ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিনামূল্যে ইন্টারনেট পাওয়া শিক্ষার্থীদের অধিকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষার্থীদের যেভাবে বই দেওয়া হচ্ছে, আমার তো মনে হয় তারা এখন বলবে আমাকে বই একটু পরে দিও, আগে ইন্টারনেট দাও। তাহলে তো বিনামূল্যে ইন্টারনেট পাওয়াটাও তার অধিকারের মধ্যে পড়ছে বলে মনে করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

সোমবার (৬ জুলাই) ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) জন্য প্রাইম ব্যাংকের জামানতবিহীন ঋণ কার‌্যক্রম চালুর ভার্চু্য়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

মোস্তফা জব্বার বলেন, আমি ব্যক্তি হিসেবে, মন্ত্রী হিসেবে বরাবরই চেষ্টা করে আসছি ইন্টারনেট যাতে সহজলভ্য হয়। ইন্টারনেট যাতে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে। আমি যদি শিক্ষায় বিনামূল্যে ইন্টারনেটও দেই এবং ইন্টারনেটে যদি আমি সাবসিডিও দেই এটাকে ব্যয় হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা উচিত।

মন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে আমরা মনে করি রাজস্ব সংগ্রহ করার জন্য করারোপ করা নিশ্চয়ই রাষ্ট্রের প্রচেষ্টা থাকবে। সেই কাজ করতেও হবে রাষ্ট্রকে। করারোপ করে রাজস্ব সংগ্রহও করতে হবে রাষ্ট্রকে। কিন্তু সব জায়গা থেকে তো আমি করারোপ করি না।

মোস্তফা জব্বার বলেন, যদি আমরা রাজস্বের বিষয়টা দেখতে চাই তাহলে বিনামূল্যে বই দেই কেন। বিনামূল্যে যদি বই দেই মানে হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের শক্তিশালী করছি। বই যেভাবে দিচ্ছি, আমার তো মনে হয় ছাত্রছাত্রীরা এখন বলবে যে বই আমাকে একটু পরে দিও, কিন্তু আমাকে আগে একটু ইন্টারনেট দাও। তাহলে তো বিনামূল্যে ইন্টারনেট পাওয়াটাও তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নীতিনির্ধারণী পর‌্যায়েও এ সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত। আমরা কিভাবে বিনামূলে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট দিতে পারি। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনামূল্যে ওয়াইফাই দেওয়ার চেষ্টা করছি।

প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাহেল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইন্টারটে সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আমিনুল হাকিম, সেক্রেটারি জেনারেল মো. ইমদাদুল হক ও প্রাইম ব্যাংকের হেড অব এমএসএমই সৈয়দ এম ওমর তায়েব।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইএসপিএবির সদস্যরা প্রাইম ব্যাংক থেকে জামানতবিহীন ৫০ লাখ টাকা পর‌্যন্ত ঋণ পাবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিনামূল্যে ইন্টারনেট পাওয়া শিক্ষার্থীদের অধিকার

আপডেট সময় ০৯:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষার্থীদের যেভাবে বই দেওয়া হচ্ছে, আমার তো মনে হয় তারা এখন বলবে আমাকে বই একটু পরে দিও, আগে ইন্টারনেট দাও। তাহলে তো বিনামূল্যে ইন্টারনেট পাওয়াটাও তার অধিকারের মধ্যে পড়ছে বলে মনে করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

সোমবার (৬ জুলাই) ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) জন্য প্রাইম ব্যাংকের জামানতবিহীন ঋণ কার‌্যক্রম চালুর ভার্চু্য়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

মোস্তফা জব্বার বলেন, আমি ব্যক্তি হিসেবে, মন্ত্রী হিসেবে বরাবরই চেষ্টা করে আসছি ইন্টারনেট যাতে সহজলভ্য হয়। ইন্টারনেট যাতে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে। আমি যদি শিক্ষায় বিনামূল্যে ইন্টারনেটও দেই এবং ইন্টারনেটে যদি আমি সাবসিডিও দেই এটাকে ব্যয় হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা উচিত।

মন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে আমরা মনে করি রাজস্ব সংগ্রহ করার জন্য করারোপ করা নিশ্চয়ই রাষ্ট্রের প্রচেষ্টা থাকবে। সেই কাজ করতেও হবে রাষ্ট্রকে। করারোপ করে রাজস্ব সংগ্রহও করতে হবে রাষ্ট্রকে। কিন্তু সব জায়গা থেকে তো আমি করারোপ করি না।

মোস্তফা জব্বার বলেন, যদি আমরা রাজস্বের বিষয়টা দেখতে চাই তাহলে বিনামূল্যে বই দেই কেন। বিনামূল্যে যদি বই দেই মানে হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের শক্তিশালী করছি। বই যেভাবে দিচ্ছি, আমার তো মনে হয় ছাত্রছাত্রীরা এখন বলবে যে বই আমাকে একটু পরে দিও, কিন্তু আমাকে আগে একটু ইন্টারনেট দাও। তাহলে তো বিনামূল্যে ইন্টারনেট পাওয়াটাও তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নীতিনির্ধারণী পর‌্যায়েও এ সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত। আমরা কিভাবে বিনামূলে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট দিতে পারি। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনামূল্যে ওয়াইফাই দেওয়ার চেষ্টা করছি।

প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাহেল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইন্টারটে সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আমিনুল হাকিম, সেক্রেটারি জেনারেল মো. ইমদাদুল হক ও প্রাইম ব্যাংকের হেড অব এমএসএমই সৈয়দ এম ওমর তায়েব।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইএসপিএবির সদস্যরা প্রাইম ব্যাংক থেকে জামানতবিহীন ৫০ লাখ টাকা পর‌্যন্ত ঋণ পাবেন।