ঢাকা ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

নাচতে নাচতে মৃত্যু ৪০০ লোকের

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হঠাৎ শুরু হওয়া নাচের এ ঘটনা বহু পুরনো। ১৫১৮ সাল। জুলাই মাস। ফ্রান্সের স্ট্রসবার্গে মিসেস ত্রোফফেয়া নামের এক নারী হঠাৎ নাচতে শুরু করেন।

তারপর সেখানে উপস্থিত সবাই নাচতে শুরু করেন। কিছুতেই তাদের নাচ থামছিল না।

এক সপ্তাহ পর আরও বহু মানুষ সেই নাচের সঙ্গে যোগ দেন। এক মাস পর শত-শত মানুষ সেই অবিরাম নাচে যোগ দেন। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন কেউ কেউ। বাকিরা ফের নাচতে শুরু করেন।

শহরের সে সময়ের শাসকরা ভাবলেন, এভাবে অবিরত নাচতে দিলে নিশ্চয় ক্লান্ত হয়ে নাচ থেমে যাবে সবার। তাই তারা শহরের টাউনহলে সব মানুষের নাচার ব্যবস্থা করে দিলেন। এদের মধ্যে ক্লান্তি, হার্ট অ্যাটাক ও উচ্চ রক্তচাপে প্রাণ হারান প্রায় ৪০০ মানুষ।

মাসের পর মাস অবিরাম নাচ চালানো কোনো ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব নয়। কিন্তু কেন শুরু হয়েছিল সেই নাচ, আজ পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

যদিও অনেকে দাবি করেন, বহু দিন ধরে অন্ধকার ও বদ্ধঘরে পানি আর পাউরুটি খাইয়ে রাখার পর বাইরে ছেড়ে দেয়া হয় কিছু লোককে। তাদের মধ্যেই এ নাচের ঝোঁক দেখা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

নাচতে নাচতে মৃত্যু ৪০০ লোকের

আপডেট সময় ১০:৫১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হঠাৎ শুরু হওয়া নাচের এ ঘটনা বহু পুরনো। ১৫১৮ সাল। জুলাই মাস। ফ্রান্সের স্ট্রসবার্গে মিসেস ত্রোফফেয়া নামের এক নারী হঠাৎ নাচতে শুরু করেন।

তারপর সেখানে উপস্থিত সবাই নাচতে শুরু করেন। কিছুতেই তাদের নাচ থামছিল না।

এক সপ্তাহ পর আরও বহু মানুষ সেই নাচের সঙ্গে যোগ দেন। এক মাস পর শত-শত মানুষ সেই অবিরাম নাচে যোগ দেন। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন কেউ কেউ। বাকিরা ফের নাচতে শুরু করেন।

শহরের সে সময়ের শাসকরা ভাবলেন, এভাবে অবিরত নাচতে দিলে নিশ্চয় ক্লান্ত হয়ে নাচ থেমে যাবে সবার। তাই তারা শহরের টাউনহলে সব মানুষের নাচার ব্যবস্থা করে দিলেন। এদের মধ্যে ক্লান্তি, হার্ট অ্যাটাক ও উচ্চ রক্তচাপে প্রাণ হারান প্রায় ৪০০ মানুষ।

মাসের পর মাস অবিরাম নাচ চালানো কোনো ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব নয়। কিন্তু কেন শুরু হয়েছিল সেই নাচ, আজ পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

যদিও অনেকে দাবি করেন, বহু দিন ধরে অন্ধকার ও বদ্ধঘরে পানি আর পাউরুটি খাইয়ে রাখার পর বাইরে ছেড়ে দেয়া হয় কিছু লোককে। তাদের মধ্যেই এ নাচের ঝোঁক দেখা যায়।