ঢাকা ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

সব ভাইরাসের সংক্রমণ রুখে দিতে শুধুই গরম পানি!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই ভয়াল থাবা বসিয়েছে মহামারি করোনা। এই করোনা থেকে দূরে থাকতে কত কিছুই না করছি আমরা। নেওয়া হয়েছে হাজারো ব্যবস্থা। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, বাইরে না যাওয়া, বারবার হাত পরিষ্কার করা, মাস্ক ব্যবহারের মতো অনেক অভ্যাস তৈরি করে নিচ্ছি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী।

এরপরও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর আরও কিছু পন্থা বাতলে দেন বিশেষজ্ঞরা।

জার্মান প্রবাসী জাহিদ আল আমীন জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে চিকিৎসক তাকে ঘরে থেকেই কিছু ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত গরম পানির ভাপ নেওয়ার পরামর্শ দেন। এর ফলে মাত্র কয়েক দিনেই তিনি করোনামুক্ত হন।

সব সময় করোনার আতঙ্কে না থেকে সর্দি-কাশি বা হালকা জ্বর হলে ঘরেই কীভাবে প্রতিকার পেতে পারেন জেনে নিন:

• গলায় খুসখুসে ভাব দূর করতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আদার আর মধুর চা পান করুন

• হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন
• এক চা চামচ পাতিলেবুর রসের সঙ্গে সমপরিমাণ মধুর মিশ্রণ দিনে দু’বার করে খান। এই মিশ্রণ গলার ভেতরের সংক্রমণ দ্রুত কমাতে সাহায্য করে

• গাজর খেতে পারেন। এর ভিটামিন ও মিনারেলস শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

• সর্দি-কাশির সমস্যায় গরম পানির সঙ্গে লবণ মিশিয়ে নিয়ে দিনে দু’বার ভাপ নিন। নাক ও বুকে জমে থাকা কফ বের হয়ে যাবে। যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণ দূর করতেও এই গরম পানির ভাপের জুড়ি নেই।

(তবে জ্বর যদি বেশি হয়, বা শ্বাসকষ্ট হয় তাহলে কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।)

করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীরা মোটামুটি এসব বিষয় মেনে চলার কথাই বলছেন। তবে সাধারণ ঠাণ্ডাজনিত সর্দি কাশি বা ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো কার্যকর হলেও করোনার বিরুদ্ধে কার্যকর কি না তার স্বীকৃতি মেলেনি। সে কারণে করোনার যে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সব ভাইরাসের সংক্রমণ রুখে দিতে শুধুই গরম পানি!

আপডেট সময় ১০:২৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই ভয়াল থাবা বসিয়েছে মহামারি করোনা। এই করোনা থেকে দূরে থাকতে কত কিছুই না করছি আমরা। নেওয়া হয়েছে হাজারো ব্যবস্থা। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, বাইরে না যাওয়া, বারবার হাত পরিষ্কার করা, মাস্ক ব্যবহারের মতো অনেক অভ্যাস তৈরি করে নিচ্ছি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী।

এরপরও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর আরও কিছু পন্থা বাতলে দেন বিশেষজ্ঞরা।

জার্মান প্রবাসী জাহিদ আল আমীন জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে চিকিৎসক তাকে ঘরে থেকেই কিছু ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত গরম পানির ভাপ নেওয়ার পরামর্শ দেন। এর ফলে মাত্র কয়েক দিনেই তিনি করোনামুক্ত হন।

সব সময় করোনার আতঙ্কে না থেকে সর্দি-কাশি বা হালকা জ্বর হলে ঘরেই কীভাবে প্রতিকার পেতে পারেন জেনে নিন:

• গলায় খুসখুসে ভাব দূর করতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আদার আর মধুর চা পান করুন

• হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন
• এক চা চামচ পাতিলেবুর রসের সঙ্গে সমপরিমাণ মধুর মিশ্রণ দিনে দু’বার করে খান। এই মিশ্রণ গলার ভেতরের সংক্রমণ দ্রুত কমাতে সাহায্য করে

• গাজর খেতে পারেন। এর ভিটামিন ও মিনারেলস শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

• সর্দি-কাশির সমস্যায় গরম পানির সঙ্গে লবণ মিশিয়ে নিয়ে দিনে দু’বার ভাপ নিন। নাক ও বুকে জমে থাকা কফ বের হয়ে যাবে। যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণ দূর করতেও এই গরম পানির ভাপের জুড়ি নেই।

(তবে জ্বর যদি বেশি হয়, বা শ্বাসকষ্ট হয় তাহলে কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।)

করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীরা মোটামুটি এসব বিষয় মেনে চলার কথাই বলছেন। তবে সাধারণ ঠাণ্ডাজনিত সর্দি কাশি বা ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো কার্যকর হলেও করোনার বিরুদ্ধে কার্যকর কি না তার স্বীকৃতি মেলেনি। সে কারণে করোনার যে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।