে করা হত, ধূমকেতু একলিপটিক সমতলেই জন্ম নেয়, তার পর নিজের নিজের কক্ষপথে চলে যায়। দৈত্যাকার নক্ষত্রদের মধ্যাকর্ষণের ফলে ধূমকেতুদের কক্ষপথ বদলাতে পারে অসংখ্য বার। ধূমকেতুদের কক্ষপথ বদল করার ঘটনার ব্যাখ্যা একটাই- সূর্য ছাড়াও অন্য কোনও শক্তি ধূমকেতুদের চলনকে প্রভাবিতকরে।

প্রসঙ্গত, ফিস ডট অর্গ নামে বিজ্ঞান বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট বলছে, এই ছায়াপথে সমস্ত সৌরজগতেরই একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। আর সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে ছায়াপথে দুইটি সমতল রয়েছে। মানুষ এত দিন যার মধ্যে শুধু একলিপটিক সমতলের কথাই জানত। জাপানের অকুপেশনাল অ্যান্ড এনভায়ারনমেন্টাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আরিকা হিগুচি দীর্ঘ গবেষণার পর প্রথম অনুমান করলেন যে একলিপটিক সমতল ছাড়াও আকাশগঙ্গা ছায়াপথেই রয়েছে আরও একটি ছায়াপথ, যার নাম এম্পটি একলিপটিক।

একলিপটিক সমতলটি ৬০ ডিগ্রি কৌণিক অবস্থান করে থাকে। সদ্য আবিষ্কৃত হওয়া এম্পটি একলিপটিকও থাকে এক ভাবেই। তবে এর অভিমুখ একলিপটিকের ঠিক বিপরীত দিকে হয়। একে এম্পটি বলা হয়, কারণ এক সময়ে এটি ফাঁকাই ছিল। পরে কালে কালে ধূমকেতু ছড়িয়ে-ছিটিয়ে এই সমতলে চলে আসে।

হিগুচি জানিয়েছেন এই ছায়াপথের গ্রহ, নক্ষত্র, উপগ্রহ, ধূমকেতু, নীহারিকা, গ্রহাণুপুঞ্জেরা কে কোন সমতলে রয়েছে, সে সম্পর্কে দীর্ঘ গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে ধূমকেতুদের কারা কোন সমতলে ছড়িয়ে রয়েছে সেই নিয়েই আগামীতে কাজ করবেন হিগুচি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সৌরজগতে নতুন সমতলের সন্ধান!

আপডেট সময় ০৯:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আমাদের চেনা-অচেনা সৌরজগতে নতুন এক সমতলের সন্ধান মিলল। ধূমকেতুর কক্ষপথ নিয়ে এক গবেষণা চলাকালীন এই আবিষ্কারে সমর্থ হয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই সৌরজগতে সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে রয়েছে ধূমকেতুদের দল। সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের যে শীর্ষবিন্দু, পরিভাষার দিক থেকে তাকে বলা হয় অ্যাফেলিয়া। আর পৃথিবীসহ অন্যান গ্রহ রয়েছে যে সমতলে তাকে বলা হয় একলিপটিক। অনুমান করা হচ্ছে যে ধূমকেতুরা থাকে অন্য এক সমতলে, যা এম্পটি একলিপটিক নামে পরিচিত।

নতুন আবিষ্কার সত্যি হলে এ বার থেকে জানা যাবে যে সৌরজগতে কীভাবে জন্ম নেয় ধূমকেতু। সাধারণত এই সৌরজগতের সমস্ত গ্রহ মোটামুটি একই সমতলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। একেই বলা হয় একলিপটিক পথ। কিন্তু ধূমকেতুরা এর ব্যতিক্রম। অন্যান গ্রহের মতো ধূমকেতু একই সমতলে থাকে না। এবং এদের চলার অভিমুখও সব সময়ে এক দিকে থাকে না। তা ক্রমাগত বদলাতে থাকে।

পুরনো গবেষণা অনুযায়ী এত দিন মনে করা হত, ধূমকেতু একলিপটিক সমতলেই জন্ম নেয়, তার পর নিজের নিজের কক্ষপথে চলে যায়। দৈত্যাকার নক্ষত্রদের মধ্যাকর্ষণের ফলে ধূমকেতুদের কক্ষপথ বদলাতে পারে অসংখ্য বার। ধূমকেতুদের কক্ষপথ বদল করার ঘটনার ব্যাখ্যা একটাই- সূর্য ছাড়াও অন্য কোনও শক্তি ধূমকেতুদের চলনকে প্রভাবিতকরে।

প্রসঙ্গত, ফিস ডট অর্গ নামে বিজ্ঞান বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট বলছে, এই ছায়াপথে সমস্ত সৌরজগতেরই একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। আর সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে ছায়াপথে দুইটি সমতল রয়েছে। মানুষ এত দিন যার মধ্যে শুধু একলিপটিক সমতলের কথাই জানত। জাপানের অকুপেশনাল অ্যান্ড এনভায়ারনমেন্টাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আরিকা হিগুচি দীর্ঘ গবেষণার পর প্রথম অনুমান করলেন যে একলিপটিক সমতল ছাড়াও আকাশগঙ্গা ছায়াপথেই রয়েছে আরও একটি ছায়াপথ, যার নাম এম্পটি একলিপটিক।

একলিপটিক সমতলটি ৬০ ডিগ্রি কৌণিক অবস্থান করে থাকে। সদ্য আবিষ্কৃত হওয়া এম্পটি একলিপটিকও থাকে এক ভাবেই। তবে এর অভিমুখ একলিপটিকের ঠিক বিপরীত দিকে হয়। একে এম্পটি বলা হয়, কারণ এক সময়ে এটি ফাঁকাই ছিল। পরে কালে কালে ধূমকেতু ছড়িয়ে-ছিটিয়ে এই সমতলে চলে আসে।

হিগুচি জানিয়েছেন এই ছায়াপথের গ্রহ, নক্ষত্র, উপগ্রহ, ধূমকেতু, নীহারিকা, গ্রহাণুপুঞ্জেরা কে কোন সমতলে রয়েছে, সে সম্পর্কে দীর্ঘ গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে ধূমকেতুদের কারা কোন সমতলে ছড়িয়ে রয়েছে সেই নিয়েই আগামীতে কাজ করবেন হিগুচি।